
নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকও হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহতদের মধ্যে দুজনকে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত চলা এ ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, এ ঘটনায় যে-ই জড়িত থাকুক, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন শাখা ছাত্রদলের ছাত্রকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ও পরিসংখ্যান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আনিসুর রহমান সিফাত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও ফলিত গণিত বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম হাসান এবং ছাত্রদলের আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক আরিফ হাসান।
শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার রাত ২টার দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের একটি কক্ষের সিট পরিবর্তন নিয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সিনিয়র-জুনিয়র কর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে তা সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
একপর্যায়ে ভাষা শহিদ আবদুস সালাম হলে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কক্ষে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়। পরে সালাম হলের সামনে থেকে এক পক্ষের নেতাকর্মীরা প্রতিপক্ষকে ধাওয়া দেন।
এরপর ধাওয়া-পালটাধাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে মানবজমিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মাহী ছিদ্দীকী সিয়াম ও প্রতিদিনের সংবাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মেহেদী হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।
মারধরের শিকার ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান সিফাত বলেন, “সিট নিয়ে তুচ্ছ ঘটনায় বাগবিতণ্ডার জেরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা অন্যায়ভাবে আমার ওপর হামলা চালায়। তারা আমাকে মারধর করে হল থেকে বের করে দেন।”
তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাব্বির হাসান বলেন, “আমি ওই রুমে রাতের খাবার খেতে গিয়েছিলাম। একটা সিট পরিবর্তন নিয়ে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়, পরে তা সমাধান হলে সবাই চলে যায়।”
তিনি বলেন, “কিন্তু পরে তারা পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদলের দায়িত্বশীল এক নেতার ওপর এমন হামলা চালায়; যা সুস্পষ্ট সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের শামিল। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন বলেন, “এ বিষয়ে বিস্তারিত জানি না। তবে যতটা জানি, এটা সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যকার ঝামেলা। কোনো পলিটিক্যাল বিষয় নয়।”
সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক (তথ্য ও জনসংযোগ) ইফতেখার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভাষা শহিদ আব্দুস সালাম হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সোমবার রাতে এবং মঙ্গলবার সংঘটিত ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হাছান উদ্দিনকে আহ্বায়ক, প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমানকে সদস্যসচিব এবং বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিনুজ্জামানকে সদস্য করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকও হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহতদের মধ্যে দুজনকে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত চলা এ ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, এ ঘটনায় যে-ই জড়িত থাকুক, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন শাখা ছাত্রদলের ছাত্রকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ও পরিসংখ্যান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আনিসুর রহমান সিফাত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও ফলিত গণিত বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম হাসান এবং ছাত্রদলের আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক আরিফ হাসান।
শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার রাত ২টার দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের একটি কক্ষের সিট পরিবর্তন নিয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সিনিয়র-জুনিয়র কর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে তা সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
একপর্যায়ে ভাষা শহিদ আবদুস সালাম হলে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কক্ষে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়। পরে সালাম হলের সামনে থেকে এক পক্ষের নেতাকর্মীরা প্রতিপক্ষকে ধাওয়া দেন।
এরপর ধাওয়া-পালটাধাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে মানবজমিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মাহী ছিদ্দীকী সিয়াম ও প্রতিদিনের সংবাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মেহেদী হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।
মারধরের শিকার ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান সিফাত বলেন, “সিট নিয়ে তুচ্ছ ঘটনায় বাগবিতণ্ডার জেরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা অন্যায়ভাবে আমার ওপর হামলা চালায়। তারা আমাকে মারধর করে হল থেকে বের করে দেন।”
তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাব্বির হাসান বলেন, “আমি ওই রুমে রাতের খাবার খেতে গিয়েছিলাম। একটা সিট পরিবর্তন নিয়ে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়, পরে তা সমাধান হলে সবাই চলে যায়।”
তিনি বলেন, “কিন্তু পরে তারা পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদলের দায়িত্বশীল এক নেতার ওপর এমন হামলা চালায়; যা সুস্পষ্ট সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের শামিল। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন বলেন, “এ বিষয়ে বিস্তারিত জানি না। তবে যতটা জানি, এটা সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যকার ঝামেলা। কোনো পলিটিক্যাল বিষয় নয়।”
সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক (তথ্য ও জনসংযোগ) ইফতেখার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভাষা শহিদ আব্দুস সালাম হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সোমবার রাতে এবং মঙ্গলবার সংঘটিত ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হাছান উদ্দিনকে আহ্বায়ক, প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমানকে সদস্যসচিব এবং বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিনুজ্জামানকে সদস্য করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তিনি পিএসসি সচিবালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন জানিয়ে কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান বলেন, “চেয়ারম্যান স্যারের পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।”
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. তৌফিক-উর-রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সো মোয়ের বৈঠকে এ অবস্থান তুলে ধরা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজের আদেশ দেন।
৭ ঘণ্টা আগে