প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ঘটনার এক বছরেরও বেশি সময় পর ৩১ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলাকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। সাংবাদিকদের সংগঠনটি এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ডিইউজে এ কথা জানিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি সাজ্জাদ আলম খান তপু ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাজাহান মিঞা বিবৃতিতে সই করেছেন।
এর আগে জুলাই আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই সাইনবোর্ড-যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারায় ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শহিদ মোহাম্মদ আদিল। ওই ঘটনা ঘিরে শেখ হাসিনাকে সহযোগিতার অভিযোগে আওয়ামীপন্থি বলে পরিচিত ৩১ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গত সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন শহিদ আদিলের বাবা।
এ মামলার প্রতিবাদে বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাও মামলা দায়ের স্বাধীন মতপ্রকাশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পেশাদার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা চলতে থাকলে কখনোই ভয়ের সংস্কৃতি দূর হবে না।
ডিইউজে সভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদক আরও বলেন, তদন্ত ছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে না— সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে আশ্বস্ত করা হলেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। অবিলম্বে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান নেতারা।
মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম’-এর সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক, একুশে টেলিভিশনের সাবেক প্রধান নির্বাহী মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব আব্দুল জলিল ভূঁইয়া, সাংবাদিক নেতা আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের তৎকালীন (ডিইউজে) সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, সম্পাদক ফোরামের তৎকালীন আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রতন, ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির তৎকালীন সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, ডিইউজের তৎকালীন সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, বঙ্গবন্ধু সাংবাদিক পরিষদের তৎকালীন সদস্যসচিব মোহাম্মদ আবু সাঈদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, বিএফইউজের তৎকালীন মহাসচিব ও নাগরিক টিভির হেড অব নিউজ দীপ আজাদ, ডিবিসি নিউজের সম্পাদক জায়েদুল আহসান পিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম, ডিবিসি নিউজের এডিটর ইন চিফ মঞ্জুরুল ইসলাম, কালবেলার সাবেক সম্পাদক আবেদ খান, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান, এডিটরস গিল্ডের সাবেক সভাপতি ও একাত্তর টিভির সাবেক সিইও মোজাম্মল বাবু, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম, গ্লোবাল টিভির নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, আমাদের সময়ের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক মাঈনুল আলম, বাংলাদেশ জার্নালের সম্পাদক শাহজাহান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির হেড অব নিউজ আশিষ সৈকত, বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক জুলফিকার রাসেল, একাত্তর টিভির হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদ, কিংস নিউজের হেড অব নিউজ নাজমুল হক সৈকত, আরটিভির হেড অব নিউজ মামুনুর রহমান খান।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে প্রায় ১৬ বছর ধরে অগণতান্ত্রিক ও অবৈধ শাসনের মাধ্যমে দেশকে স্বৈরাচারের লীলাভূমিতে পরিণত করেন শেখ হাসিনা। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারিও একতরফা ও সম্পূর্ণ ভুয়া নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন শেখ হাসিনা। হত্যা, গুম, খুন, দুর্নীতি, বৈষম্য ও নিপীড়ন চালিয়ে যান।
এজাহারে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার অন্যতম কারিগর ও চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে কিছু মিডিয়া মোঘল ও ধনিক এলিট শ্রেণি। তারা তাদের বক্তব্য-বিবৃতি, সংবাদ ও অর্থের মাধ্যমে এই অপশাসনকে চালিয়ে নেওয়া ও দীর্ঘায়িত করে এবং সরকারকে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে প্ররোচনা দেয়।
বাদীর অভিযোগ, আসামিরা অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন ও আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার জন্য এবং পুকুর চুরির মাধ্যমে অর্জিত বিত্ত-বৈভব টিকিয়ে রাখার জন্য অবৈধ সরকারকে অন্যায় পথে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার প্ররোচনা দেয়। সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে ব্যবহার করে তারাও বিভিন্ন স্বার্থ হাসিল করে জনগণের অর্থ লুটপাটে নিয়োজিত।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, যে ৩১ জন সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে তারা গত বছরের ২৪ জুলাই শেখ হাসিনার সঙ্গে এডিটরস গিল্ডের নামে গণভবনে বৈঠক করেন। সেখানে তারা শেখ হাসিনাকে আরও গণহত্যা চালাতে সর্বাত্মক সমর্থন দেন। তারা বৈঠকে বলেন, তারা শেখ হাসিনার সঙ্গে আছেন ও প্রয়োজনে যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।
ঘটনার এক বছরেরও বেশি সময় পর ৩১ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলাকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। সাংবাদিকদের সংগঠনটি এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ডিইউজে এ কথা জানিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি সাজ্জাদ আলম খান তপু ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাজাহান মিঞা বিবৃতিতে সই করেছেন।
