তিস্তা থেকে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য থেকে ব্রিকস: ১৩ খাতে সহযোগিতার রূপরেখা বাংলাদেশ-চীনের

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগতসহ ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একমত হয়েছে দুই দেশ। কোলাজ: রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার লক্ষ্যে অন্তত ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও চীন। তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা থেকে প্রতিরক্ষা যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক করিডোর, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং ব্রিকস সদস্যপদে সহযোগিতাসহ নানা বিষয়ে দুই দেশের সমঝোতার রূপরেখা উঠে এসেছে সফর শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে।

গত শনিবার (২১ জুন) দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে সোমবার রাতে চীনের দালিয়ানে পৌঁছান তিনি। সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ‘সামার দাভোস ২০২৬’ সম্মেলনে অংশ নিয়ে বুধবার দুপুরে তিনি বেইজিং যান। সেখানে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেন তিনি। সফরের শেষ দিনে শুক্রবার সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওই দিন রাতেই দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এই রাষ্ট্রীয় সফর শেষে প্রকাশিত বাংলাদেশ-চীনের যৌথ বিবৃতিতে রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, তিস্তা নদী প্রকল্পে অগ্রগতি, প্রতিরক্ষা যোগাযোগ জোরদার, বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে সমর্থন এবং প্রযুক্তি ও অবকাঠামোয় নতুন অংশীদারত্বের বিষয়ে বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে দুই দেশ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তারা আরও ঘনিষ্ঠ কৌশলগত যোগাযোগ, উন্নয়ন অংশীদারত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমন্বিত অবস্থান গড়ে তুলবে। শুধু বাণিজ্য বা অবকাঠামো নয়, রাজনীতি, প্রতিরক্ষা, পানি ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ অন্তত ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে একমত হয়েছে ঢাকা ও বেইজিং।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক

যৌথ বিবৃতির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ হলো দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ককে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

এ লক্ষ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের সফর অব্যাহত রাখা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ (স্ট্র্যাটেজিক ডায়ালগ) চালু করা এবং পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে সম্ভাব্য ‘২+২’ সংলাপ শুরু করার বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, আইনসভা এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে প্রচলিত অর্থনৈতিক সহযোগিতার বাইরে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্বের দিকে এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।

সার্বভৌমত্ব ও ‘ওয়ান চায়না’ নীতিতে পারস্পরিক সমর্থন

বাংলাদেশ আবারও স্পষ্টভাবে ‘ওয়ান চায়না’ নীতির প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং বাংলাদেশ তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে।

অন্যদিকে চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং নিজস্ব উন্নয়নপথ অনুসরণের অধিকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বিষয়টিকে দুই দেশের পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থার গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অর্থনীতি ও বাণিজ্য

অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে বেশ কিছু বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত এসেছে যৌথ বিবৃতিতে।

দুই দেশ শূন্য শুল্ক সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার, বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়ন, ই-কমার্স এবং আরও বেশি চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণে একসঙ্গে কাজ করবে।

বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল এবং মোংলা বন্দরের উন্নয়নসহ বিভিন্ন শিল্প ও অবকাঠামো প্রকল্পে।

এতে বোঝা যায়, ভবিষ্যতে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বাংলাদেশের উৎপাদনশীল শিল্প ও রপ্তানিমুখী অর্থনীতিতেও চীনের সম্পৃক্ততা বাড়তে পারে।

বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগে নতুন ধাপ

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত ছোট কিন্তু মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরাসরি প্রভাব ফেলে— এমন ‘স্মল অ্যান্ড বিউটিফুল’ প্রকল্পেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছে দুই দেশ।

এতে বড় অবকাঠামোর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্পেও চীনা সহযোগিতা বাড়ার ইঙ্গিত মিলেছে।

তিস্তা ও পানি ব্যবস্থাপনা

যৌথ বিবৃতির অন্যতম আলোচিত অংশ তিস্তা নদী।

চীন জানিয়েছে, তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প বাস্তবায়নে নিজেদের সক্ষমতার মধ্যে সহযোগিতা করবে এবং যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা দ্রুত শেষ করতে কাজ করবে।

এ ছাড়া নদী ব্যবস্থাপনা, ড্রেজিং, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদারের কথাও বলা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে যৌথ বিবৃতিতে স্থান পাওয়ায় বিষয়টি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে।

অবকাঠামো, সংযোগ ও সবুজ উন্নয়ন

দুই দেশ আঞ্চলিক সংযোগ, পরিবহন অবকাঠামো, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সবুজ উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে একমত হয়েছে।

বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সৌরশক্তি এবং সবুজ রূপান্তরকে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

যৌথ বিবৃতিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

দুই দেশ সামরিক প্রতিনিধিদল বিনিময়, প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা সংলাপ, সামরিক শিক্ষা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত হয়েছে।

যদিও নতুন কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তির ঘোষণা আসেনি, তবে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়মিত করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনগণের যোগাযোগ

দুই দেশ শিক্ষা, গবেষণা, বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা, কারিগরি শিক্ষা, বৃত্তি, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম, থিসনট্যাংক, যুব বিনিময়, খেলাধুলা ও পর্যটনসহ জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা, জনস্বাস্থ্য, ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা এবং চিকিৎসা প্রযুক্তি খাতেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতি

ডিজিটাল অর্থনীতি, উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে দুই দেশ।

বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গঠনের ক্ষেত্রে চীনা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার সুযোগও যৌথ বিবৃতিতে তুলে ধরা হয়েছে।

জলবায়ু ও পরিবেশ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে ঢাকা ও বেইজিং।

বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও ব্রিকস

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পারস্পরিক সমর্থনের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

বাংলাদেশ চীনের বিভিন্ন বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। অন্যদিকে চীন ব্রিকসে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রচেষ্টা, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে বাংলাদেশের ভূমিকা আরও জোরদারের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাংলাদেশের বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বার্তা।

রোহিঙ্গা সংকট

যৌথ বিবৃতিতে রোহিঙ্গা সংকটেরও উল্লেখ রয়েছে।

চীন জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য গঠনমূলক ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে।

সামগ্রিক মূল্যায়ন

যৌথ বিবৃতির সামগ্রিক বিশ্লেষণে তিনটি বিষয় সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

প্রথমত, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে শুধু অর্থনৈতিক সহযোগিতার পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে আরও কৌশলগত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, তিস্তা, শিল্পায়ন, বন্দর, ডিজিটাল অর্থনীতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং প্রযুক্তি খাতকে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে।

তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুই দেশ একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্বার্থে আরও প্রকাশ্য সমর্থন দেওয়ার বার্তা দিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘ওয়ান চায়না’ নীতির পুনর্ব্যক্তি এবং চীনের পক্ষ থেকে ব্রিকস ও এসসিও-সংক্রান্ত সমর্থন সেই কৌশলগত বোঝাপড়াকেই আরও স্পষ্ট করেছে।

সব মিলিয়ে, যৌথ বিজ্ঞপ্তিটি শুধু সফরের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি নয়; বরং আগামী কয়েক বছরে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক কোন কোন খাতে এগোবে, তার একটি বিস্তৃত নীতিগত রোডম্যাপ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

দেশের সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমবে না গরম

বৃষ্টিপাতের এই পূর্বাভাসের মধ্যেও দেশের ৩টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজশাহী, পাবনা ও যশোর জেলাসমূহের ওপর দিয়ে যে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা আরও কিছু সময় অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এই সময়ে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা র

১ ঘণ্টা আগে

১৫ বছর পূর্ণ হলে এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

ইসি কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ১৫ বছরের ব্যবধানে একজন মানুষের চেহারা, আঙুলের ছাপ এবং অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্যের পরিবর্তন হতে পারে। কেউ কেউ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লিঙ্গ পরিবর্তনও করেন। এসব কারণে পুরোনো তথ্য দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে নানা জটিলতা তৈরি হয়।

৪ ঘণ্টা আগে

ইতালির রোমে বাংলাদেশি দম্পতি ও শিশুসন্তানকে নৃশংস হত্যা

ইতালি পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে জানা গেছে, নিহতরা হলেন এক বাংলাদেশি দম্পতি ও তাদের মেয়েশিশু। তাদের সবাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই পরিবারের আরেক সদস্য গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

৫ ঘণ্টা আগে

রাজধানীর কাটাবনের বহুতল ভবনে আগুন, নিহত ২

রাত ১টা বেজে ৫ মিনিট। কাটাবনের আল বারাকা বহুতল ভবনের ১২ তলার একটি ফ্লাটে আগুন আবিষ্কার করে পাশের ভবনের বাসিন্দারা। মুহূর্তেই সেই আগুন পৌঁছে যায় ১৩ তলার একটি ফ্ল্যাটেও। প্রচণ্ড ধোঁয়া আর আগুনের লেলিহান শিখায় ছড়িয়ে পরে আতঙ্ক।

৬ ঘণ্টা আগে