
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো চালুর বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তার মতে, শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণে অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করা ঠিক হবে না।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন থেকে সময়ে সময়ে একাধিক প্রস্তাব আসায় সেগুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের জন্য এমন একটি স্বতন্ত্র পে-স্কেল করা যেতে পারে, যার সঙ্গে অন্য কোনো পেশার বেতন কাঠামোর তুলনা থাকবে না। তাঁর ভাষায়, শিক্ষকদের বেতন কম বা বেশি যা-ই হোক, তাঁদের সঙ্গে অন্য পেশার তুলনা করা উচিত নয়।
শিক্ষকদের মর্যাদার প্রসঙ্গ টেনে ড. মিলন বলেন, জাতীয় সংসদে এক বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন নিয়ে একটি তুলনা করেছিলেন। এ ধরনের তুলনা শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
শিক্ষকদের শুধু আর্থিক সুবিধা বাড়ালেই হবে না বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা বিবেচনায় তাঁদের পেশাগত সম্মান ও জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। এ কারণে অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা না করে শিক্ষকদের নিজস্ব মর্যাদার ভিত্তিতে তাঁদের বিষয়গুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এ সময় দেশের শিক্ষক সংকটের কথাও তুলে ধরেন তিনি। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক প্রয়োজন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে।
২০১৭ সাল থেকে মামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।
ড. মিলনের ভাষায়, শিক্ষক সংকট রেখে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। যত দ্রুত সম্ভব শূন্য পদগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ দিতে প্রয়োজনীয় কাজ চলছে।
দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কারিগরি শিক্ষার বিস্তারেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।
কর্মশালায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।

শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো চালুর বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তার মতে, শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণে অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করা ঠিক হবে না।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন থেকে সময়ে সময়ে একাধিক প্রস্তাব আসায় সেগুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের জন্য এমন একটি স্বতন্ত্র পে-স্কেল করা যেতে পারে, যার সঙ্গে অন্য কোনো পেশার বেতন কাঠামোর তুলনা থাকবে না। তাঁর ভাষায়, শিক্ষকদের বেতন কম বা বেশি যা-ই হোক, তাঁদের সঙ্গে অন্য পেশার তুলনা করা উচিত নয়।
শিক্ষকদের মর্যাদার প্রসঙ্গ টেনে ড. মিলন বলেন, জাতীয় সংসদে এক বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন নিয়ে একটি তুলনা করেছিলেন। এ ধরনের তুলনা শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
শিক্ষকদের শুধু আর্থিক সুবিধা বাড়ালেই হবে না বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা বিবেচনায় তাঁদের পেশাগত সম্মান ও জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। এ কারণে অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা না করে শিক্ষকদের নিজস্ব মর্যাদার ভিত্তিতে তাঁদের বিষয়গুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এ সময় দেশের শিক্ষক সংকটের কথাও তুলে ধরেন তিনি। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক প্রয়োজন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে।
২০১৭ সাল থেকে মামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।
ড. মিলনের ভাষায়, শিক্ষক সংকট রেখে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। যত দ্রুত সম্ভব শূন্য পদগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ দিতে প্রয়োজনীয় কাজ চলছে।
দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কারিগরি শিক্ষার বিস্তারেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।
কর্মশালায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি আমদানির প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। এই সরকারি সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী প্রমুখ রয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাটে হাইওয়ে পুলিশের কমান্ড, কন্ট্রোল অ্যান্ড মনিটরিং সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন এই ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
৫ ঘণ্টা আগে