
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলনের পর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে সে প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছেন ট্রেইনি চিকিৎসকরা। বলেছেন, দাবি অনুযায়ী ভাতা বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করার আগ পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
ট্রেইনি চিকিৎসকদের এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন সারজিস আলমও। বলেছেন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের সমমান হওয়া উচিত।
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকরা মাসিক ভাতা ৫০ হাজার টাকার দাবি জানিয়ে আসছেন ২০২২ সাল থেকেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের জুলাইয়ে তাদের ভাতা ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়। এর প্রতিবাদও ওই সময় থেকেই করছেন চিকিৎসকরা।
দীর্ঘ দিন ধরে দাবি জানিয়ে কাজ না হওয়ায় গত ১৪ ডিসেম্বর শহিদ মিনার থেকে আন্দোলন শুরু করেন ট্রেইনি চিকিৎসকরা। রোববার (২২ ডিসেম্বর) থেকে তারা কর্মবিরতি শুরু করেন। ওই দিন সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বটতলায় বিক্ষোভের পর দুপুরে শাহবাগ মোড়ে সড়ক অবরোধ করেন। জানান, দাবি আদায় না হলে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন।
এর মধ্যে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-৩ অধিশাখার উপসচিব সৈয়দ আলী বিন হাসানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই ভাতা ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার ঘোষণা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) প্রজ্ঞাপনের কথা জানাজানি হলে ফের বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠেন ট্রেইনি চিকিৎসকরা।
এ দিন চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকদের সঙ্গে ‘ওয়াদার বরখেলাপ’ হিসেবে অভিহিত করে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।
সভাপতি ডা. জাবির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. নুরুন নবীর সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন বাংলাদেশে আর কোনো বৈষম্য মেনে নেওয়া হবে না। ৯ম গ্রেড সমপরিমাণ ওয়াদা করে ৩০ হাজার টাকা ভাতা নির্ধারণের প্রজ্ঞাপন আমরা প্রত্যাখ্যান করলাম। আমরা এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আপনরা আরও কঠোরভাবে আমাদের মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করে সারজিস আলম এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি ডাক্তারদের ভাতা মাত্র ৩০ হাজার টাকা কখনোই যৌক্তিক হতে পারে না। এটা অন্তত ৪০ হাজার টাকা অথবা নবম গ্রেড সমমান হওয়া উচিত। কোথায় কখন কতটুকু ইনভেস্ট করতে হবে সেটা যতদিন আমরা না বুঝব ততদিন দেশের প্রত্যাশিত উন্নতি সম্ভব না। এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করছি।’
ট্রেইনি চিকিৎসকদের এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ ইউনাইটেড মেডিকেল অরগানাইজেশন অব বাংলাদেশ (ইউমব)। সংগেঠনটি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যৌক্তিক এই দাবি পূরণ হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিসের সভাপতি ডা. জাবির হোসেনসহ আন্দোলনরত ট্রেইনি চিকিৎসকরা বলেন, আন্দোলন করলেই যথাযথ মূল্যায়ন না করে তাদের ভাতা পাঁচ হাজার টাকা করে বাড়ানো হয়। তাই তারা ভাতা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করছেন। বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাদের দাবি পূরণ করা না হলে আগামী রোববার (২৯ ডিসেম্বর) তারা ঢাকায় মহাসমাবেশ করবেন। সেখানে সারা দেশের ট্রেইনি চিকিৎসকরা অংশ নেবেন। সেখান থেকে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
চিকিৎসা খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি তারা হাসপাতালে রোগীদের সেবা দিয়ে থাকেন। হাসপাতালগুলোতে জরুরি বিভাগে রোগী ভর্তি, রোগীদের চিকিৎসা, ছাড়পত্র দেওয়ার মতো কাজগুলো মূলত এই ট্রেইনি চিকিৎসকরাই করেন।
একটা সময় পর্যন্ত এসব পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ট্রেইনি চিকিৎসকদের জন্য কোনো ভাতার ব্যবস্থা ছিল না। আন্দোলনের মুখে ২০১১ সালে প্রথম তাদের জন্য পারিতোষিক নির্ধারণ করা হয় ১০ হাজার টাকা। ট্রেইনি চিকিৎসকরা বলছেন, এরপরও ভাতার পরিমাণ বাড়াতে তাদের আন্দোলনে নামতে হয়েছে। সবশেষ গত বছর তাদের ভাড়া বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলনের পর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে সে প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছেন ট্রেইনি চিকিৎসকরা। বলেছেন, দাবি অনুযায়ী ভাতা বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করার আগ পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
ট্রেইনি চিকিৎসকদের এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন সারজিস আলমও। বলেছেন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের সমমান হওয়া উচিত।
