
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকা আটজনের অবস্থা এখনো ‘ক্রিটিক্যাল’ বা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দীন।
তিনি আরও জানান, এই আটজন ছাড়াও বার্ন ইনস্টিটিউটে আরও ৩৬ জন চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ১৩ জন জনের শারীরিক অবস্থা ‘সিভিয়ার’ বা গুরুতর এবং বাকি ২৩ জনের শারীরিক অবস্থা ‘ইন্টারমিডিয়েট’ বা মাঝামাঝি অবস্থায় রয়েছে।
বুধবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বার্ন ইনস্টিটিউটের সামনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার এসব হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় তিনি জানান, গত রাতে একজনসহ এই হাসপাতালে এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দীন বলেন, বর্তমানে বার্নে (বার্ন ইনস্টিটিউ) ৪৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। তাদের আমরা ‘ক্রিটিক্যাল’, ‘সিভিয়ার’ ও ‘ইন্টারমিডিয়েট’— এই তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে চিকিৎসা দিচ্ছি। এর মধ্যে ‘ক্রিটিক্যাল’ আটজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারাসহ বাকি সবাইকে আমরা প্রতি ঘণ্টায় পর্যবেক্ষণ করছি।
অগ্নিদগ্ধ রোগীর চিকিৎসা প্রটোকল সারা পৃথিবীতে প্রায় একই রকম জানিয়ে অধ্যাপক নাসির উদ্দীন বলেন, ক্রিটিক্যাল রোগী বলতে বোঝানো হয়, যেসব রোগীদের ইনজুরি সবচেয়ে বেশি এবং ঝুঁকির মধ্যে আছেন। এই রোগীদের নিয়ে কিছু ধারণা করা (প্রেডিক্ট) খুব কঠিন (ভেরি ডিফিকাল্ট)। তাদের ঝুঁকি (ভালনারিবিলিটি) অনেক বেশি।
বার্ন ইনস্টিটিউটের এই পরিচালক আরও বলেন, এই রোগীদের ক্যাটাগরি এ জন্য করা হয় যে এসব রোগীর জন্য যেন স্পেশাল ম্যানেজমেন্ট দেওয়া যায় বা দিতে পারি। এসব রোগীর পরিবর্তন ঘণ্টায় ঘণ্টায় হয়। এখন যে অবস্থায় আছে, এক ঘণ্টা পরে হয়তো তা একটু ভালো হতে পারে বা অপরিবর্তিত থাকতে পারে বা অবস্থা আরও খারাপের দিকেও যেতে পারে। মুহূর্তে মুহূর্তে অবস্থার পরিবর্তন হয়।
দেশের ইতিহাসের ভয়াবহতম এ বিমান দুর্ঘটনার পর দগ্ধ ও আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের বার্ন বিশেষজ্ঞের একটি টিম বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার দুপুরে বার্ন ইনস্টিটিউটের বার্নসহ অন্যান্য বিভাগের বিশেষজ্ঞরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
অধ্যাপক নাসির বলেন, সেখানে আলোচনার পর ভর্তি রোগীদের নতুন করে ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছি। চিকিৎসা প্রটোকল ও ম্যানেজমেন্ট ঠিক করেছি। আমরা প্রতিটি রোগীর তথ্য আলাদা আলাদাভাবে নিয়ে আলোচনা করেছি। কী ওষুধ দেওয়া হবে, কারও অপারেশন হবে কি না, ড্রেসিং চেঞ্জ করতে হবে— সব বিষয় আলোচনা হয়েছে।
বার্ন রোগীদের ম্যানেজমেন্ট একটি ডায়নামিক প্রসেস মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রতি ঘন্টায় ঘণ্টায় সেটা বদলে যায়। আমাদের আজকের সিদ্ধান্ত হচ্ছে প্রতি ১২ ঘণ্টা পরপর ক্যাটাগরিও পর্যালোচনা করছেন চিকিৎসকরা। প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় রোগীদের অবস্থা মূল্যায়ন করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। সে অনুযায়ী চিকিৎসা ব্যবস্থা চলবে, রোগীদের ম্যানেজমেন্ট হতে থাকবে।
এর আগে ভারত জানিয়েছিল, তারা বাংলাদেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাবে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডা. নাসির বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানেন। আমরা এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।
হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ওষুধ ও চিকিৎসা উপকরণের কোনো সংকট নেই বলেও জানান জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের এই পরিচালক।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টা ৬ মিনিটে প্রশিক্ষণ বিমানটি নিয়ে প্রথম ‘সলো ফ্লাইট’ শুরু করেছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়ে ১২ মিনিটের মাথায় এটি বিধ্বস্ত হয় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের হায়দার আলী ভবনে।
সোমবার বিকেলের দিকেই পাইলট তৌকিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্কুলভবন থেকে একের পর এক হতাহতদের উদ্ধার করা হয়। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো সবশেষ বার্তার তথ্য বলছে, এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৯ জন নিহত হয়েছেন। এখনো বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৫৭ জন। হতাহতদের বেশির ভাগই শিশু শিক্ষার্থী।

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকা আটজনের অবস্থা এখনো ‘ক্রিটিক্যাল’ বা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দীন।
তিনি আরও জানান, এই আটজন ছাড়াও বার্ন ইনস্টিটিউটে আরও ৩৬ জন চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ১৩ জন জনের শারীরিক অবস্থা ‘সিভিয়ার’ বা গুরুতর এবং বাকি ২৩ জনের শারীরিক অবস্থা ‘ইন্টারমিডিয়েট’ বা মাঝামাঝি অবস্থায় রয়েছে।
বুধবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বার্ন ইনস্টিটিউটের সামনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার এসব হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় তিনি জানান, গত রাতে একজনসহ এই হাসপাতালে এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দীন বলেন, বর্তমানে বার্নে (বার্ন ইনস্টিটিউ) ৪৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। তাদের আমরা ‘ক্রিটিক্যাল’, ‘সিভিয়ার’ ও ‘ইন্টারমিডিয়েট’— এই তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে চিকিৎসা দিচ্ছি। এর মধ্যে ‘ক্রিটিক্যাল’ আটজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারাসহ বাকি সবাইকে আমরা প্রতি ঘণ্টায় পর্যবেক্ষণ করছি।
অগ্নিদগ্ধ রোগীর চিকিৎসা প্রটোকল সারা পৃথিবীতে প্রায় একই রকম জানিয়ে অধ্যাপক নাসির উদ্দীন বলেন, ক্রিটিক্যাল রোগী বলতে বোঝানো হয়, যেসব রোগীদের ইনজুরি সবচেয়ে বেশি এবং ঝুঁকির মধ্যে আছেন। এই রোগীদের নিয়ে কিছু ধারণা করা (প্রেডিক্ট) খুব কঠিন (ভেরি ডিফিকাল্ট)। তাদের ঝুঁকি (ভালনারিবিলিটি) অনেক বেশি।
বার্ন ইনস্টিটিউটের এই পরিচালক আরও বলেন, এই রোগীদের ক্যাটাগরি এ জন্য করা হয় যে এসব রোগীর জন্য যেন স্পেশাল ম্যানেজমেন্ট দেওয়া যায় বা দিতে পারি। এসব রোগীর পরিবর্তন ঘণ্টায় ঘণ্টায় হয়। এখন যে অবস্থায় আছে, এক ঘণ্টা পরে হয়তো তা একটু ভালো হতে পারে বা অপরিবর্তিত থাকতে পারে বা অবস্থা আরও খারাপের দিকেও যেতে পারে। মুহূর্তে মুহূর্তে অবস্থার পরিবর্তন হয়।
দেশের ইতিহাসের ভয়াবহতম এ বিমান দুর্ঘটনার পর দগ্ধ ও আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের বার্ন বিশেষজ্ঞের একটি টিম বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার দুপুরে বার্ন ইনস্টিটিউটের বার্নসহ অন্যান্য বিভাগের বিশেষজ্ঞরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
অধ্যাপক নাসির বলেন, সেখানে আলোচনার পর ভর্তি রোগীদের নতুন করে ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছি। চিকিৎসা প্রটোকল ও ম্যানেজমেন্ট ঠিক করেছি। আমরা প্রতিটি রোগীর তথ্য আলাদা আলাদাভাবে নিয়ে আলোচনা করেছি। কী ওষুধ দেওয়া হবে, কারও অপারেশন হবে কি না, ড্রেসিং চেঞ্জ করতে হবে— সব বিষয় আলোচনা হয়েছে।
বার্ন রোগীদের ম্যানেজমেন্ট একটি ডায়নামিক প্রসেস মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রতি ঘন্টায় ঘণ্টায় সেটা বদলে যায়। আমাদের আজকের সিদ্ধান্ত হচ্ছে প্রতি ১২ ঘণ্টা পরপর ক্যাটাগরিও পর্যালোচনা করছেন চিকিৎসকরা। প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় রোগীদের অবস্থা মূল্যায়ন করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। সে অনুযায়ী চিকিৎসা ব্যবস্থা চলবে, রোগীদের ম্যানেজমেন্ট হতে থাকবে।
এর আগে ভারত জানিয়েছিল, তারা বাংলাদেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাবে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডা. নাসির বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানেন। আমরা এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।
হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ওষুধ ও চিকিৎসা উপকরণের কোনো সংকট নেই বলেও জানান জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের এই পরিচালক।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টা ৬ মিনিটে প্রশিক্ষণ বিমানটি নিয়ে প্রথম ‘সলো ফ্লাইট’ শুরু করেছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়ে ১২ মিনিটের মাথায় এটি বিধ্বস্ত হয় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের হায়দার আলী ভবনে।
সোমবার বিকেলের দিকেই পাইলট তৌকিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্কুলভবন থেকে একের পর এক হতাহতদের উদ্ধার করা হয়। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো সবশেষ বার্তার তথ্য বলছে, এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৯ জন নিহত হয়েছেন। এখনো বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৫৭ জন। হতাহতদের বেশির ভাগই শিশু শিক্ষার্থী।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ সুপারিশ প্রণয়নে সচিব কমিটি ষষ্ঠ সভায় বসবে। এ সভায় আগের পাঁচ বৈঠকের নানা সুপারিশ সমন্বয় করে চূড়ান্ত একটি সুপারিশ প্রণয়ন করা হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রশ্নে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র চার মাস হয়েছে। এর আগেই প্রশ্নপত্র তৈরি ও মডারেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। প্রশ্ন মডারেশনের কাজ সাধারণত দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। ফলে নতুন করে প্রশ্ন প্রস্তুতের সুযোগ ছিল না। আগের সরকারের সময় দায়িত্বে থাকা মডারেটররাই প
৫ ঘণ্টা আগে
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতির ঘটনায় প্রশ্নপত্র পরিশোধনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট।
৬ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘পরিবর্তিত তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের প্রচলিত কার্যক্রমকে আধুনিক কমিউনিকেশন ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। মাঠপর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম, বিশেষ করে দুর্যোগকালীন তথ্য দ্রুত, নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে জনগণের ক
৬ ঘণ্টা আগে