
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানি দিন আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ধার্য রয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলামের আদালতে এ শুনানি হবে।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান জানান, মামলাটি গত সোমবার শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিল। এদিন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য দুই দিনের সময় আবেদন করেন।
আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। সোমবার আবদুল্লাহ আল জাবের জানিয়েছিলেন, অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য তিনি দুই দিন সময় নিয়েছেন। অভিযোগপত্রে কোনো আপত্তি থাকলে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত ১৫ জানুয়ারি আদালতকে জানাবেন।
জুলাই অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনি গণসংযোগের উদ্দেশ্যে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে তিনি সশস্ত্র হামলার শিকার হন। চলন্ত একটি মোটরসাইকেল থেকে দুর্বৃত্তরা চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
গুরুতর আহত হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে সেদিন রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর দুই দিন পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যুর খবর আসে।
হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার দুই দিন পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে হাদির মৃত্যু হলে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) যুক্ত করা হয়। থানায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ গত ৬ জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদসহ মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন— ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ (৩৭), তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০), মা হাসি বেগম (৬০), স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া (২৪), শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু (২৭), বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা (২১), মো. কবির (৩৩), মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে সিবিয়ন দিউ (৩২), সঞ্জয় চিসিম (২৩), মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু (৩৭), অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল (২৫), মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ (২৬), সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল (৩২), মুক্তি মাহমুদ (৫১) ও জেসমিন আক্তার (৪২)। এদের মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদসহ শেষের পাঁচজন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ উল্লেখ করেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং বিভিন্ন সময়ে হাদির দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে বোঝা গেছে, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই’ হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
এ ছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘বাধাগ্রস্ত করা’ এবং ভোটারদের মধ্যে ‘ভয়ভীতি সৃষ্টি করতেই’ ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাদির নির্বাচনি প্রচারে অনুপ্রবেশ করে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানি দিন আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ধার্য রয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলামের আদালতে এ শুনানি হবে।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান জানান, মামলাটি গত সোমবার শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিল। এদিন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য দুই দিনের সময় আবেদন করেন।
আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। সোমবার আবদুল্লাহ আল জাবের জানিয়েছিলেন, অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য তিনি দুই দিন সময় নিয়েছেন। অভিযোগপত্রে কোনো আপত্তি থাকলে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত ১৫ জানুয়ারি আদালতকে জানাবেন।
জুলাই অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনি গণসংযোগের উদ্দেশ্যে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে তিনি সশস্ত্র হামলার শিকার হন। চলন্ত একটি মোটরসাইকেল থেকে দুর্বৃত্তরা চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
গুরুতর আহত হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে সেদিন রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর দুই দিন পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যুর খবর আসে।
হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার দুই দিন পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে হাদির মৃত্যু হলে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) যুক্ত করা হয়। থানায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ গত ৬ জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদসহ মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন— ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ (৩৭), তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০), মা হাসি বেগম (৬০), স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া (২৪), শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু (২৭), বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা (২১), মো. কবির (৩৩), মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে সিবিয়ন দিউ (৩২), সঞ্জয় চিসিম (২৩), মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু (৩৭), অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল (২৫), মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ (২৬), সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল (৩২), মুক্তি মাহমুদ (৫১) ও জেসমিন আক্তার (৪২)। এদের মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদসহ শেষের পাঁচজন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ উল্লেখ করেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং বিভিন্ন সময়ে হাদির দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে বোঝা গেছে, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই’ হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
এ ছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘বাধাগ্রস্ত করা’ এবং ভোটারদের মধ্যে ‘ভয়ভীতি সৃষ্টি করতেই’ ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাদির নির্বাচনি প্রচারে অনুপ্রবেশ করে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, একটি মহল প্রচারণা চালাচ্ছে যে জুলাই সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১-কে মুছে ফেলা হবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না—এসব কথা ঠিক নয়।
৩ ঘণ্টা আগে
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনও সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে অবরোধ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গত ৪ সেপ্টেম্বর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশনের জারি করা গেজেটের সীমানা অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন করতে বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। অর্থাৎ সাথিয়া উপজেলাকে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া মিলে পাবনা-২ আসন বলে গণ্য হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা ও অন্যান্য নির্দেশনা কমিশনের ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইট (http://bpsc.teletalk.com.bd) থেকে জানা যাবে।
৫ ঘণ্টা আগে