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকরা মাসিক ভাতা ৫০ হাজার টাকার দাবি জানিয়ে আসছেন ২০২২ সাল থেকেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের জুলাইয়ে তাদের ভাতা ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়। এর প্রতিবাদও ওই সময় থেকেই করছেন চিকিৎসকরা।
দীর্ঘ দিন ধরে দাবি জানিয়ে কাজ না হওয়ায় গত ১৪ ডিসেম্বর শহিদ মিনার থেকে আন্দোলন শুরু করেন ট্রেইনি চিকিৎসকরা। রোববার (২২ ডিসেম্বর) থেকে তারা কর্মবিরতি শুরু করেন। ওই দিন সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বটতলায় বিক্ষোভের পর দুপুরে শাহবাগ মোড়ে সড়ক অবরোধ করেন। জানান, দাবি আদায় না হলে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন।
এর মধ্যে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-৩ অধিশাখার উপসচিব সৈয়দ আলী বিন হাসানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই ভাতা ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার ঘোষণা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) প্রজ্ঞাপনের কথা জানাজানি হলে ফের বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠেন ট্রেইনি চিকিৎসকরা।
এ দিন চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি চিকিৎসকদের সঙ্গে ‘ওয়াদার বরখেলাপ’ হিসেবে অভিহিত করে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।
সভাপতি ডা. জাবির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. নুরুন নবীর সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন বাংলাদেশে আর কোনো বৈষম্য মেনে নেওয়া হবে না। ৯ম গ্রেড সমপরিমাণ ওয়াদা করে ৩০ হাজার টাকা ভাতা নির্ধারণের প্রজ্ঞাপন আমরা প্রত্যাখ্যান করলাম। আমরা এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আপনরা আরও কঠোরভাবে আমাদের মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করে সারজিস আলম এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি ডাক্তারদের ভাতা মাত্র ৩০ হাজার টাকা কখনোই যৌক্তিক হতে পারে না। এটা অন্তত ৪০ হাজার টাকা অথবা নবম গ্রেড সমমান হওয়া উচিত। কোথায় কখন কতটুকু ইনভেস্ট করতে হবে সেটা যতদিন আমরা না বুঝব ততদিন দেশের প্রত্যাশিত উন্নতি সম্ভব না। এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করছি।’
ট্রেইনি চিকিৎসকদের এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ ইউনাইটেড মেডিকেল অরগানাইজেশন অব বাংলাদেশ (ইউমব)। সংগেঠনটি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যৌক্তিক এই দাবি পূরণ হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিসের সভাপতি ডা. জাবির হোসেনসহ আন্দোলনরত ট্রেইনি চিকিৎসকরা বলেন, আন্দোলন করলেই যথাযথ মূল্যায়ন না করে তাদের ভাতা পাঁচ হাজার টাকা করে বাড়ানো হয়। তাই তারা ভাতা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করছেন। বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাদের দাবি পূরণ করা না হলে আগামী রোববার (২৯ ডিসেম্বর) তারা ঢাকায় মহাসমাবেশ করবেন। সেখানে সারা দেশের ট্রেইনি চিকিৎসকরা অংশ নেবেন। সেখান থেকে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
চিকিৎসা খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি তারা হাসপাতালে রোগীদের সেবা দিয়ে থাকেন। হাসপাতালগুলোতে জরুরি বিভাগে রোগী ভর্তি, রোগীদের চিকিৎসা, ছাড়পত্র দেওয়ার মতো কাজগুলো মূলত এই ট্রেইনি চিকিৎসকরাই করেন।
একটা সময় পর্যন্ত এসব পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ট্রেইনি চিকিৎসকদের জন্য কোনো ভাতার ব্যবস্থা ছিল না। আন্দোলনের মুখে ২০১১ সালে প্রথম তাদের জন্য পারিতোষিক নির্ধারণ করা হয় ১০ হাজার টাকা। ট্রেইনি চিকিৎসকরা বলছেন, এরপরও ভাতার পরিমাণ বাড়াতে তাদের আন্দোলনে নামতে হয়েছে। সবশেষ গত বছর তাদের ভাড়া বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়।

চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন বিভিন্ন ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর নামে থাকা সব ধরনের হিসাবের (বন্ধ, সুপ্ত বা চলমান) তথ্য দিতে বলা হয়েছে। ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, লকার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, এফডিআর, ডিপিএস ও ঋণ হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে নরওয়ের বাংলাদেশ মিশনের ডেপুটি হেড আলেকজান্ডার ফাল্ক-বিল্ডেন, রাজনৈতিক উপদেষ্টা সারোয়ার জাহান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রথম প্রজ্ঞাপনে অতিরিক্ত আইজিপি ও ডিআইজি পর্যায়ের ছয় কর্মকর্তার পদোন্নতি ও বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক ডিআইজি মো. সায়েদুর রহমান, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. ইকবাল হোসেন এবং পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. কামরুল আহসানকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, হাফিজুল্লাহ খানকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মহাপরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার ন্যস্তকৃত কার্যালয়ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে