
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আজকাল রোবট শব্দটা শুনেননি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সিনেমা, বিজ্ঞাপন, বা খবর—সবখানে রোবট নিয়ে আলোচনার ঝড়। তবে ‘কোবট’ শব্দটা অনেকের কাছেই এখনও নতুন। আসলে এই ‘কোবট’ হল রোবটেরই আরেক আধুনিক ও উন্নত রূপ, যার মূল কাজ হচ্ছে মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করা।
কোবট কী?
‘কোবট’ শব্দটি এসেছে ‘কোলাবোরেটিভ রোবট’ থেকে। বাংলায় এর মানে দাঁড়ায় ‘সহযোগিতামূলক রোবট’। এই রোবটগুলো মানুষের সঙ্গে মিলে কাজ করতে পারে, যেন একসঙ্গে কোনো প্রকল্প শেষ করছে দুইজন সহকর্মী। তবে পার্থক্য হলো, একদিকে মানুষ—অন্যদিকে রোবট!
কোবটের নকশা এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে তারা মানুষের কাজের সহায়ক হয়, কিন্তু কোনোভাবেই বিপদজনক না হয়। এদের শরীরে থাকে আধুনিক সেন্সর, ক্যামেরা, এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা, যা মানুষের গতিবিধি বুঝে নিয়ে নিজেকে সেই অনুযায়ী পরিচালনা করে।
কোথায় কোথায় কাজ করে কোবট?
কোবট সাধারণত সেই কাজগুলো করে যেগুলো একঘেয়ে, সময়সাপেক্ষ, বা শারীরিকভাবে কষ্টদায়ক। যেমন—ছোট যন্ত্রাংশ জোড়া লাগানো, প্যাকেটজাতকরণ, বা কোনো ভারী জিনিসপত্র সরানো। বড় বড় কারখানায়, গাড়ি তৈরির ইউনিটে কিংবা ওয়্যারহাউসে এদের দেখা মেলে।
তিন ধরণের কোবট রয়েছে কাজের ধরন অনুযায়ী:
আলট্রালাইটওয়েট কোবট – ছোট, হালকা ও সহজে ব্যবহারযোগ্য। ছোট ছোট কাজের জন্য আদর্শ।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোবট – শক্তিশালী এবং ভারী কাজের জন্য উপযুক্ত। যেমন, মেশিনে যন্ত্রাংশ স্থাপন।
মোবাইল কোবট – এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে ঘুরে কাজ করতে পারে। যেমন, পণ্য পরিবহন বা গুদামে জিনিস গুছানো।
কোবটের সুবিধাগুলো কী?
কোবটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে পারা, অথচ নিরাপদ থাকা। এরা ভুল করে কম, বিরক্ত হয় না, ক্লান্তও হয় না!
কোবটের কিছু সমস্যা
যদিও কোবট অনেক সুবিধা দেয়, তবুও কিছু সমস্যা এখনো আছে। যেমন:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোবটের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল। শুধু কারখানা নয়, স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, পরিবহন—এসব খাতে কোবট বিপ্লব ঘটাবে। যেমন, হাসপাতালে নার্সদের সহকারী হিসেবে কোবট রোগীর দেখভাল করতে পারবে। বিল্ডিং তৈরি বা রাস্তাঘাটে ভারী মাল পরিবহনেও কোবট ব্যবহার বাড়বে।
প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কোবট হবে আরও বুদ্ধিমান, আরও কম খরচে তৈরি, এবং ব্যবহারেও আরও সহজ। তখন শুধু বড় কোম্পানিই নয়, ছোট ছোট ব্যবসাও কোবট ব্যবহার করতে পারবে।
সব দিক বিবেচনায়, কোবট হচ্ছে এমন এক রোবট যা মানুষের সহযোগী হয়ে কাজ করতে পারে—সহকর্মীর মতো। এটা শুধু প্রযুক্তির অগ্রগতি নয়, বরং মানব-রোবট যৌথভাবে কাজ করার এক নতুন দিগন্ত।
যেখানে মানুষ দক্ষতা আর আবেগ নিয়ে কাজ করে, সেখানে কোবট যুক্ত হবে নিরবিচারে, নির্ভুল কর্মক্ষমতা দিয়ে। ফলে উৎপাদন বাড়বে, সময় কমবে, কাজ হবে আরও নিরাপদ।
সত্যি বলতে, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে মানুষ আর কোবট একসঙ্গেই থাকবে—হাতে হাত রেখে নয়, তবে কাজের জায়গায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।
সূত্র: পপুলার মেকানিকস

আজকাল রোবট শব্দটা শুনেননি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সিনেমা, বিজ্ঞাপন, বা খবর—সবখানে রোবট নিয়ে আলোচনার ঝড়। তবে ‘কোবট’ শব্দটা অনেকের কাছেই এখনও নতুন। আসলে এই ‘কোবট’ হল রোবটেরই আরেক আধুনিক ও উন্নত রূপ, যার মূল কাজ হচ্ছে মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করা।
কোবট কী?
