
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের সম্পর্কে অনেক পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, ভারতের চিকেন’স নেক এলাকাসংলগ্ন বাংলাদেশ অংশে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও আইএসআই কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিয়ে তিনি র্উদ্বিগ্ন। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, নিশ্চিত করতে হবে যে, বিরোধী শক্তিগুলো ওই ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেন সন্ত্রাসীদের ভারতে পাঠাতে না পারে।
এএনআইয়ের সম্পাদক স্মিতা প্রকাশ ভারতের সেনাপ্রধানের কাছে জানতে চান, সম্প্রতি, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই কর্মকর্তারা ভারতীয় সীমান্তের খুব কাছাকাছি, বিশেষ করে বাংলাদেশ সংলগ্ন ভারতের চিকেন’স নেক এলাকার সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে উদ্বেগ আছে কি?
জবাবে জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীয় বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি একটি নির্দিষ্ট দেশ (পাকিস্তান) প্রসঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দু শব্দটি ব্যবহার করেছিলাম। এখন সেই দেশের লোকেরা যদি অন্য কোথাও যায় এবং তারা আমাদের প্রতিবেশী হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আমি এ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকব। কারণ, তাদের ওই মাটি ব্যবহার করে ভারতে সন্ত্রাসীদের পাঠানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়। এটাই আমার দৃষ্টিভঙ্গি।’
বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন পাকিস্তানের আইএসআই প্রধান, দাবি ভারতীয় গণমাধ্যমেরবাংলাদেশ ঘুরে গেলেন পাকিস্তানের আইএসআই প্রধান, দাবি ভারতীয় গণমাধ্যমের জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, (বাংলাদেশের) প্রশাসনের সঙ্গে (ভারতের) সম্পর্ক কেমন হবে, তা নির্ভর করবে সেখানে নির্বাচিত সরকার আছে কি না, তার ওপর। তিনি বলেন, ‘প্রশাসন কেমন হবে, এ বিষয়ে আমার অবস্থান হলো—যখন সেখানে একটি নির্বাচিত সরকার থাকবে, তখনই বলা যাবে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত।’
তবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সামরিক সম্পর্ক খুবই দৃঢ় বলে জানান জেনারেল দ্বিবেদী। তিনি বলেন, ‘সামরিক সম্পর্ক খুবই মজবুত। আমরা যখনই চাই, তখনই মতবিনিময় করতে পারি। আমরা সেটাই করে যাচ্ছি।’
কাশ্মীর যে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা পাকিস্তান এখনো বুঝতে পেরেছে কী না—এমন প্রশ্নের জবাবে জেনারেল দ্বিবেদী মজার ছলে বলিউডের ‘গাইড’ সিনেমার একটি উদাহরণ টানেন। যেখানে এক পাগল বলেছিল, ‘আমি খাওয়া ছেড়ে দেব, যতক্ষণ না বৃষ্টি হয়।’
জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, ‘দেখুন, তারা (পাকিস্তান) তাদেরই বলা কথার ফাঁদে আটকে গেছে। দেব আনন্দজির একটা সিনেমা আছে, আমার মনে হয়, (আরকে) নারায়ণের লেখা বই থেকে এটি তৈরি হয়েছে। সিনেমার শেষের দিকে দেব আনন্দজি যখন সাধু হয়ে যান, তখন এক পাগল ঘোষণা দেয় যে, যতক্ষণ না বৃষ্টি হয় ততক্ষণ সে না খেয়ে থাকবে। এখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী একবার বলেছিল যে, তাদের এটা করতেই হবে। এখন তাদের জন্য আর বেরিয়ে আসার কোনো পথ নেই। তাই তারা একই পথে এগিয়ে যাবে—কাশ্মীর এবং কাশ্মীর। এটিই প্রথম বিষয়।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘দ্বিতীয়ত, যদি আপনি রবার্ট কাপলানের লেখা রিভেঞ্জ অব জিওগ্রাফি বইটি পড়েন, তাহলে দেখবেন, সিন্ধু নদের দুই পাশ কি কখনো এক হতে পারে? এটি একটি বড় প্রশ্ন, যা গভীরভাবে বিবেচনা করা দরকার।’ তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তানের এজেন্ডা শুধু কাশ্মীরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তারা সব সময়ই ভারতবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছে।’

গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের সম্পর্কে অনেক পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, ভারতের চিকেন’স নেক এলাকাসংলগ্ন বাংলাদেশ অংশে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও আইএসআই কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিয়ে তিনি র্উদ্বিগ্ন। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, নিশ্চিত করতে হবে যে, বিরোধী শক্তিগুলো ওই ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেন সন্ত্রাসীদের ভারতে পাঠাতে না পারে।
এএনআইয়ের সম্পাদক স্মিতা প্রকাশ ভারতের সেনাপ্রধানের কাছে জানতে চান, সম্প্রতি, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই কর্মকর্তারা ভারতীয় সীমান্তের খুব কাছাকাছি, বিশেষ করে বাংলাদেশ সংলগ্ন ভারতের চিকেন’স নেক এলাকার সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে উদ্বেগ আছে কি?
জবাবে জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীয় বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি একটি নির্দিষ্ট দেশ (পাকিস্তান) প্রসঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দু শব্দটি ব্যবহার করেছিলাম। এখন সেই দেশের লোকেরা যদি অন্য কোথাও যায় এবং তারা আমাদের প্রতিবেশী হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আমি এ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকব। কারণ, তাদের ওই মাটি ব্যবহার করে ভারতে সন্ত্রাসীদের পাঠানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়। এটাই আমার দৃষ্টিভঙ্গি।’
বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন পাকিস্তানের আইএসআই প্রধান, দাবি ভারতীয় গণমাধ্যমেরবাংলাদেশ ঘুরে গেলেন পাকিস্তানের আইএসআই প্রধান, দাবি ভারতীয় গণমাধ্যমের জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, (বাংলাদেশের) প্রশাসনের সঙ্গে (ভারতের) সম্পর্ক কেমন হবে, তা নির্ভর করবে সেখানে নির্বাচিত সরকার আছে কি না, তার ওপর। তিনি বলেন, ‘প্রশাসন কেমন হবে, এ বিষয়ে আমার অবস্থান হলো—যখন সেখানে একটি নির্বাচিত সরকার থাকবে, তখনই বলা যাবে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত।’
তবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সামরিক সম্পর্ক খুবই দৃঢ় বলে জানান জেনারেল দ্বিবেদী। তিনি বলেন, ‘সামরিক সম্পর্ক খুবই মজবুত। আমরা যখনই চাই, তখনই মতবিনিময় করতে পারি। আমরা সেটাই করে যাচ্ছি।’
কাশ্মীর যে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা পাকিস্তান এখনো বুঝতে পেরেছে কী না—এমন প্রশ্নের জবাবে জেনারেল দ্বিবেদী মজার ছলে বলিউডের ‘গাইড’ সিনেমার একটি উদাহরণ টানেন। যেখানে এক পাগল বলেছিল, ‘আমি খাওয়া ছেড়ে দেব, যতক্ষণ না বৃষ্টি হয়।’
জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, ‘দেখুন, তারা (পাকিস্তান) তাদেরই বলা কথার ফাঁদে আটকে গেছে। দেব আনন্দজির একটা সিনেমা আছে, আমার মনে হয়, (আরকে) নারায়ণের লেখা বই থেকে এটি তৈরি হয়েছে। সিনেমার শেষের দিকে দেব আনন্দজি যখন সাধু হয়ে যান, তখন এক পাগল ঘোষণা দেয় যে, যতক্ষণ না বৃষ্টি হয় ততক্ষণ সে না খেয়ে থাকবে। এখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী একবার বলেছিল যে, তাদের এটা করতেই হবে। এখন তাদের জন্য আর বেরিয়ে আসার কোনো পথ নেই। তাই তারা একই পথে এগিয়ে যাবে—কাশ্মীর এবং কাশ্মীর। এটিই প্রথম বিষয়।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘দ্বিতীয়ত, যদি আপনি রবার্ট কাপলানের লেখা রিভেঞ্জ অব জিওগ্রাফি বইটি পড়েন, তাহলে দেখবেন, সিন্ধু নদের দুই পাশ কি কখনো এক হতে পারে? এটি একটি বড় প্রশ্ন, যা গভীরভাবে বিবেচনা করা দরকার।’ তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তানের এজেন্ডা শুধু কাশ্মীরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তারা সব সময়ই ভারতবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছে।’

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে— ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালগুলো হলো— ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট।
১৪ ঘণ্টা আগে
দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ‘সিজনস বেস্ট কমপ্লিমেন্টস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ হাজার ৭৫০ কেজিরও বেশি উন্নত মানের বাংলাদেশি আম উপহার দেওয়া হয়। নেপালের রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ ৩৬০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তির কাছে এসব আমের প্যাকেট পৌঁছে দেয় দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রায় এক ঘণ্টা বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইবুক, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ এবং ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং সেবা ইনস্টাগ্রামসহ মেটার বেশিরভাগ অনলাইন সেবা।
১৭ ঘণ্টা আগে