
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

না ফেরার দেশে বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় সাহিত্যিক মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। গতকাল শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মণিশংকর মুখোপাধ্যায় বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে এক শোকবার্তা তিনি লিখেছেন, ‘শংকরের প্রয়াণে গভীর ভাবে শোকাহত। বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসাবে তিনি মানুষের জীবনকে অসাধারণ সংবেদনশীলতা ও অন্তর্দৃষ্টির সঙ্গে লেখায় তুলে ধরেছেন।’
মোদি আরও লিখেছেন, ‘তার অবিস্মরণীয় সৃষ্টি বিভিন্ন প্রজন্মের পাঠককে প্রভাবিত ও ভারতের সাহিত্য ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।’ এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মণিশংকর মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকবার্তা জানিয়েছেন।
আসল নাম মণিশংকর মুখোপাধ্যায় হলেও সাহিত্যের অঙ্গনে শংকর নামেই বিখ্যাত ছিলেন তিনি। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিসরূপ তিনি ‘সাহিত্য অ্যাকাডেমি’ ও ‘বঙ্কিম পুরস্কার’ পেয়েছেন।
‘চৌরঙ্গী’ থেকে ‘কত অজানারে’, ‘সীমাবদ্ধ’ থেকে ‘জন অরণ্য’ তার কালজয়ী সৃষ্টিগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাঙালি পাঠককে মুগ্ধ করেছে। তার লেখনীতে উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রামের না বলা কথা। বিশেষ করে স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে তার সুগভীর গবেষণা ও গ্রন্থ আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদ।
১৯৩৩ সালে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁয় জন্ম মণিশংকরের। শৈশবের কিছুটা সময় কেটেছে সেখানেই। পরে সপরিবারে চলে যান কলকাতা শহর লাগোয়া হাওড়ায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পরিবারের সদস্যরা বনগাঁয় ফিরে এলেও, কিশোর শংকর বাবার সঙ্গেই থেকে যায়। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার প্রয়োজনে কখনো অফিসের কেরানির কাজ, কখনো গৃহপরিচারক, এমনকি হকারিও করেছেন কিশোর শংকর।

না ফেরার দেশে বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় সাহিত্যিক মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। গতকাল শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মণিশংকর মুখোপাধ্যায় বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে এক শোকবার্তা তিনি লিখেছেন, ‘শংকরের প্রয়াণে গভীর ভাবে শোকাহত। বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসাবে তিনি মানুষের জীবনকে অসাধারণ সংবেদনশীলতা ও অন্তর্দৃষ্টির সঙ্গে লেখায় তুলে ধরেছেন।’
মোদি আরও লিখেছেন, ‘তার অবিস্মরণীয় সৃষ্টি বিভিন্ন প্রজন্মের পাঠককে প্রভাবিত ও ভারতের সাহিত্য ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।’ এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মণিশংকর মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকবার্তা জানিয়েছেন।
আসল নাম মণিশংকর মুখোপাধ্যায় হলেও সাহিত্যের অঙ্গনে শংকর নামেই বিখ্যাত ছিলেন তিনি। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিসরূপ তিনি ‘সাহিত্য অ্যাকাডেমি’ ও ‘বঙ্কিম পুরস্কার’ পেয়েছেন।
‘চৌরঙ্গী’ থেকে ‘কত অজানারে’, ‘সীমাবদ্ধ’ থেকে ‘জন অরণ্য’ তার কালজয়ী সৃষ্টিগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাঙালি পাঠককে মুগ্ধ করেছে। তার লেখনীতে উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রামের না বলা কথা। বিশেষ করে স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে তার সুগভীর গবেষণা ও গ্রন্থ আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদ।
১৯৩৩ সালে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁয় জন্ম মণিশংকরের। শৈশবের কিছুটা সময় কেটেছে সেখানেই। পরে সপরিবারে চলে যান কলকাতা শহর লাগোয়া হাওড়ায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পরিবারের সদস্যরা বনগাঁয় ফিরে এলেও, কিশোর শংকর বাবার সঙ্গেই থেকে যায়। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার প্রয়োজনে কখনো অফিসের কেরানির কাজ, কখনো গৃহপরিচারক, এমনকি হকারিও করেছেন কিশোর শংকর।

এ পরিস্থিতির জন্য প্রকাশক ঐক্য দায়ী করছে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমকে। প্রকাশকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনটি শর্ত নিয়ে সমঝোতা হলেও ডিজি সেগুলো উপেক্ষা করেই মেলা আয়োজন করছেন বলে অভিযোগ তাদের।
৩ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে সংসদ নেতা হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার শহরের বাইরে স্থানান্তরের বিষয়ে কুমিল্লাবাসীর সঙ্গে তার মতের মিল রয়েছে। কারাগারটি শহরের বাইরে নির্মাণের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া কুমিল্লা শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন মন্ত্রী।
৩ ঘণ্টা আগে
পোস্টে আরো বলা হয়, সাক্ষাৎকালে দেশের জলসীমার সার্বিক নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি, সমুদ্রসম্পদ রক্ষা এবং নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেশাদারি, দেশপ্রেম এবং সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
৪ ঘণ্টা আগে