‘প্রকাশক ঐক্যে’র বর্জনে বইমেলা অনিশ্চয়তায়, ডিজি বললেন সমঝোতার চেষ্টা চলছে

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০: ৫৩
অমর একুশে বইমেলা। রাজনীতি ডটকম ফাইল ছবি

অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণে কোনো প্রকাশনা সংস্থার প্যাভিলিয়ন থাকবে কি না— এ ইস্যুতে বইমেলা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে প্রকাশকদের বিভিন্ন সংগঠনের মোর্চা ‘প্রকাশক ঐক্য’। তাদের দাবি, তাদের সঙ্গে রয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় সব প্রকাশকসহ সৃজনশীল তিন শতাধিক প্রকাশনা সংস্থা। এতে বইমেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এ পরিস্থিতির জন্য প্রকাশক ঐক্য দায়ী করছে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমকে। প্রকাশকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনটি শর্ত নিয়ে সমঝোতা হলেও ডিজি সেগুলো উপেক্ষা করেই মেলা আয়োজন করছেন বলে অভিযোগ তাদের।

বাংলা একাডেমির ডিজি রাজনীতি ডটকমকে বলেছেন, তার পক্ষ থেকে প্রকাশকদের সব পক্ষের মধ্যে সমঝোতার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। দুই পক্ষই কিছুটা ছাড় দিলে প্যাভিলিয়ন নিয়ে সংকট নিরসন বড় বিষয় নয় বলেও মনে করছেন তিনি। যথাসময়েই মেলা আয়োজনের বিষয়েও আশাবাদ জানিয়েছেন তিনি।

প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে বইমেলা আয়োজন করা হয়ে থাকে। এ বছর জাতীয় নির্বাচনসহ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুরুতে বইমেলা ডিসেম্বরেই আয়োজন করে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলা একাডেমি। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। প্রকাশকদের আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ২০ দিনের বইমেলা নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

তবে ‘শেষ হইয়াও হইল না শেষে’র মতো বইমেলা নিয়ে জটিলতা যেন কাটছেই না। বাংলা একাডেমির ডিজির বিরুদ্ধে বইমেলা আয়োজন নিয়ে নানা অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে প্রকাশক ঐক্য মেলা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। প্রকাশকদের এই সংগঠনটি বলছে, বাংলা একাডেমির সঙ্গে পূর্বের সমঝোতা বৈঠক অনুযায়ী মেলা প্রাঙ্গণে প্যাভিলিয়ন উচ্ছেদ করে সবার জন্য সমান সুযোগ না দেওয়ার পাশাপাশি সময় স্বল্পতার কারণ দেখিয়ে তারা মেলা বর্জনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি ও প্রকাশকদের মধ্যে বৈঠকের সমঝোতা অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিলে স্টল বরাদ্দের লটারি ও বইমেলায় অংশ না নেওয়ার কথা জানিয়ে শুক্রবার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল প্রকাশক ঐক্য। বাংলা একাডেমির ডিজি বরাবর এ বিষয়ে চিঠিও দিয়েছিল তারা।

তাতে সমস্যার সমাধান না হওয়ায় শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জরুরি বৈঠকে বসে প্রকাশক ঐক্য। বৈঠক থেকে তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়, বইমেলা তারা বর্জন করছে। বৈঠকের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশক ঐক্য বলেছে, বুধবার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার পর নতুন সরকারের প্রতি শুভেচ্ছার্থে তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা মূল দাবি ঈদুল ফিতরের পর মেলা আয়োজন থেকে সরে আসি। নিশ্চিত ব্যবসায়িক ক্ষতি জেনেও আমরা মেলায় অংশগ্রহণের দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নিই এবং ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মেলার আবেদন সম্পন্ন করি।

প্রকাশক ঐক্য বলছে, তাদের সঙ্গে যুক্ত তিন শতাধিক সাধারণ প্রকাশকদের স্বল্প সময়ে বইমেলায় অংশগ্রহণের বিষয়ে রাজি করাতে তাদের বেগ পেতে হয়েছে। তবে প্রকাশকদের সবার দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, বইমেলা প্রাঙ্গণে কারও কোনো প্যাভিলিয়ন থাকবে না। এ নিয়ে বাংলা একাডেমির সঙ্গে মৌখিক সমঝোতা হলেও শেষ পর্যন্ত বাংলা একাডেমি প্যাভিলিয়ন না রাখার সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারেনি বলেই প্রকাশক ঐক্য মেলায় অংশ নিচ্ছে না।

প্রকাশক ঐক্যের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘প্যাভিলিয়ন বাতিলের জন্য আমরা গত শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করে মহাপরিচালককে আলটিমেটাম দিয়েছিলাম। আজ শনিবার সারা দিন আমরা কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক পদক্ষেপের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ফোনে আমাদের জানান, প্যাভিলিয়ন বাতিল করা সম্ভব হচ্ছে না এবং তিনি এবারের মতো প্যাভিলিয়ন রেখেই আমাদের মেলায় আসার অনুরোধ করেন।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সবচেয়ে বড় হতাশার জায়গা হলো, প্যাভিলিয়ন বাতিল করতে না পারার কারণে বাংলা একাডেমি আজ পর্যন্ত স্টল নম্বর বরাদ্দের লটারিও করতে পারেনি। আজ ২১ ফেব্রুয়ারি অতিক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে, আর মেলা শুরু হবে ২৫ তারিখে। লটারি না হওয়ায় এখন পর্যন্ত কেউ স্টলের জায়গাই বুঝে পাননি। এমন একটি চরম অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে, উদ্বোধনের মাত্র তিন দিন আগে খালি মাঠে স্টল নির্মাণ করে, বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে এবং বই গুছিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করা কারিগরি ও বাস্তবিকভাবে কোনো প্রকাশকের পক্ষেই আর সম্ভব নয়।’

‘তাই বাধ্য হয়েই বাস্তবতার নিরিখে প্রকাশক ঐক্য এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণ থেকে নিজেদের বিরত রাখছে। প্রকাশক ঐক্যের বড় প্রকাশকরা মেলায় অংশ নিতে পারছেন না বলে সর্বস্তরের সাধারণ প্রকাশকরাও মেলায় অংশ নেবেন না বলে জানিয়েছেন,’— বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে প্রকাশক ঐক্য।

Prokashok-Oikko-Iqbal-Hossain-Sanu-Quote-21-02-2026

তবে প্রকাশক ঐক্যের কোনো সদস্য বইমেলায় অংশ নিলে তাতে প্রকাশক ঐক্যের কোনো আপত্তি থাকবে না বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমরা কোনোভাবেই মেলা বা সরকারের প্রতিপক্ষ নই। আমরা চাই একুশের বইমেলা আপন মহিমায় উদযাপিত হোক।

বইমেলা নিয়ে এমন পরিস্থিতির জন্য বাংলা একাডেমির মহাপরিচালককে দায়ী করে প্রকাশক ঐক্যের একাধিক নেতা রাজনীতি ডটকমকে বলেন, সরকারের আন্তরিকতায় ঘাটতি না থাকলেও বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একের পর এক সিদ্ধান্তহীনতা ও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করে বাংলা একাডেমি অমর একুশে বইমেলাকে অনিশ্চয়তার জায়গায় নিয়ে এসেছে। এর ফলে দেশের মূল ধারার প্রকাশকসহ প্রায় ৪০০ প্রকাশনা সংস্থা অমর একুশে বইমেলায় অংশ নিচ্ছে না।

বাংলাদেশ সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ও প্রকাশক ঐক্যের অন্যতম সদস্য ইকবাল হোসেন সানু রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘বাংলা একাডেমি চাইছে যেন আমরা অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণ না করি। কারণ তারা প্যাভিলিয়ন ভাঙছে না, লটারির আয়োজনও করছে না। এখন মাত্র সময় আছে তিন দিন। এই সময়ের মধ্যে একটি স্টল করাও সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মেলায় অংশ নিতে চাই। কিন্তু বাংলা একাডেমি টালবাহানা করছে। আমরা বলেছিলাম সবাইকে এক কাতারে থাকতে হবে, যারা প্যাভিলিয়ন করেছে সেগুলো ভাঙতে হবে। আমরা সবাই এবার বিশেষ বিবেচনায় স্টল নিয়েই মেলায় অংশগ্রহণ করব। কিন্তু সেই সমঝোতা বৈঠক অনুযায়ী বাংলা একাডেমি প্যাভিলিয়ন ভাঙার উদ্যোগ নেয়নি। এখন বলছে যারা প্যাভিলিয়ন করে ফেলেছে তাদের ম্যানেজ করতে পারছে না।’

আইন সবার জন্য সমান হলেও বাংলা একাডেমি তা অনুসরণ করছে না অভিযোগ করে ইকবাল হোসেন সানু বলেন, ‘এবার যারা প্যাভিলিয়ন নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করছে তাদের দুয়েকজন ছাড়া কেউই প্যাভিলিয়ন নিয়ে এর আগে মেলায় অংশগ্রহণ করেনি, অনেকে এবারই প্রথম অংশগ্রহণ করছে। অথচ স্বনামধন্য ও বড় প্রকাশনা সংস্থাগুলো প্যাভিলিয়ন না করে স্টল নিয়ে মেলায় অংশ নিতে রাজি হয়েছে। শুধু শর্ত ছিল, সব প্যাভিলিয়ান ভেঙে সবাইকে এক কাতারে থাকতে হবে। সেই প্রতিশ্রুতি বাংলা একাডেমি রক্ষা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তাই এর দায় প্রকাশকদের নয়, সম্পূর্ণভাবেই বাংলা একাডেমির।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘বাংলা একাডেমি দুই পক্ষের মাঝখানে পড়েছে। তারপরও অবশ্যই অমর একুশে বইমেলা চলবে। স্টলের ভাড়ার বিষয়ে তাদের শতভাগ ছাড় দেওয়া হয়েছে। প্যাভিলিয়ন ইস্যুতে সমঝোতা করার চেষ্টা করছি।’

Bangla-Academy-DG-Quote-21-02-2026

প্যাভিলিয়ন ইস্যুতে সংকটের কথা জানিয়ে অধ্যাপক আজম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, এটা সত্য। কিন্তু যারা এখানে বিনিয়োগ করেছে, তারা প্যাভিলিয়ন ভাঙতে চাচ্ছে না। অন্যদিকে প্রকাশক ঐক্যের কেউ কেউ প্যাভিলিয়ন ভেঙে দেওয়া হবে বলে জানাচ্ছেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা সমঝোতার সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

বাংলা একাডেমির ডিজি জানান, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এরই মধ্যে বইমেলা উদ্বোধনের জন্য সময় দিয়েছেন। প্রকাশকদের দুপক্ষের কাছেই বিষয়টি বিবেচনায় রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

প্রকাশক ঐক্যের ইকবাল হোসেন সানু অবশ্য বইমেলায় অংশ না নিলেও এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা জানান। রাজনীতি ডটকমকে তিনি বলেন, ‘একটি নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং সরকারকে পূর্ণাঙ্গভাবে আমরা সহযোগিতা করতে চাই বলেই বাংলা একাডেমির বৈষম্যমূলক আচরণ সত্ত্বেও আমরা সমঝোতা বৈঠকে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু সেই সমঝোতা যেহেতু তারা মানেনি, সেহেতু আমরা মেলায় অংশগ্রহণ করব না। তবে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেবো এবং জাতীয় অনুষ্ঠান সফল ও সুন্দর করার সব ধরনের চেষ্টা করব।’

চলমান পরিস্থিতি ঘিরে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক আজম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আমি পদত্যাগ করতে প্রস্তুত আছি। স্বাভাবিকভাবে নতুন সরকার এলে এটাই হয়। যেহেতু সামনে বইমেলা এবং প্রধনামন্ত্রী উদ্বোধন করবেন, তাই আমি তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। আমি জানি, মেলা শেষ হলে আমি থাকব না। অতএব পদত্যাগের দাবি নিয়ে আমার কোনো ভাবনা নেই।’

শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে বইমেলা আয়োজনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন বাংলা একাডেমির ডিজি। তিনি বলেন, ‘এখনো সময় আছে। সবাই মিলে চাইলে ঐতিহ্যবাহী অমর একুশে বইমেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে। আমি প্রকাশকদের সবার প্রতি অনুরোধ জানাই, আপনারা অমর একুশে বইমেলা অংশ নিন। প্যাভিলিয়ন ও স্টল ইস্যুতে মূলত যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে, সেটি নিরসনে কেউ না কেউ এগিয়ে আসবে আমরা আশা করি। দুই পক্ষই তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ছাড় দিলে এই সংকট নিরসন কঠিন কাজ নয়।’

সৃজনশীল বই প্রকাশক সমিতি ঢাকার সভাপতি সাঈদ বারী অবশ্য বইমেলায় অংশ নিচ্ছেন। তবে বইমেলা ঘিরে যা ঘটছে, তাকে দুঃখজনক হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। বলেছেন, এমন পরিস্থিতি কাম্য ছিল না।

Prokashok-Saeed-Bari-Quote-21-02-2026

সাঈদ বারী রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘বছরের পর বছর বইমেলা বাণিজ্যিকীকরণ করা হয়েছে, এর অশুভ ফল এটি। আজ অথবা কাল এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে— এ আশঙ্কা আগেই ছিল। সরকারের আন্তরিকতার কোনো অভাব দেখি না, তবে বাংলা একাডেমি সঠিকভাবে বিষয়টি হ্যান্ডেল করতে পারেনি বলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’

অমর একুশে বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সাঈদ বারী বলেন, ‘বাংলা একাডেমি আমাদের পরামর্শ বা সহযোগিতা সেভাবে নেয় না। তারাই তাদের সিদ্ধান্ত নেয় এবং দুপক্ষের মধ্যে আজকের যে পরিস্থিতি, সেটার দায়ও মূলত বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষের। তারপরও আমার প্রত্যাশা, একটি সমঝোতার মাধ্যমে অমর একুশে বইমেলা সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হোক।’

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

সংসদ বসছে কবে, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে সংসদ নেতা হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

২ ঘণ্টা আগে

আইন মেনেই দালান নির্মাণ করতে হবে : গণপূর্তমন্ত্রী

জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার শহরের বাইরে স্থানান্তরের বিষয়ে কুমিল্লাবাসীর সঙ্গে তার মতের মিল রয়েছে। কারাগারটি শহরের বাইরে নির্মাণের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া কুমিল্লা শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন মন্ত্রী।

২ ঘণ্টা আগে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পোস্টে আরো বলা হয়, সাক্ষাৎকালে দেশের জলসীমার সার্বিক নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি, সমুদ্রসম্পদ রক্ষা এবং নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেশাদারি, দেশপ্রেম এবং সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

২ ঘণ্টা আগে

ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি দেবে সরকার : মাহদী আমিন

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। তবে সম্মানির পরিমাণ এখনো নির্ধারিত হয়নি। ঈদের আগেই দেশের কয়েকটি এলাকায় প্রাথমিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

৪ ঘণ্টা আগে