
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে মজুত কমে যাওয়ায় আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ আজ মঙ্গলবার আরও কমেছে। তবে ২০ ও ২৩ আগস্ট দুটি নতুন এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। কার্গো দুটি আসার পর সরবরাহ আবার স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন টার্মিনাল-সংশ্লিষ্টরা।
এলএনজি টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, ২০ আগস্ট একটি এবং ২৩ আগস্ট আরেকটি কার্গো আসার কথা রয়েছে। প্রথম কার্গো আসার আগের সময়ে গ্যাসের বড় ধরনের ঘাটতি হবে না বলেও আশা করছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় দুই ভাসমান টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহের হার ছিল ৬৩ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। আগের দিন সোমবার রাত ৮টায় এই সরবরাহ ছিল ৬৬ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এলএনজি সরবরাহ ৩ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে।
পেট্রোবাংলার দৈনিক উৎপাদন বিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন হয়েছে ১৬২ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। সোমবার রাতে উৎপাদন ছিল প্রায় ১৬১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ দেশীয় উৎপাদন কিছুটা বাড়লেও এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় মোট গ্যাস সরবরাহ কমেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২২৫ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট। সোমবার রাতে তা ছিল প্রায় ২২৮ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। দুই সময়ের হিসাবে মোট সরবরাহ কমেছে ২ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট বা ১ দশমিক ১ শতাংশ।
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সে হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চাহিদার প্রায় ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশ সরবরাহ করা গেছে। ঘাটতি ছিল প্রায় ১৫৪ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুট।
দুই ভাসমান টার্মিনালের সম্মিলিত সরবরাহ সক্ষমতা দৈনিক ১১০ কোটি ঘনফুট। মঙ্গলবারের এলএনজি সরবরাহ ছিল সেই সক্ষমতার ৫৭ দশমিক ৪ শতাংশ।
পেট্রোবাংলার ১৭ থেকে ১৮ আগস্টের ২৪ ঘণ্টার প্রতিবেদনে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন দেখানো হয়েছে ১৬৩ কোটি ৮৩ লাখ ঘনফুট। এলএনজি থেকে সরবরাহ ছিল ৬২ কোটি ৪৬ লাখ ঘনফুট। ওই সময়ে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২২৬ কোটি ২৮ লাখ ঘনফুট।
এর আগে ১৫ থেকে ১৬ আগস্টের প্রতিবেদনে এলএনজি সরবরাহ ছিল ৮০ কোটি ৩৮ লাখ ঘনফুট। সেই তুলনায় ১৭-১৮ আগস্টের প্রতিবেদনে এলএনজি সরবরাহ ১৭ কোটি ৯২ লাখ ঘনফুট বা ২২ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে।
মজুত কমায় কমেছে এলএনজি সরবরাহ
দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালই কক্সবাজারের মহেশখালীতে। এর একটি এক্সিলারেট এনার্জির এবং অন্যটির মালিক সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি। দুটি টার্মিনালই পরিচালনা করে এক্সিলারেট এনার্জি।
এলএনজি টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট ওই কর্মকর্তা মঙ্গলবার জানান, দুটি টার্মিনালের একটিতে ৫৫ কোটি ঘনফুটের কিছু বেশি এবং অন্যটি থেকে প্রায় ৯ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। তার হিসাবে মোট সরবরাহ ছিল প্রায় ৬৪ কোটি ঘনফুট।
তিনি বলেন, এক্সিলারেটের টার্মিনালে এলএনজির মজুত কিছুটা কমে গেছে। এ কারণে ওই টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমেছে। সামিটের টার্মিনাল স্বাভাবিক রয়েছে। নতুন কার্গো থেকে এলএনজি খালাস হলে সরবরাহ আবার স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা করছেন।
ওই কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, একটি কার্গো ২০ আগস্ট এবং আরেকটি ২৩ আগস্ট আসার কথা রয়েছে। প্রথম কার্গো আসার আগের সময়ে গ্যাসের বড় ধরনের ঘাটতি হবে না বলেও আশা করছেন তিনি।
গত ২১ জুলাই আগুনে এক্সিলারেটের টার্মিনালের বৈদ্যুতিক কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। দুই সপ্তাহের বেশি সময় পর ৬ আগস্ট টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু হয়।
এর মধ্যে ১৩ আগস্ট সামিটের টার্মিনালও বন্ধ হয়ে যায়। এলএনজিবাহী জাহাজ টার্মিনালে ভিড়তে না পারায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পরদিন সামিটের টার্মিনাল থেকে আবার সরবরাহ শুরু হয়। একই দিনে এক্সিলারেটের টার্মিনালও বন্ধ হলেও রাতে সেখান থেকে আবার সরবরাহ শুরু হয়।
বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ চাহিদার অর্ধেকেরও কম
পেট্রোবাংলার ১৭ থেকে ১৮ আগস্টের প্রতিবেদনে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর গ্যাসের চাহিদা দেখানো হয়েছে ২৫২ কোটি ৪৯ লাখ ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৯৪ কোটি ৫১ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তাদের চাহিদার মাত্র ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ গ্যাস পেয়েছে। ঘাটতি ছিল ১৫৭ কোটি ৯৮ লাখ ঘনফুট।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের ১৭ আগস্টের প্রতিবেদনে ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বা ইউনিটে সরাসরি গ্যাস সংকটের কথা বলা হয়েছে। আরও দুটি কেন্দ্র বা ইউনিটে গ্যাসের চাপ কম থাকা এবং গ্যাস নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সমস্যার তথ্য রয়েছে।
গ্যাস-সংক্রান্ত সমস্যায় থাকা ২৫টি কেন্দ্র বা ইউনিটের মধ্যে ১৩টি থেকে সোমবার সারা দিনে কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়নি। এসব কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা ৩ হাজার ৩৮০ দশমিক ২২ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তালিকায় দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট স্থাপিত সক্ষমতা ২৯ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট। কেন্দ্রগুলোর বর্তমান বাস্তব সক্ষমতা ছিল ২৮ হাজার ৭৯৩ মেগাওয়াট।
এর বিপরীতে সোমবার সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৫ হাজার ৮৯১ দশমিক ৪৭ মেগাওয়াট। এটি মোট স্থাপিত সক্ষমতার ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ।
তবে সক্ষমতা ও উৎপাদনের এই ব্যবধান শুধু জ্বালানি সংকটের কারণে নয়। কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণ, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণেও উৎপাদনে ছিল না।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের প্রতিবেদনে আরও ২৮টি কেন্দ্র বা ইউনিটে তরল জ্বালানির সংকটের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া দুটি কেন্দ্র বা ইউনিটে কয়লার সংকটও ছিল।

এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে মজুত কমে যাওয়ায় আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ আজ মঙ্গলবার আরও কমেছে। তবে ২০ ও ২৩ আগস্ট দুটি নতুন এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। কার্গো দুটি আসার পর সরবরাহ আবার স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন টার্মিনাল-সংশ্লিষ্টরা।
এলএনজি টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, ২০ আগস্ট একটি এবং ২৩ আগস্ট আরেকটি কার্গো আসার কথা রয়েছে। প্রথম কার্গো আসার আগের সময়ে গ্যাসের বড় ধরনের ঘাটতি হবে না বলেও আশা করছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় দুই ভাসমান টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহের হার ছিল ৬৩ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। আগের দিন সোমবার রাত ৮টায় এই সরবরাহ ছিল ৬৬ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এলএনজি সরবরাহ ৩ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে।
পেট্রোবাংলার দৈনিক উৎপাদন বিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন হয়েছে ১৬২ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। সোমবার রাতে উৎপাদন ছিল প্রায় ১৬১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ দেশীয় উৎপাদন কিছুটা বাড়লেও এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় মোট গ্যাস সরবরাহ কমেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২২৫ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট। সোমবার রাতে তা ছিল প্রায় ২২৮ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। দুই সময়ের হিসাবে মোট সরবরাহ কমেছে ২ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট বা ১ দশমিক ১ শতাংশ।
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সে হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চাহিদার প্রায় ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশ সরবরাহ করা গেছে। ঘাটতি ছিল প্রায় ১৫৪ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুট।
দুই ভাসমান টার্মিনালের সম্মিলিত সরবরাহ সক্ষমতা দৈনিক ১১০ কোটি ঘনফুট। মঙ্গলবারের এলএনজি সরবরাহ ছিল সেই সক্ষমতার ৫৭ দশমিক ৪ শতাংশ।
পেট্রোবাংলার ১৭ থেকে ১৮ আগস্টের ২৪ ঘণ্টার প্রতিবেদনে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন দেখানো হয়েছে ১৬৩ কোটি ৮৩ লাখ ঘনফুট। এলএনজি থেকে সরবরাহ ছিল ৬২ কোটি ৪৬ লাখ ঘনফুট। ওই সময়ে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২২৬ কোটি ২৮ লাখ ঘনফুট।
এর আগে ১৫ থেকে ১৬ আগস্টের প্রতিবেদনে এলএনজি সরবরাহ ছিল ৮০ কোটি ৩৮ লাখ ঘনফুট। সেই তুলনায় ১৭-১৮ আগস্টের প্রতিবেদনে এলএনজি সরবরাহ ১৭ কোটি ৯২ লাখ ঘনফুট বা ২২ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে।
মজুত কমায় কমেছে এলএনজি সরবরাহ
দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালই কক্সবাজারের মহেশখালীতে। এর একটি এক্সিলারেট এনার্জির এবং অন্যটির মালিক সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি। দুটি টার্মিনালই পরিচালনা করে এক্সিলারেট এনার্জি।
এলএনজি টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট ওই কর্মকর্তা মঙ্গলবার জানান, দুটি টার্মিনালের একটিতে ৫৫ কোটি ঘনফুটের কিছু বেশি এবং অন্যটি থেকে প্রায় ৯ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। তার হিসাবে মোট সরবরাহ ছিল প্রায় ৬৪ কোটি ঘনফুট।
তিনি বলেন, এক্সিলারেটের টার্মিনালে এলএনজির মজুত কিছুটা কমে গেছে। এ কারণে ওই টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমেছে। সামিটের টার্মিনাল স্বাভাবিক রয়েছে। নতুন কার্গো থেকে এলএনজি খালাস হলে সরবরাহ আবার স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা করছেন।
ওই কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, একটি কার্গো ২০ আগস্ট এবং আরেকটি ২৩ আগস্ট আসার কথা রয়েছে। প্রথম কার্গো আসার আগের সময়ে গ্যাসের বড় ধরনের ঘাটতি হবে না বলেও আশা করছেন তিনি।
গত ২১ জুলাই আগুনে এক্সিলারেটের টার্মিনালের বৈদ্যুতিক কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। দুই সপ্তাহের বেশি সময় পর ৬ আগস্ট টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু হয়।
এর মধ্যে ১৩ আগস্ট সামিটের টার্মিনালও বন্ধ হয়ে যায়। এলএনজিবাহী জাহাজ টার্মিনালে ভিড়তে না পারায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পরদিন সামিটের টার্মিনাল থেকে আবার সরবরাহ শুরু হয়। একই দিনে এক্সিলারেটের টার্মিনালও বন্ধ হলেও রাতে সেখান থেকে আবার সরবরাহ শুরু হয়।
বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ চাহিদার অর্ধেকেরও কম
পেট্রোবাংলার ১৭ থেকে ১৮ আগস্টের প্রতিবেদনে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর গ্যাসের চাহিদা দেখানো হয়েছে ২৫২ কোটি ৪৯ লাখ ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৯৪ কোটি ৫১ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তাদের চাহিদার মাত্র ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ গ্যাস পেয়েছে। ঘাটতি ছিল ১৫৭ কোটি ৯৮ লাখ ঘনফুট।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের ১৭ আগস্টের প্রতিবেদনে ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বা ইউনিটে সরাসরি গ্যাস সংকটের কথা বলা হয়েছে। আরও দুটি কেন্দ্র বা ইউনিটে গ্যাসের চাপ কম থাকা এবং গ্যাস নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সমস্যার তথ্য রয়েছে।
গ্যাস-সংক্রান্ত সমস্যায় থাকা ২৫টি কেন্দ্র বা ইউনিটের মধ্যে ১৩টি থেকে সোমবার সারা দিনে কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়নি। এসব কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা ৩ হাজার ৩৮০ দশমিক ২২ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তালিকায় দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট স্থাপিত সক্ষমতা ২৯ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট। কেন্দ্রগুলোর বর্তমান বাস্তব সক্ষমতা ছিল ২৮ হাজার ৭৯৩ মেগাওয়াট।
এর বিপরীতে সোমবার সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৫ হাজার ৮৯১ দশমিক ৪৭ মেগাওয়াট। এটি মোট স্থাপিত সক্ষমতার ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ।
তবে সক্ষমতা ও উৎপাদনের এই ব্যবধান শুধু জ্বালানি সংকটের কারণে নয়। কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণ, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণেও উৎপাদনে ছিল না।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের প্রতিবেদনে আরও ২৮টি কেন্দ্র বা ইউনিটে তরল জ্বালানির সংকটের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া দুটি কেন্দ্র বা ইউনিটে কয়লার সংকটও ছিল।

এর আগে সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে কাশেমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার ইন্সপেক্টর আবদুল হান্নান মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তিনি পিএসসি সচিবালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন জানিয়ে কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান বলেন, “চেয়ারম্যান স্যারের পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।”
৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. তৌফিক-উর-রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সো মোয়ের বৈঠকে এ অবস্থান তুলে ধরা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
৭ ঘণ্টা আগে