
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে এই সময়ে জরুরি পরিষেবার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে।
এদিকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিন ছুটি ভোগ করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকার আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণা করল। সাধারণ ছুটির সময় সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধাস্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবাগুলো চালু থাকবে সাধারণ ছুটির দিনে। যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবেন। চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবেন।
জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলো এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে ব্যাংক এবং আদালতের ছুটির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছিল প্রজ্ঞাপনে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিন দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপশাখা বিশেষ ব্যবস্থায় খোলা থাকবে।
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট সরকারি ছুটির দিনগুলোতে বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে এই সময়ে জরুরি পরিষেবার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে।
এদিকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিন ছুটি ভোগ করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকার আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণা করল। সাধারণ ছুটির সময় সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধাস্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবাগুলো চালু থাকবে সাধারণ ছুটির দিনে। যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবেন। চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবেন।
জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলো এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে ব্যাংক এবং আদালতের ছুটির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছিল প্রজ্ঞাপনে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিন দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপশাখা বিশেষ ব্যবস্থায় খোলা থাকবে।
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট সরকারি ছুটির দিনগুলোতে বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে।

এ পরিস্থিতির জন্য প্রকাশক ঐক্য দায়ী করছে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমকে। প্রকাশকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনটি শর্ত নিয়ে সমঝোতা হলেও ডিজি সেগুলো উপেক্ষা করেই মেলা আয়োজন করছেন বলে অভিযোগ তাদের।
১২ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে সংসদ নেতা হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার শহরের বাইরে স্থানান্তরের বিষয়ে কুমিল্লাবাসীর সঙ্গে তার মতের মিল রয়েছে। কারাগারটি শহরের বাইরে নির্মাণের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া কুমিল্লা শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন মন্ত্রী।
১২ ঘণ্টা আগে
পোস্টে আরো বলা হয়, সাক্ষাৎকালে দেশের জলসীমার সার্বিক নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি, সমুদ্রসম্পদ রক্ষা এবং নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেশাদারি, দেশপ্রেম এবং সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
১২ ঘণ্টা আগে