
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভাষাসংগ্রামী, লেখক ও রবীন্দ্রগবেষক আহমদ রফিকের স্মরণে আগামী ২৪ অক্টোবর বাংলা একাডেমিতে শোকসভা আয়োজন করবে আহমদ রফিক ফাউন্ডেশন। এ শোকসভা আয়োজনে ১৫১ সদস্যের জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক ত্রৈমাসিক পত্রিকা নতুন দিগন্ত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আহমদ রফিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি কবি মুনীর সিরাজ। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এতে অংশ নেন। আলোচনা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে আহ্বায়ক ও ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সাদীকে সদস্যসচিব করে শোকসভা আয়োজক কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ অক্টোবর বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের স্মরণে শোকসভা হবে। এতে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সংস্কৃতি কর্মী ও ছাত্র সমাজ অংশগ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে নবগঠিত এ কমিটি।
ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের অসামান্য অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দেশ জুড়ে শিক্ষাঙ্গন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিদের এই শোকসভায় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শোকসভা আয়োজকরা।
আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সারাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সরাসরি অংশগ্রহণকারী ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করেছেন তিনি। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি চট্টগ্রাম কলেজ ও ঢাকা কলেজে অধ্যাপনা করেছেন।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার জন্য একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, রবীন্দ্রস্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন আহমদ রফিক। ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ৯৬ বছর বয়সে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

ভাষাসংগ্রামী, লেখক ও রবীন্দ্রগবেষক আহমদ রফিকের স্মরণে আগামী ২৪ অক্টোবর বাংলা একাডেমিতে শোকসভা আয়োজন করবে আহমদ রফিক ফাউন্ডেশন। এ শোকসভা আয়োজনে ১৫১ সদস্যের জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক ত্রৈমাসিক পত্রিকা নতুন দিগন্ত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আহমদ রফিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি কবি মুনীর সিরাজ। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এতে অংশ নেন। আলোচনা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে আহ্বায়ক ও ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সাদীকে সদস্যসচিব করে শোকসভা আয়োজক কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ অক্টোবর বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের স্মরণে শোকসভা হবে। এতে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সংস্কৃতি কর্মী ও ছাত্র সমাজ অংশগ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে নবগঠিত এ কমিটি।
ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের অসামান্য অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দেশ জুড়ে শিক্ষাঙ্গন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিদের এই শোকসভায় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শোকসভা আয়োজকরা।
আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সারাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সরাসরি অংশগ্রহণকারী ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করেছেন তিনি। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি চট্টগ্রাম কলেজ ও ঢাকা কলেজে অধ্যাপনা করেছেন।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার জন্য একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, রবীন্দ্রস্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন আহমদ রফিক। ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ৯৬ বছর বয়সে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশের নদীগুলোকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। এ বিষয়গুলো আমাদের ঠিক করতে হবে এবং পরিবর্তন আমাদেরই আনতে হবে। আমরা যে বড় বড় দামি গাড়িতে চড়ি, তা সব জনগণের করের টাকায়। তাই জনগণের সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।’
২ ঘণ্টা আগে
ড. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির দায়ভার সরকারের ওপর না থাকলেও প্রতিটি নাগরিকের জীবনের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি জানান: হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম দেশজুড়ে বিরতিহীনভাবে চলবে। টিকার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য রোগের ক্ষেত্রে শতভাগ সাফল্য অর্জনে কাজ করছে সরকার। কোনো এলাকা যেন টিকাদান কর্
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে কেউ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবে না। আমরা মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ন্যায়বিচার থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না।
২ ঘণ্টা আগে
খনি থেকে ইউরেনিয়াম উত্তোলনের পর একাধিক ধাপে তা প্রক্রিয়াজাত করে পারমাণবিক জ্বালানিতে রূপান্তর করা হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম আকরিক পরিশোধন করে তৈরি করা হয় ‘ইয়েলো কেক’, এরপর সেটিকে রূপান্তর ও সমৃদ্ধকরণের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে পরিণত করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে