
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড়ে অবরোধ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে তারা অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। ফলে এসব এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনও সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে অবরোধ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক উৎকর্ষ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি গ্রহণ এবং লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে এটি উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
অবরোধে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলছেন, পূর্ববর্তী সরকার ২০১৭ সালে ন্যাশনাল থেকে সাত কলেজকে বাদ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তের কারণে তাদের ওপর ইফেক্ট পড়ছে। এ কারণে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে যেতে হয় রেজাল্ট নেওয়ার জন্য। আর এই রেজাল্ট নিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বিপাকে পড়তে হয়।
তারা আরও বলছেন, ইউনিভার্সিটি কার্যক্রম শুরু করার পরও তারা চূড়ান্ত অধ্যাদেশ দিচ্ছে না বরং বারবার নানা টালবাহানা করে অধ্যাদেশের তারিখ পিছিয়ে দিচ্ছে।
আমাদের দাবি, সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে আমরা অধ্যাদেশ চাই। আমরা ক্লাস করতে পারি না, আমাদের শিক্ষার্থীরা রেজাল্ট পায় না এই সবকিছুর অবসান হিসেবে আমরা অধ্যাদেশ চাই।

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড়ে অবরোধ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে তারা অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। ফলে এসব এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনও সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে অবরোধ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক উৎকর্ষ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি গ্রহণ এবং লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে এটি উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
অবরোধে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলছেন, পূর্ববর্তী সরকার ২০১৭ সালে ন্যাশনাল থেকে সাত কলেজকে বাদ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তের কারণে তাদের ওপর ইফেক্ট পড়ছে। এ কারণে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে যেতে হয় রেজাল্ট নেওয়ার জন্য। আর এই রেজাল্ট নিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বিপাকে পড়তে হয়।
তারা আরও বলছেন, ইউনিভার্সিটি কার্যক্রম শুরু করার পরও তারা চূড়ান্ত অধ্যাদেশ দিচ্ছে না বরং বারবার নানা টালবাহানা করে অধ্যাদেশের তারিখ পিছিয়ে দিচ্ছে।
আমাদের দাবি, সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে আমরা অধ্যাদেশ চাই। আমরা ক্লাস করতে পারি না, আমাদের শিক্ষার্থীরা রেজাল্ট পায় না এই সবকিছুর অবসান হিসেবে আমরা অধ্যাদেশ চাই।

ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তাসনিম জারা বলেন, বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের পোলিং এজেন্টদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। বের করে দেওয়া হচ্ছে। বানোয়াট কিছু নিয়ম বানিয়ে এই কাজ করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এজেন্টরা এখানকার ভোটার নয়। পোলিং এজেন্ট হতে হলে এখানকার ভোটার হতে হবে। হেনস্তা করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে এই দীর্ঘ সময়ে দেশে ক্ষমতার পালাবদল, সামরিক শাসন, গণআন্দোলন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একাধিক নির্বাচন বর্জন— সব মিলিয়ে দেশের নির্বাচনি রাজনীতি এক জটিল ও বহুমাত্রিক অধ্যায় রচনা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
২৩ সদস্যের কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আডো। প্রতিনিধি দলটি দিনভর বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনের মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানান তারা।
৫ ঘণ্টা আগে