
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

টাকা জমা দিয়েও মালয়েশিয়া যেতে না পারায় আন্দোলন করছেন একদল বিদেশগামী। আন্দোলনকারীরা বলছেন প্রায় ১৮ হাজার লোক মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বিভিন্ন এজেন্সিকে টাকা দিলেও তারা যেতে পারছেন না। তাই অন্তর্বর্তী সরকার তাদের আশ্বাস না দিলে তারা আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আজ (বুধবার) বেলা দেড়টাতে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান করছেন ওই আন্দোলনকারীরা।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, সরকার আশ্বাস দিলে তারা রাস্তা ছেড়ে চলে যাবেন। না হলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
এ সময় অবস্থান কর্মসূচি থেকে ভুক্তভোগী মো. সাব্বির মাইকে ঘোষণা দিয়ে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে টাকা দিয়ে বসে আছি কিন্তু আমাদের মালয়েশিয়া পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। এজেন্সির কাছে গেলে তারা টালবাহানা করে। তাই আমরা আজ রাস্তায় নেমেছি। আমরা সরকারের কাছে বলতে চাই আমাদের মালয়েশিয়া যাওয়ার ব্যবস্থা না করলে আমরা আন্দোলন বন্ধ করব না। আমরা চাই অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে কথা বলুক। আশ্বাস পেলে আমরা রাস্তা ছেড়ে চলে যাব। তা না হলে আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।
এ সময় তিনি সরকারের কাছে চার দফা দাবিও উপস্থাপন করেন। দাবির মধ্যে রয়েছে — গত ২০২৪ সালের ৩১ মে সিন্ডিকেটের কারণে যারা মালয়েশিয়া যেতে পারেননি, সে সংখ্যা যতই হোক ২০ হাজার কিংবা ৩০ হাজার, সবাইকে মালয়েশিয়া পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যে আটকে পড়া সকল কর্মীকে মালয়েশিয়া নিয়ে যেতে হবে।
এর আগে সকালে আন্দোলনকারীরা রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন করছিলেন। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা কারওয়ানবাজার থেকে মিছিল নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে আসেন এবং রাস্তা অপরাধ করেন।

টাকা জমা দিয়েও মালয়েশিয়া যেতে না পারায় আন্দোলন করছেন একদল বিদেশগামী। আন্দোলনকারীরা বলছেন প্রায় ১৮ হাজার লোক মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বিভিন্ন এজেন্সিকে টাকা দিলেও তারা যেতে পারছেন না। তাই অন্তর্বর্তী সরকার তাদের আশ্বাস না দিলে তারা আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আজ (বুধবার) বেলা দেড়টাতে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান করছেন ওই আন্দোলনকারীরা।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, সরকার আশ্বাস দিলে তারা রাস্তা ছেড়ে চলে যাবেন। না হলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
এ সময় অবস্থান কর্মসূচি থেকে ভুক্তভোগী মো. সাব্বির মাইকে ঘোষণা দিয়ে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে টাকা দিয়ে বসে আছি কিন্তু আমাদের মালয়েশিয়া পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। এজেন্সির কাছে গেলে তারা টালবাহানা করে। তাই আমরা আজ রাস্তায় নেমেছি। আমরা সরকারের কাছে বলতে চাই আমাদের মালয়েশিয়া যাওয়ার ব্যবস্থা না করলে আমরা আন্দোলন বন্ধ করব না। আমরা চাই অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে কথা বলুক। আশ্বাস পেলে আমরা রাস্তা ছেড়ে চলে যাব। তা না হলে আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।
এ সময় তিনি সরকারের কাছে চার দফা দাবিও উপস্থাপন করেন। দাবির মধ্যে রয়েছে — গত ২০২৪ সালের ৩১ মে সিন্ডিকেটের কারণে যারা মালয়েশিয়া যেতে পারেননি, সে সংখ্যা যতই হোক ২০ হাজার কিংবা ৩০ হাজার, সবাইকে মালয়েশিয়া পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যে আটকে পড়া সকল কর্মীকে মালয়েশিয়া নিয়ে যেতে হবে।
এর আগে সকালে আন্দোলনকারীরা রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন করছিলেন। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা কারওয়ানবাজার থেকে মিছিল নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে আসেন এবং রাস্তা অপরাধ করেন।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘আমি সরে দাঁড়াচ্ছি, যেন নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার তাদের নিজেদের মতো করে প্রশাসন সাজাতে পারে।’
৩ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
এ মামলার বাদী ২০ বছর বয়সি এক তরুণ, যার সংক্ষেপিত নাম কেজিএম৷ তিনি ছয় বছর বয়সে ইউটিউব ও ৯ বছর বয়সে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার শুরু করেছিলেন৷
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউটের (আইআরআই) একটি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে