যশোর মুরগি উন্নয়ন খামারে উৎপাদন কম, বাড়ছে খরচ

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

জনবল, অবকাঠামোসহ নানা সংকটে জর্জরিত হয়ে পড়েছে যশোর সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার। প্রতিষ্ঠানটির বছরে ৪০ লাখের বেশি মুরগির বাচ্চা উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও পাওয়া যাচ্ছে মাত্র দেড় লাখ। খামারটি চালু রাখতে প্রতিবছর সরকারের ঘাটতি যাচ্ছে প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

খামার সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের দারিদ্র্যবিমোচন ও আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৫৯ সালে শহরের শংকরপুরে ২৭ বিঘা জমির ওপর যশোর সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার চালু করা হয়। বর্তমানে এই অঞ্চলে বছরে ৩৬ লাখের বেশি মুরগির বাচ্চার চাহিদা রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি ও বরাদ্দের অভাবে সে চাহিদা পূরণে পুরোদমে উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে পারছে না খামারটি।

এখানে ২৫ জন জনবলের বিপরীতে কর্মরত সাতজন। ১৮টি পদ বছরের পর বছর শূন্য। এ ছাড়া মাত্র দুটি যন্ত্রের (ইনকিউবেটর) মাধ্যমে বাচ্চা ফোটানো হয়। অন্যান্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও নেই। ডিম পাড়া মুরগি ও মোরগ পালনের জন্য ২২টি শেড রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি ব্যবহারের অনুপযোগী। শেডগুলোর চাল টিনের ও মেঝে নিচু। ফলে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে থাকে না। যে শেডগুলোতে মুরগি পালন করা হচ্ছে, সেগুলোও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়নি। স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুরগির বিষ্ঠা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সরকারি খামারের উৎপাদিত ফাউমি জাতের এক দিনের মুরগির বাচ্চা ১৫ টাকা দরে বিক্রির কথা থাকলেও খামারের খরচ প্রতি বাচ্চার জন্য ২৫ টাকা। এর ফলে খামারের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি হচ্ছে। আর ডিম বিক্রি করা হয় প্রতিটি সাড়ে ৭ টাকা। ২০২০-২৪ সাল পর্যন্ত ৫ শতাধিক উদ্যোক্তা ৫০ লাখ মুরগির বাচ্চার চাহিদা দিয়ে আবেদন করেছেন। কিন্তু খামারের বাচ্চা উৎপাদন সীমিত হওয়ায় আবেদন নেওয়া বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন খুবই কম। সীমিত উৎপাদিত মুরগির বাচ্চা আবার চলে যায় কালোবাজারে। ১৫ টাকা দামের এক দিনের বাচ্চা দ্বিগুণ দামে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কিনতে হয়।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আবিদুর রহমান বলেন, ‘সরকারি খামারের ফাউমি জাতের মুরগির বাচ্চা নেওয়ার জন্য তিন বছর আগে আবেদন করেছি। কিন্তু এখনো সেই বাচ্চা হাতে পাইনি। ১৫ টাকা দামের মুরগির বাচ্চা ৩০-৩৫ টাকা দামে কিনতে হয়।’

এ বিষয়ে কথা হলে খামারের উপপরিচালক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, বর্তমানে বছরে মাত্র দেড় লাখ বাচ্চা উৎপাদনের অনুমোদন রয়েছে। উৎপাদিত বাচ্চার মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরের নিজস্ব খামারে পালনের জন্য রাখতে হয়। অবশিষ্ট ২৫ হাজার বিক্রির সুযোগ রয়েছে। অথচ বছরে বাচ্চার চাহিদা রয়েছে ৩৬ লাখের বেশি। বর্তমানে এক দিনের বাচ্চার চাহিদার ৩ দশমিক ১৪ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। সক্ষমতা না থাকায় বাচ্চার চাহিদার আবেদন নেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। খামারটিতে বছরে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ১ কোটি টাকা। আয় হচ্ছে ৭০ লাখের মতো।

উপপরিচালক বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠানে আড়াই হাজার ডিম পাড়া মুরগি পালন ও দুই লাখ বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সরকারি বাজেট বরাদ্দ রয়েছে। ডিম ফোটানোর আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই। আবার মুরগি রাখার ঘরসহ অন্যান্য অবকাঠামো খুবই প্রাচীন আমলের। এ জন্য আমরা ২৭ কোটি টাকার বরাদ্দ চেয়েছি। এটি পাওয়া গেলে উন্নত খামার হিসেবে একে প্রতিষ্ঠা করা যাবে।’

খামার সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের দারিদ্র্যবিমোচন ও আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৫৯ সালে শহরের শংকরপুরে ২৭ বিঘা জমির ওপর যশোর সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার চালু করা হয়। বর্তমানে এই অঞ্চলে বছরে ৩৬ লাখের বেশি মুরগির বাচ্চার চাহিদা রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি ও বরাদ্দের অভাবে সে চাহিদা পূরণে পুরোদমে উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে পারছে না খামারটি।

এখানে ২৫ জন জনবলের বিপরীতে কর্মরত সাতজন। ১৮টি পদ বছরের পর বছর শূন্য। এ ছাড়া মাত্র দুটি যন্ত্রের (ইনকিউবেটর) মাধ্যমে বাচ্চা ফোটানো হয়। অন্যান্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও নেই। ডিম পাড়া মুরগি ও মোরগ পালনের জন্য ২২টি শেড রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি ব্যবহারের অনুপযোগী। শেডগুলোর চাল টিনের ও মেঝে নিচু। ফলে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে থাকে না। যে শেডগুলোতে মুরগি পালন করা হচ্ছে, সেগুলোও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়নি। স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুরগির বিষ্ঠা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সরকারি খামারের উৎপাদিত ফাউমি জাতের এক দিনের মুরগির বাচ্চা ১৫ টাকা দরে বিক্রির কথা থাকলেও খামারের খরচ প্রতি বাচ্চার জন্য ২৫ টাকা। এর ফলে খামারের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি হচ্ছে। আর ডিম বিক্রি করা হয় প্রতিটি সাড়ে ৭ টাকা। ২০২০-২৪ সাল পর্যন্ত ৫ শতাধিক উদ্যোক্তা ৫০ লাখ মুরগির বাচ্চার চাহিদা দিয়ে আবেদন করেছেন। কিন্তু খামারের বাচ্চা উৎপাদন সীমিত হওয়ায় আবেদন নেওয়া বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন খুবই কম। সীমিত উৎপাদিত মুরগির বাচ্চা আবার চলে যায় কালোবাজারে। ১৫ টাকা দামের এক দিনের বাচ্চা দ্বিগুণ দামে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কিনতে হয়।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আবিদুর রহমান বলেন, ‘সরকারি খামারের ফাউমি জাতের মুরগির বাচ্চা নেওয়ার জন্য তিন বছর আগে আবেদন করেছি। কিন্তু এখনো সেই বাচ্চা হাতে পাইনি। ১৫ টাকা দামের মুরগির বাচ্চা ৩০-৩৫ টাকা দামে কিনতে হয়।’

এ বিষয়ে কথা হলে খামারের উপপরিচালক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, বর্তমানে বছরে মাত্র দেড় লাখ বাচ্চা উৎপাদনের অনুমোদন রয়েছে। উৎপাদিত বাচ্চার মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরের নিজস্ব খামারে পালনের জন্য রাখতে হয়। অবশিষ্ট ২৫ হাজার বিক্রির সুযোগ রয়েছে। অথচ বছরে বাচ্চার চাহিদা রয়েছে ৩৬ লাখের বেশি। বর্তমানে এক দিনের বাচ্চার চাহিদার ৩ দশমিক ১৪ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। সক্ষমতা না থাকায় বাচ্চার চাহিদার আবেদন নেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। খামারটিতে বছরে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ১ কোটি টাকা। আয় হচ্ছে ৭০ লাখের মতো।

উপপরিচালক বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠানে আড়াই হাজার ডিম পাড়া মুরগি পালন ও দুই লাখ বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সরকারি বাজেট বরাদ্দ রয়েছে। ডিম ফোটানোর আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই। আবার মুরগি রাখার ঘরসহ অন্যান্য অবকাঠামো খুবই প্রাচীন আমলের। এ জন্য আমরা ২৭ কোটি টাকার বরাদ্দ চেয়েছি। এটি পাওয়া গেলে উন্নত খামার হিসেবে একে প্রতিষ্ঠা করা যাবে।’

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে আগ্রহী ইইউ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইইউ’র পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর মধ্যে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন, ইউরোপে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা খাত অন্যতম।

১২ ঘণ্টা আগে

৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ দুপুর ১টার মধ্যে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ৭টি জেলা ও তৎসংলগ্ন এলাকার ওপর দিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো— রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট।

১২ ঘণ্টা আগে

সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু শিগগিরই: প্রধানমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে

সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে তোলার অনুমতি মিলল ৩০ বছর পর

এর আগে সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে তুলে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন এবং এ কাজে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য আদালতের কাছে গত ২০ মে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. জিয়াউল মোর্শেদ।

১ দিন আগে