
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঘূর্ণিঝড় রিমাল আঘাত হেনেছে আজ। উপকূলীয় অঞ্চলে এখন ভয়াবহ অবস্থা। কিন্তু আমরা একবারও কি ভেবে দেখেছি, ঘুর্ণিঝড় কেন হয়?
সাধারণত ঘূর্ণিঝড়ের আগে নিম্নচাপ আসে। তাই ঘূর্ণিঝড় কেন হয় জানতে হলে নিম্নচাপ কী—সেটাই আগে জানতে হবে।
আমরা বাতাসের সমুদ্রে বাস করি। বাতাসের চাপ থাকে। দেখা যায় না বলেই হয়তো বাতাসের চাপের রকমফেরটা বুঝতে পারি না অমনভাবে। কিন্তু বাতাসের একটা চাপ আছে, সেটা কমবেশি হয়, বিশেষ কোনো জায়গায় বেশি, কোথাও বা কম।
কমবেশির ফারাকটা যখন খুব বেশি হয়, তখনই আসে বিপদ।
আশপাশের এলাকার চেয়ে কোনো জায়গায় বায়ুচাপ যদি কমে যায়, তাহলে সেখানে লঘুচাপ অথবা নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
নিম্নচাপের একটা বড় কারণ হলো তাপমাত্রা। কোনো বস্তুর ঘনত্ব যত বেশি, তার তাপ ধারণক্ষমতা তত বেশি। অর্থাৎ সেই বস্তুর তাপমাত্রাও তত বেশি। মাটি, পানি আর বাতাস—এই তিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘনত্ব হলো মাটির। তাই সমান তাপে পানি আর বাতাসের চেয়ে মাটি বেশি উষ্ণ হয়। দিনের বেলা উষ্ণ মাটি বা ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লাগোয়া বাতাসের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি অতটা উষ্ণ নয়, তাই সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপরের বায়ুমণ্ডল ভূপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলের সমান উষ্ণ হতে পারে না। সুতরাং ভূপৃষ্ঠের আর সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলের মধ্যে উষ্ণতার পার্থক্য তৈরি হয়।
যে বস্তু যত উষ্ণ তার তাপমাত্রা তত বাড়ে, এতে বস্তুগুলোর ভেতরের অণুদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। ফলে সে বস্তুর ঘনত্ব কমতে শুরু করে। ভূপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডল বেশি উত্তপ্ত হয় বলে এদের অণুগুলো পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়, ফলে কমতে থাকে ভূপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব। বাতাস তখন এখানে অনেক হালকা হয়ে যায়। হালকা বাতাসকে তাই স্বাভাবিক নিয়মেই বায়ুমণ্ডলের ওপরের দিকে উঠে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। নিচের দিকে তখন অনেকটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়।
অন্যদিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বাড়ে না বলে ঘনত্ব চাপ একই থাকে। তাই ভূপৃষ্ঠ আর সমুদ্রপৃষ্ঠের চাপের মধ্যে পার্থক্য অনেক বেড়ে যায়। ভূপৃষ্ঠে তৈরি হয় নিম্নচাপ।
দিনের বেলা সমুদ্রপৃষ্ঠ তুলনামূলক শীতল, তাই সেখানকার বায়ুমণ্ডলের চাপ বেশি। স্বাভাবিকভাবেই একটা খোলা জায়গায় চাপ ও তাপের ভারসাম্য থাকবে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু যখন কোথাও চাপ কমে যায়, বাতাসের ভেতর ফাঁকা জায়গা থাকে, সেখানে চাপের ভারসাম্যটা আর থাকে না। তখন বেশি চাপের অঞ্চল থেকে শীতল বায়ু দ্রুত গিয়ে সেই ফাঁকা জায়গার দখল নেয়। এভাবেই তৈরি হয় ভারসাম্য। আর এই ভারসাম্য তৈরি করতে গিয়ে দ্রুত সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়মুণ্ডল ভূপৃষ্ঠের দিকে ধেয়ে আসে। ফলে তৈরি হয় ঝোড়ো হাওয়া।
দ্রুত যখন কোনো স্থানে শূন্যতা তৈরি হয়, হুড়াহুড়ি করে সেখানে বাতাস এসে শূন্যতা পূরণ করে, তখন সেখানে ঘূর্ণি তৈরি হয়। নিম্নচাপের জায়গায় চাপ যত কম, তত বেশি জায়গা ফাঁকা হয়, ছুটে আসা বাতাসের বেগ তত বেশি হয়। অর্থাৎ ঝড় তত শক্তিশালী হয়।
সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, ব্রিটানিকা

ঘূর্ণিঝড় রিমাল আঘাত হেনেছে আজ। উপকূলীয় অঞ্চলে এখন ভয়াবহ অবস্থা। কিন্তু আমরা একবারও কি ভেবে দেখেছি, ঘুর্ণিঝড় কেন হয়?
সাধারণত ঘূর্ণিঝড়ের আগে নিম্নচাপ আসে। তাই ঘূর্ণিঝড় কেন হয় জানতে হলে নিম্নচাপ কী—সেটাই আগে জানতে হবে।
আমরা বাতাসের সমুদ্রে বাস করি। বাতাসের চাপ থাকে। দেখা যায় না বলেই হয়তো বাতাসের চাপের রকমফেরটা বুঝতে পারি না অমনভাবে। কিন্তু বাতাসের একটা চাপ আছে, সেটা কমবেশি হয়, বিশেষ কোনো জায়গায় বেশি, কোথাও বা কম।
কমবেশির ফারাকটা যখন খুব বেশি হয়, তখনই আসে বিপদ।
আশপাশের এলাকার চেয়ে কোনো জায়গায় বায়ুচাপ যদি কমে যায়, তাহলে সেখানে লঘুচাপ অথবা নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
নিম্নচাপের একটা বড় কারণ হলো তাপমাত্রা। কোনো বস্তুর ঘনত্ব যত বেশি, তার তাপ ধারণক্ষমতা তত বেশি। অর্থাৎ সেই বস্তুর তাপমাত্রাও তত বেশি। মাটি, পানি আর বাতাস—এই তিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘনত্ব হলো মাটির। তাই সমান তাপে পানি আর বাতাসের চেয়ে মাটি বেশি উষ্ণ হয়। দিনের বেলা উষ্ণ মাটি বা ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লাগোয়া বাতাসের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি অতটা উষ্ণ নয়, তাই সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপরের বায়ুমণ্ডল ভূপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলের সমান উষ্ণ হতে পারে না। সুতরাং ভূপৃষ্ঠের আর সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলের মধ্যে উষ্ণতার পার্থক্য তৈরি হয়।
যে বস্তু যত উষ্ণ তার তাপমাত্রা তত বাড়ে, এতে বস্তুগুলোর ভেতরের অণুদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। ফলে সে বস্তুর ঘনত্ব কমতে শুরু করে। ভূপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডল বেশি উত্তপ্ত হয় বলে এদের অণুগুলো পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়, ফলে কমতে থাকে ভূপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব। বাতাস তখন এখানে অনেক হালকা হয়ে যায়। হালকা বাতাসকে তাই স্বাভাবিক নিয়মেই বায়ুমণ্ডলের ওপরের দিকে উঠে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। নিচের দিকে তখন অনেকটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়।
অন্যদিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বাড়ে না বলে ঘনত্ব চাপ একই থাকে। তাই ভূপৃষ্ঠ আর সমুদ্রপৃষ্ঠের চাপের মধ্যে পার্থক্য অনেক বেড়ে যায়। ভূপৃষ্ঠে তৈরি হয় নিম্নচাপ।
দিনের বেলা সমুদ্রপৃষ্ঠ তুলনামূলক শীতল, তাই সেখানকার বায়ুমণ্ডলের চাপ বেশি। স্বাভাবিকভাবেই একটা খোলা জায়গায় চাপ ও তাপের ভারসাম্য থাকবে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু যখন কোথাও চাপ কমে যায়, বাতাসের ভেতর ফাঁকা জায়গা থাকে, সেখানে চাপের ভারসাম্যটা আর থাকে না। তখন বেশি চাপের অঞ্চল থেকে শীতল বায়ু দ্রুত গিয়ে সেই ফাঁকা জায়গার দখল নেয়। এভাবেই তৈরি হয় ভারসাম্য। আর এই ভারসাম্য তৈরি করতে গিয়ে দ্রুত সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়মুণ্ডল ভূপৃষ্ঠের দিকে ধেয়ে আসে। ফলে তৈরি হয় ঝোড়ো হাওয়া।
দ্রুত যখন কোনো স্থানে শূন্যতা তৈরি হয়, হুড়াহুড়ি করে সেখানে বাতাস এসে শূন্যতা পূরণ করে, তখন সেখানে ঘূর্ণি তৈরি হয়। নিম্নচাপের জায়গায় চাপ যত কম, তত বেশি জায়গা ফাঁকা হয়, ছুটে আসা বাতাসের বেগ তত বেশি হয়। অর্থাৎ ঝড় তত শক্তিশালী হয়।
সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, ব্রিটানিকা

আখতার আহমেদ জানান, রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনে মোট ৭১টি আপিল শুনানি হয়েছে। এর মধ্যে ৪১টি আপিল মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া ২৫টি আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। অপর চারটি আপিল অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সন্দেহভাজন ২৮ বছর বয়সি মিলন মল্লিক নিহতের বাবার খাবার হোটেলের কর্মী ছিলেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা মিলনকে রোববার রাতে বাগেরহাট সদর থানার বড় সিংগা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
১৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ক্রীড়া সম্পর্ক এক চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ভারতে চলমান ‘উগ্র সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি’ এবং ‘বাংলাদেশবিদ্বেষী ক্যাম্পেইন’-এর কারণে দেশটিতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি করে না। এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে এবং জনগণের বিশ্বাস ভেঙে দেয়।
১৮ ঘণ্টা আগে