
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান সংবলিত ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ সংশোধনীসহ পাসের সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শেষে বিশেষ কমিটি চূড়ান্ত রিপোর্টে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
সরকার গঠনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জানিয়েছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে তারা নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফলে নির্বাহী আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগর কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। আইনটি পাস হলে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ১৪ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংসদে পাস না হলে ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারায়।
বিশেষ কমিটি ইতোমধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিত রেখে আইনে রূপ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এছাড়া ১৫টি সংশোধন করে বিল আকারে উত্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’।
এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনের আওতায় আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
গত বছর ৯ মে রাজধানীর যমুনা এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন করে। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দল অংশ নেয়।
পরবর্তীতে ১১ মে জরুরি বৈঠকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যাবে। একই দিনে জারি করা প্রজ্ঞাপনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বর্তমানে অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠন কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, প্রচার-প্রচারণা, সংবাদ সম্মেলন বা আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করতে পারে না। তবে এতদিন এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে নির্দিষ্ট শাস্তির বিধান ছিল না।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শাস্তির বিধান যুক্ত করার সুপারিশ করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠন কার্যক্রম চালালে সংশ্লিষ্ট আইনের ধারায় চার থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য না করলেও দলটির নেতারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান সংবলিত ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ সংশোধনীসহ পাসের সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শেষে বিশেষ কমিটি চূড়ান্ত রিপোর্টে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
সরকার গঠনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জানিয়েছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে তারা নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফলে নির্বাহী আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগর কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। আইনটি পাস হলে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ১৪ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংসদে পাস না হলে ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারায়।
বিশেষ কমিটি ইতোমধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিত রেখে আইনে রূপ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এছাড়া ১৫টি সংশোধন করে বিল আকারে উত্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’।
এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনের আওতায় আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
গত বছর ৯ মে রাজধানীর যমুনা এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন করে। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দল অংশ নেয়।
পরবর্তীতে ১১ মে জরুরি বৈঠকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যাবে। একই দিনে জারি করা প্রজ্ঞাপনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বর্তমানে অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠন কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, প্রচার-প্রচারণা, সংবাদ সম্মেলন বা আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করতে পারে না। তবে এতদিন এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে নির্দিষ্ট শাস্তির বিধান ছিল না।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শাস্তির বিধান যুক্ত করার সুপারিশ করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠন কার্যক্রম চালালে সংশ্লিষ্ট আইনের ধারায় চার থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য না করলেও দলটির নেতারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে প্রতিবাদকারীরা ডাকসু সংগ্রহশালার ফটকের সামনের মেঝেতে দুটি এবং ভেতরের মেঝেতে দুটি ছবি সাঁটিয়ে দেন। এ সময় তারা জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি পদদলন করে প্রতিবাদ জানান।
৩ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ মনগড়া নয় বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব সাইদুর রহমান খান।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ রোগীদের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় মাসে প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩৬ জনের। দেশের ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘ
৪ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
৪ ঘণ্টা আগে