
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজনৈতিক বিবেচনায় দায়ের করা ছয় হাজার ৬৮১টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে আইন, সংসদ ও বিচারবিষয়ক মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি। দেশে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অন্যান্য নানা কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব মামলা প্রত্যাহারে পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশের তথ্য জানা গেছে।
‘রাজনৈতিক, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য’ শীর্ষক এক নথিতে বলা হয়েছে— আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার (আসিফ নজরুল) সভাপতিত্বে রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে সুপারিশ করার লক্ষ্যে গঠিত মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ৯টি সভায় মোট ছয় হাজার ৬৮১টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অন্যান্য নানা কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করতে জেলা ও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে দুটি কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির সভাপতি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা) ও যুগ্মসচিব (আইন) এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্ম-সচিব পর্যায়ের নিচে নয়)। এই কমিটির সদস্য সচিব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-১ শাখার উপসচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব বা সহকারী সচিব।
অন্যদিকে জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতি হিসেবে থাকছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকার জন্য পুলিশের একজন ডেপুটি কমিশনার) ও পাবলিক প্রসিকিউটর (মহানগর এলাকার মামলাগুলোর জন্য মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর)। এ কমিটির সদস্য সচিব একজন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

রাজনৈতিক বিবেচনায় দায়ের করা ছয় হাজার ৬৮১টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে আইন, সংসদ ও বিচারবিষয়ক মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি। দেশে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অন্যান্য নানা কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব মামলা প্রত্যাহারে পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশের তথ্য জানা গেছে।
‘রাজনৈতিক, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য’ শীর্ষক এক নথিতে বলা হয়েছে— আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার (আসিফ নজরুল) সভাপতিত্বে রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে সুপারিশ করার লক্ষ্যে গঠিত মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ৯টি সভায় মোট ছয় হাজার ৬৮১টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অন্যান্য নানা কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করতে জেলা ও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে দুটি কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির সভাপতি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা) ও যুগ্মসচিব (আইন) এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্ম-সচিব পর্যায়ের নিচে নয়)। এই কমিটির সদস্য সচিব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-১ শাখার উপসচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব বা সহকারী সচিব।
অন্যদিকে জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতি হিসেবে থাকছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকার জন্য পুলিশের একজন ডেপুটি কমিশনার) ও পাবলিক প্রসিকিউটর (মহানগর এলাকার মামলাগুলোর জন্য মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর)। এ কমিটির সদস্য সচিব একজন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ) এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সামিটে নীতিনির্ধারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন। দুদিনে ১১টি প্লেনারি সেশন, সাতটি কৌশলগত প্যানেল আলোচনা এবং প্রযুক্তি প্
৮ ঘণ্টা আগে
বিশেষ কোনো অধিবেশন ডেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রয়োজন বা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
৮ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগের সময় নিয়োগ পাওয়া এই রাষ্ট্রপতি অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরে ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের সময় পদে থাকবেন কি না, এ নিয়ে অনেকবার প্রশ্ন উঠেছে, নানা রকম আলোচনা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পুলিশে ১৯৭৪ সালে প্রথম নারী সদস্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হয়। সে সময় তাদের দায়িত্ব মূলত প্রশাসনিক ও সীমিত পরিসরের ছিল।
১০ ঘণ্টা আগে