রমজানে পণ্যের ঘাটতি হবে না, ভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিকল্পনাও নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী
-cb4383-480x270.webp)
আসন্ন পবিত্র রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানির প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, রমজান ঘিরে বাজারে পণ্যের সংকট তৈরির আশঙ্কা নেই। এ ছাড়া আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রমজানে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা নেই
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল ও চিনিসহ আমদানিনির্ভর পণ্যের বর্তমান সরবরাহ এবং রমজানে সম্ভাব্য চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সরকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির পাইপলাইনে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের পাইপলাইনে যে পরিমাণ পণ্য রয়েছে, তা বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য যথেষ্ট। রমজান কিংবা তার আগে-পরে বাজারে পণ্যের কোনো ঘাটতি তৈরি হবে না।’
তবে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম ও জাহাজভাড়ার ওঠানামা আমদানি ব্যয় এবং দেশের বাজারে পণ্যের মূল্য নির্ধারণে প্রভাব ফেলে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না
রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সরকারের নেই।
আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলার দাম কিছুটা বেড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমদানিকারকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখা ও বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার সতর্ক রয়েছে।
এলসি খোলায় জটিলতা হলে ব্যবস্থা
পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়ছেন কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

-588a39.jpg)








-f945a3-256x144.webp)


-733cd3-256x144.webp)
