
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে বিরত থাকার জন্য দেশের সব রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। একই সঙ্গে যেকোনো নির্বাচনি বিরোধ আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রতিনিধিদলের প্রধান টোমাস জেদকোভস্কি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত তাদের সমর্থকদের শান্ত রাখা এবং সহিংসতা পরিহার করা। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে নির্বাচন-পরবর্তী সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ে দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য।
আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সাম্প্রতিক নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে নতুন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে উল্লেখ করে টোমাস জেদকোভস্কি বলেন, জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ, নাগরিক চেতনা ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার পর্যবেক্ষকদের মুগ্ধ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে হবে, যাতে নির্বাচনি বিরোধগুলো স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিষ্পত্তি হয়। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন টোমাস জেদকোভস্কি।
তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতি ও সংস্কার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে নতুন সংসদ ও সরকারকে অনুমোদিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে উদ্যোগী হতে হবে। পাশাপাশি ধর্ম-জাতিসত্তা-পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া ইইউ পর্যবেক্ষক দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত কয়েক দিনে তারা রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব আলোচনায় নির্বাচন আয়োজন, আইনি কাঠামোর সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয় উঠে এসেছে।

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে বিরত থাকার জন্য দেশের সব রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। একই সঙ্গে যেকোনো নির্বাচনি বিরোধ আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রতিনিধিদলের প্রধান টোমাস জেদকোভস্কি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত তাদের সমর্থকদের শান্ত রাখা এবং সহিংসতা পরিহার করা। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে নির্বাচন-পরবর্তী সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ে দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য।
আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সাম্প্রতিক নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে নতুন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে উল্লেখ করে টোমাস জেদকোভস্কি বলেন, জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ, নাগরিক চেতনা ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার পর্যবেক্ষকদের মুগ্ধ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে হবে, যাতে নির্বাচনি বিরোধগুলো স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিষ্পত্তি হয়। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন টোমাস জেদকোভস্কি।
তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতি ও সংস্কার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে নতুন সংসদ ও সরকারকে অনুমোদিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে উদ্যোগী হতে হবে। পাশাপাশি ধর্ম-জাতিসত্তা-পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া ইইউ পর্যবেক্ষক দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত কয়েক দিনে তারা রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব আলোচনায় নির্বাচন আয়োজন, আইনি কাঠামোর সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয় উঠে এসেছে।

আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সাফারি পার্কে প্রবেশ করেন। পরে তিনি পার্ক ঘুরে দেখেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ তার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
এর আগে, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নগরের লালখান বাজার এলাকায় নাঈমকে বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে পুলিশ সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সাধারণত কারিগরি ত্রুটি বা সিগন্যাল সমস্যার কারণে ট্রেন থামার নজির থাকলেও, একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পুরো নেটওয়ার্ক থমকে যাওয়ার ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। তবে কোন স্টেশনের ঠিক কোন পয়েন্টে বিড়ালটি ঢুকেছে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
১৭ ঘণ্টা আগে
সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৬৭৬ টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছে। এ সময়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত, ২১৯ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭ দশমিক ১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।
১৭ ঘণ্টা আগে