‘কোবট’ শব্দটি এসেছে ‘কোলাবোরেটিভ রোবট’ থেকে। বাংলায় এর মানে দাঁড়ায় ‘সহযোগিতামূলক রোবট’। এই রোবটগুলো মানুষের সঙ্গে মিলে কাজ করতে পারে, যেন একসঙ্গে কোনো প্রকল্প শেষ করছে দুইজন সহকর্মী। তবে পার্থক্য হলো, একদিকে মানুষ—অন্যদিকে রোবট!
কোবটের নকশা এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে তারা মানুষের কাজের সহায়ক হয়, কিন্তু কোনোভাবেই বিপদজনক না হয়। এদের শরীরে থাকে আধুনিক সেন্সর, ক্যামেরা, এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা, যা মানুষের গতিবিধি বুঝে নিয়ে নিজেকে সেই অনুযায়ী পরিচালনা করে।
কোথায় কোথায় কাজ করে কোবট?
কোবট সাধারণত সেই কাজগুলো করে যেগুলো একঘেয়ে, সময়সাপেক্ষ, বা শারীরিকভাবে কষ্টদায়ক। যেমন—ছোট যন্ত্রাংশ জোড়া লাগানো, প্যাকেটজাতকরণ, বা কোনো ভারী জিনিসপত্র সরানো। বড় বড় কারখানায়, গাড়ি তৈরির ইউনিটে কিংবা ওয়্যারহাউসে এদের দেখা মেলে।
তিন ধরণের কোবট রয়েছে কাজের ধরন অনুযায়ী:
আলট্রালাইটওয়েট কোবট – ছোট, হালকা ও সহজে ব্যবহারযোগ্য। ছোট ছোট কাজের জন্য আদর্শ।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোবট – শক্তিশালী এবং ভারী কাজের জন্য উপযুক্ত। যেমন, মেশিনে যন্ত্রাংশ স্থাপন।
মোবাইল কোবট – এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে ঘুরে কাজ করতে পারে। যেমন, পণ্য পরিবহন বা গুদামে জিনিস গুছানো।
কোবটের সুবিধাগুলো কী?
কোবটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে পারা, অথচ নিরাপদ থাকা। এরা ভুল করে কম, বিরক্ত হয় না, ক্লান্তও হয় না!
কোবটের কিছু সমস্যা
যদিও কোবট অনেক সুবিধা দেয়, তবুও কিছু সমস্যা এখনো আছে। যেমন:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোবটের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল। শুধু কারখানা নয়, স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, পরিবহন—এসব খাতে কোবট বিপ্লব ঘটাবে। যেমন, হাসপাতালে নার্সদের সহকারী হিসেবে কোবট রোগীর দেখভাল করতে পারবে। বিল্ডিং তৈরি বা রাস্তাঘাটে ভারী মাল পরিবহনেও কোবট ব্যবহার বাড়বে।
প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কোবট হবে আরও বুদ্ধিমান, আরও কম খরচে তৈরি, এবং ব্যবহারেও আরও সহজ। তখন শুধু বড় কোম্পানিই নয়, ছোট ছোট ব্যবসাও কোবট ব্যবহার করতে পারবে।
সব দিক বিবেচনায়, কোবট হচ্ছে এমন এক রোবট যা মানুষের সহযোগী হয়ে কাজ করতে পারে—সহকর্মীর মতো। এটা শুধু প্রযুক্তির অগ্রগতি নয়, বরং মানব-রোবট যৌথভাবে কাজ করার এক নতুন দিগন্ত।
যেখানে মানুষ দক্ষতা আর আবেগ নিয়ে কাজ করে, সেখানে কোবট যুক্ত হবে নিরবিচারে, নির্ভুল কর্মক্ষমতা দিয়ে। ফলে উৎপাদন বাড়বে, সময় কমবে, কাজ হবে আরও নিরাপদ।
সত্যি বলতে, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে মানুষ আর কোবট একসঙ্গেই থাকবে—হাতে হাত রেখে নয়, তবে কাজের জায়গায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।
সূত্র: পপুলার মেকানিকস

যে শিশুটিকে পরিবার মৃত বলেই ধরে নিয়েছিল, সেই মোহাম্মদ ফরিদ দীর্ঘ ২৫ বছর পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছেন। ১০ বছর বয়সে বাবার হাত ধরে বিদেশে যাওয়ার পর মানবপাচারের শিকার হয়ে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ২৫৫ জন সংসদ সদস্যের ভোটে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ ভোট পান ৮৮টি।
২০ ঘণ্টা আগে
প্রথিতযশা এই জনস্বাস্থ্যবিদ নিরাপদ পানি ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন। বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে কাজ করে গেছেন তিনি। চিকিৎসা ও ওয়াশ খাতসহ (ওয়াটার, স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন) নানা বিষয়ে সংবাদপত্রে কলাম লিখতেন তিনি।
১ দিন আগে
ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
২ দিন আগে