
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, যেখানেই অন্যায়, সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি দেখব আমরা তা উপড়ে ফেলব।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, আমরা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে স্পেশালি পঞ্চগড়ের তরুণ প্রজন্মের পক্ষ থেকে একটা মেসেজ দিতে চাই। আমাদের নজর ধীরে ধীরে প্রত্যেকটি সিস্টেমের দিকে যাবে। যেখানেই অন্যায়, সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি দেখব আমরা তা উপড়ে ফেলব। দেশে এতো বড় অভ্যুত্থান, রক্ত, জীবনের পরে যদি টাকার খেলা সুপারিশের খেলা চলতে থাকে তাহলে দুইটা জিনিস হতে পারে। হয় আমরা এটা হতে দেব না, না হয় এগুলোকে বাঁধা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনে আরও রক্ত দেব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হচ্ছে তেঁতুলিয়া। আর গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হচ্ছে চারদেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। আমরা যখন খোঁজ নিয়ে দেখি ওই স্থলবন্দরের ইজারা দিয়ে যত কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই খুলনা বিভাগ থেকে আসা। স্থলবন্দর হওয়ার সময় যত লোকের এখানে কর্মসংস্থান হওয়ার কথা ছিল, সেটা না হয় কিছু মানুষ সিন্ডিকেট করে সবাইকে জিম্মি করেছে।
তিনি বলেন, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে স্থলবন্দর, নিয়োগ-বাণিজ্য কোনটাই হতে দেব না।
জেলা প্রশাসক সাবেত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক মোকাদ্দেসুর রহমান সান, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এর জেলা আমির ইকবাল হোসাইন, বিএনপি নেত্রী রাজিয়া সুলতানা, ২নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, যেখানেই অন্যায়, সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি দেখব আমরা তা উপড়ে ফেলব।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, আমরা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে স্পেশালি পঞ্চগড়ের তরুণ প্রজন্মের পক্ষ থেকে একটা মেসেজ দিতে চাই। আমাদের নজর ধীরে ধীরে প্রত্যেকটি সিস্টেমের দিকে যাবে। যেখানেই অন্যায়, সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি দেখব আমরা তা উপড়ে ফেলব। দেশে এতো বড় অভ্যুত্থান, রক্ত, জীবনের পরে যদি টাকার খেলা সুপারিশের খেলা চলতে থাকে তাহলে দুইটা জিনিস হতে পারে। হয় আমরা এটা হতে দেব না, না হয় এগুলোকে বাঁধা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনে আরও রক্ত দেব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হচ্ছে তেঁতুলিয়া। আর গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হচ্ছে চারদেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। আমরা যখন খোঁজ নিয়ে দেখি ওই স্থলবন্দরের ইজারা দিয়ে যত কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই খুলনা বিভাগ থেকে আসা। স্থলবন্দর হওয়ার সময় যত লোকের এখানে কর্মসংস্থান হওয়ার কথা ছিল, সেটা না হয় কিছু মানুষ সিন্ডিকেট করে সবাইকে জিম্মি করেছে।
তিনি বলেন, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে স্থলবন্দর, নিয়োগ-বাণিজ্য কোনটাই হতে দেব না।
জেলা প্রশাসক সাবেত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক মোকাদ্দেসুর রহমান সান, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এর জেলা আমির ইকবাল হোসাইন, বিএনপি নেত্রী রাজিয়া সুলতানা, ২নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
১৫ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
১৬ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
১৬ ঘণ্টা আগে