এর আগে জুলাই আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই সাইনবোর্ড-যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারায় ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শহিদ মোহাম্মদ আদিল। ওই ঘটনা ঘিরে শেখ হাসিনাকে সহযোগিতার অভিযোগে আওয়ামীপন্থি বলে পরিচিত ৩১ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গত সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন শহিদ আদিলের বাবা।
এ মামলার প্রতিবাদে বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাও মামলা দায়ের স্বাধীন মতপ্রকাশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পেশাদার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা চলতে থাকলে কখনোই ভয়ের সংস্কৃতি দূর হবে না।
ডিইউজে সভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদক আরও বলেন, তদন্ত ছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে না— সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে আশ্বস্ত করা হলেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। অবিলম্বে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান নেতারা।
মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম’-এর সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক, একুশে টেলিভিশনের সাবেক প্রধান নির্বাহী মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব আব্দুল জলিল ভূঁইয়া, সাংবাদিক নেতা আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের তৎকালীন (ডিইউজে) সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, সম্পাদক ফোরামের তৎকালীন আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রতন, ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির তৎকালীন সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, ডিইউজের তৎকালীন সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, বঙ্গবন্ধু সাংবাদিক পরিষদের তৎকালীন সদস্যসচিব মোহাম্মদ আবু সাঈদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, বিএফইউজের তৎকালীন মহাসচিব ও নাগরিক টিভির হেড অব নিউজ দীপ আজাদ, ডিবিসি নিউজের সম্পাদক জায়েদুল আহসান পিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম, ডিবিসি নিউজের এডিটর ইন চিফ মঞ্জুরুল ইসলাম, কালবেলার সাবেক সম্পাদক আবেদ খান, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান, এডিটরস গিল্ডের সাবেক সভাপতি ও একাত্তর টিভির সাবেক সিইও মোজাম্মল বাবু, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম, গ্লোবাল টিভির নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, আমাদের সময়ের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক মাঈনুল আলম, বাংলাদেশ জার্নালের সম্পাদক শাহজাহান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির হেড অব নিউজ আশিষ সৈকত, বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক জুলফিকার রাসেল, একাত্তর টিভির হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদ, কিংস নিউজের হেড অব নিউজ নাজমুল হক সৈকত, আরটিভির হেড অব নিউজ মামুনুর রহমান খান।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে প্রায় ১৬ বছর ধরে অগণতান্ত্রিক ও অবৈধ শাসনের মাধ্যমে দেশকে স্বৈরাচারের লীলাভূমিতে পরিণত করেন শেখ হাসিনা। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারিও একতরফা ও সম্পূর্ণ ভুয়া নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন শেখ হাসিনা। হত্যা, গুম, খুন, দুর্নীতি, বৈষম্য ও নিপীড়ন চালিয়ে যান।
এজাহারে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার অন্যতম কারিগর ও চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে কিছু মিডিয়া মোঘল ও ধনিক এলিট শ্রেণি। তারা তাদের বক্তব্য-বিবৃতি, সংবাদ ও অর্থের মাধ্যমে এই অপশাসনকে চালিয়ে নেওয়া ও দীর্ঘায়িত করে এবং সরকারকে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে প্ররোচনা দেয়।
বাদীর অভিযোগ, আসামিরা অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন ও আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার জন্য এবং পুকুর চুরির মাধ্যমে অর্জিত বিত্ত-বৈভব টিকিয়ে রাখার জন্য অবৈধ সরকারকে অন্যায় পথে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার প্ররোচনা দেয়। সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে ব্যবহার করে তারাও বিভিন্ন স্বার্থ হাসিল করে জনগণের অর্থ লুটপাটে নিয়োজিত।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, যে ৩১ জন সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে তারা গত বছরের ২৪ জুলাই শেখ হাসিনার সঙ্গে এডিটরস গিল্ডের নামে গণভবনে বৈঠক করেন। সেখানে তারা শেখ হাসিনাকে আরও গণহত্যা চালাতে সর্বাত্মক সমর্থন দেন। তারা বৈঠকে বলেন, তারা শেখ হাসিনার সঙ্গে আছেন ও প্রয়োজনে যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।
তিনি জানান, ডা. মোস্তফার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার জন্য ঘুষ দেয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
১২ ঘণ্টা আগেঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) একটি গোলটেবিল বৈঠকে বৃহস্পতিবার কতিপয় বহিরাগতদের হামলাকে ন্যাক্কারজনক আখ্যা দিয়ে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিআরইউর নেতৃবৃন্দ।
১২ ঘণ্টা আগেপ্রকৌশলী অধিকার পরিষদের উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান শহিদ বলেন, ‘রংপুরে হুমকির ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ছাত্রদের ওপর হামলার বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উপদেষ্টারা কোনো ব্যবস্থা নেননি।’
১৩ ঘণ্টা আগে