
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, মুক্ত ও স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। নির্বাচনের আগে জনগণের যে প্রত্যাশা ছিল, তা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।
শনিবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আন্দোলন ছিল দেশকে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। বিগত বছরগুলোতে নির্বাচন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গণতন্ত্র দুর্বল হয়েছে এবং এর ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে এবং একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জনগণের প্রত্যাশা অঞ্চল ও পেশাভেদে ভিন্ন হতে পারে, তবে সবার চাহিদা পূরণে সরকার কাজ করে যাবে।
ইশরাক হোসেন বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা। মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ি ও সমতলের সব মানুষের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানসহ দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, মুক্ত ও স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। নির্বাচনের আগে জনগণের যে প্রত্যাশা ছিল, তা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।
শনিবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আন্দোলন ছিল দেশকে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। বিগত বছরগুলোতে নির্বাচন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গণতন্ত্র দুর্বল হয়েছে এবং এর ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে এবং একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জনগণের প্রত্যাশা অঞ্চল ও পেশাভেদে ভিন্ন হতে পারে, তবে সবার চাহিদা পূরণে সরকার কাজ করে যাবে।
ইশরাক হোসেন বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা। মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ি ও সমতলের সব মানুষের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানসহ দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মাহাদী আমিন বলেন, ‘বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার এবং চীন হয়ে একটি ইকোনোমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই ইকোনোমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টি-মডারেল ট্রান্সপোর্টকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’
৩ ঘণ্টা আগে
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে বেনজীরকে ফেরত চেয়ে সব ধরনের আইনি ও তদন্তসংশ্লিষ্ট নথি দুবাই পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে নথি পাওয়ার পর দুবাই পুলিশ এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশকে পরবর্তী কোনো পদক্ষেপ বা সিদ্ধান্তের কথা
৩ ঘণ্টা আগে
পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তিনি দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসের উদ্দেশে জাদুঘর ত্যাগ করেন। এ সময় জাদুঘরের কিউরেটর তাকে বিদায় জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
সকাল থেকেই হোসেনি দালান প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন শিয়া সম্প্রদায়ের হাজারো নারী, পুরুষ ও শিশু। কালো পোশাকে অংশগ্রহণকারীরা কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণে মাতম করেন। তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হতে থাকে শোকগাথা ও ধর্মীয় স্লোগান।
৪ ঘণ্টা আগে