প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
দেশের প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)। সংস্থাটি বলেছে, জাতীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে প্রকৌশলীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে প্রকৌশলীদের পেশাকে ঘিরে এক শ্রেণির ষড়যন্ত্র, অযৌক্তিক পদক্ষেপ ও বিভ্রান্তিমূলক কার্যক্রম উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।
২৭ আগস্ট প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আক্রমণে আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে আইইবি বলেছে, দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতাদের ওপর এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আইইবির বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় বেতনস্কেল–২০১৫–এর ১০ম গ্রেডসহ সব গ্রেড উন্মুক্ত রাখা উচিত। তবে এখানে গ্রেডভিত্তিক ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করতে হবে, যাতে যোগ্য প্রার্থীরা অংশ নিতে পারেন। একই সঙ্গে সংস্থাটি ৯ম গ্রেডে সহকারী প্রকৌশলী পদে বিদ্যমান ৩৩ শতাংশ পদোন্নতির কোটা বাতিলের দাবি জানায়।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, কিছু মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে এই কোটা অতিক্রম করে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে, আবার “চলতি দায়িত্ব” বা “অতিরিক্ত দায়িত্ব” দিয়ে বিধি ভঙ্গের ঘটনা ঘটছে। এর ফলে সহকারী প্রকৌশলী পদে সরাসরি নিয়োগ কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই শূন্য পদ দ্রুততম সময়ে সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে পূরণের দাবি জানিয়েছে আইইবি।
এ ছাড়া উন্নয়ন বাজেট বহুগুণ বাড়লেও বিভিন্ন দপ্তরের কাঠামোয় নতুন প্রকৌশলী পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে জানায় সংগঠনটি। তাদের দাবি, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে জরুরি ভিত্তিতে নতুন পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরা আইইবির সদস্য হলে তাঁদের নামের আগে “Engineer/প্রকৌশলী” ব্যবহার করার সরকারি গেজেট কার্যকর করার দাবিও পুনর্ব্যক্ত করে সংগঠনটি।
আইইবির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, “দেশের প্রকৌশলীরা ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা পেলে আরও উদ্দীপনা নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেবেন। টেকসই বাংলাদেশ গঠনে এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন এখন সময়ের অনিবার্য দাবি।”
দেশের প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)। সংস্থাটি বলেছে, জাতীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে প্রকৌশলীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে প্রকৌশলীদের পেশাকে ঘিরে এক শ্রেণির ষড়যন্ত্র, অযৌক্তিক পদক্ষেপ ও বিভ্রান্তিমূলক কার্যক্রম উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।
২৭ আগস্ট প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আক্রমণে আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে আইইবি বলেছে, দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতাদের ওপর এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আইইবির বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় বেতনস্কেল–২০১৫–এর ১০ম গ্রেডসহ সব গ্রেড উন্মুক্ত রাখা উচিত। তবে এখানে গ্রেডভিত্তিক ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করতে হবে, যাতে যোগ্য প্রার্থীরা অংশ নিতে পারেন। একই সঙ্গে সংস্থাটি ৯ম গ্রেডে সহকারী প্রকৌশলী পদে বিদ্যমান ৩৩ শতাংশ পদোন্নতির কোটা বাতিলের দাবি জানায়।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, কিছু মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে এই কোটা অতিক্রম করে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে, আবার “চলতি দায়িত্ব” বা “অতিরিক্ত দায়িত্ব” দিয়ে বিধি ভঙ্গের ঘটনা ঘটছে। এর ফলে সহকারী প্রকৌশলী পদে সরাসরি নিয়োগ কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই শূন্য পদ দ্রুততম সময়ে সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে পূরণের দাবি জানিয়েছে আইইবি।
এ ছাড়া উন্নয়ন বাজেট বহুগুণ বাড়লেও বিভিন্ন দপ্তরের কাঠামোয় নতুন প্রকৌশলী পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে জানায় সংগঠনটি। তাদের দাবি, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে জরুরি ভিত্তিতে নতুন পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরা আইইবির সদস্য হলে তাঁদের নামের আগে “Engineer/প্রকৌশলী” ব্যবহার করার সরকারি গেজেট কার্যকর করার দাবিও পুনর্ব্যক্ত করে সংগঠনটি।
আইইবির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, “দেশের প্রকৌশলীরা ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা পেলে আরও উদ্দীপনা নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেবেন। টেকসই বাংলাদেশ গঠনে এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন এখন সময়ের অনিবার্য দাবি।”
তিনি জানান, ডা. মোস্তফার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার জন্য ঘুষ দেয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
১৫ ঘণ্টা আগেঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) একটি গোলটেবিল বৈঠকে বৃহস্পতিবার কতিপয় বহিরাগতদের হামলাকে ন্যাক্কারজনক আখ্যা দিয়ে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিআরইউর নেতৃবৃন্দ।
১৫ ঘণ্টা আগেপ্রকৌশলী অধিকার পরিষদের উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান শহিদ বলেন, ‘রংপুরে হুমকির ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ছাত্রদের ওপর হামলার বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উপদেষ্টারা কোনো ব্যবস্থা নেননি।’
১৬ ঘণ্টা আগে