
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষ ও কর্মমুখী তরুণ জনশক্তি তৈরি এবং উচ্চশিক্ষায় ডিজিটাল ও কারিগরি সক্ষমতা বাড়াতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে জার্মানি ও ইউনিসেফ। এ লক্ষ্যে জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা এবং ইউনিসেফের সঙ্গে দক্ষতাভিত্তিক কোর্স, মাইক্রো-ক্রেডেনসিয়াল একাডেমি, আইসিটি ও কারিকুলাম উন্নয়নসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) ঢাকার বারিধারায় কূটনৈতিক জোনে অবস্থিত জার্মান দূতাবাসে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লৎসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। এ সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে ড. আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও মানসম্মত শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি এবং উচ্চতর গবেষণায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দক্ষ করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লৎসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার প্রসার ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে জার্মানির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় জার্মান দূতাবাসের পলিটিক্যাল, প্রেস ও কালচারাল সেকশনের ফাস্ট সেক্রেটারি মনিকা রয়টার এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-ইউনিসেফ মতবিনিময়
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে উপাচার্যের দপ্তরের কনফারেন্স হলে ইউনিসেফের গ্লোবাল টিমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাইক্রো-ক্রেডেনসিয়াল একাডেমি প্রতিষ্ঠা ও কোর্স উন্নয়ন, স্কিল বেইজড কোর্স, আইসিটি, ডিজিটাল কনটেন্ট ও কারিকুলাম উন্নয়ন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণার ফিজিবিলিটি স্টাডিসহ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ইউনিসেফের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ইউনিসেফের প্রধান কার্যালয়ের জেনারেশন আনলিমিটেডের সিনিয়র উপদেষ্টা থমাস মাইকেল কে। সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. নাজমুল হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। অনলাইনে যুক্ত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান।
ইউনিসেফের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন ইউনিসেফের প্রধান কার্যালয়ের জেনারেশন আনলিমিটেডের শিক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আপো কুসেলা, পিটুই গ্লোবাল সমন্বয়ক আইরিস মে এলেন ক্যালোগ, প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট ফাহমিদা শবনাম এবং ইস্তানুল কবির।
সভায় ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ: জার্নি, অ্যাচিভমেন্ট অ্যান্ড রোডম্যাপ টু ২০৩০’-এর আওতায় ‘ট্রান্সফর্মিং হায়ার এডুকেশন ফর এ স্কিলড, ডিজিটাল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ’ শীর্ষক কার্যক্রমের অগ্রগতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মমুখী শিক্ষা এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক তরুণ গ্রাজুয়েটকে দক্ষ, কর্মমুখী ও মানবসম্পদে পরিণত করার বিভিন্ন কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দক্ষ, কর্মমুখী, ডিজিটাল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চলমান সহযোগিতা আরও জোরদার এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর দেশের ফরমাল ও ইনফরমাল সেক্টরে ৭০ শতাংশ গ্রাজুয়েট তৈরি করে। বিপুলসংখ্যক গ্রাজুয়েটকে দক্ষ ও কর্মমুখী করে তুলতে ইউনিসেফ বাংলাদেশ যে সহযোগিতা করছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় তারুণ্যের উন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জেনারেশন আনলিমিটেডের এই অংশীদারত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইসিটি ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিতে দেশের অভিজ্ঞ ও দক্ষ বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করেছে। এ কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে ইউনিসেফ বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন।
শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে ড. আমানুল্লাহ বলেন, উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা নিয়ে গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ গবেষণা হবে সারাদেশব্যাপী। প্রধানমন্ত্রীও এই গবেষণা পরিচালনার জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে কর্মমুখী কোর্স চালু করা হয়েছে এবং কারিকুলাম আধুনিকায়নের কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দক্ষ গ্রাজুয়েট প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে আমাদের ডিগ্রিধারীদের দক্ষতা ও যোগ্যতার ব্যাপক চাহিদা তৈরি করতে আমরা কাজ করছি। এ লক্ষ্যে ইউনিসেফ বাংলাদেশকে আমাদের লিড পার্টনার হিসেবে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা করি।’
ইউনিসেফের সিনিয়র উপদেষ্টা থমাস মাইকেল কে বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশাল প্রতিষ্ঠান এবং বিপুলসংখ্যক তরুণ এর সঙ্গে যুক্ত। তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তারা একসঙ্গে কাজ করছেন। বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ প্রয়োজন এবং এই লক্ষ্যেই তাদের অংশীদারত্ব।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার টারশিয়ারি স্তরে কাজ করে যে অভিজ্ঞতা তারা অর্জন করছেন, তার ভিত্তিতে প্রণীত মডেলটি বিশ্বের অন্যান্য দেশেও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. ফকির রফিকুল আলম, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ এইচ এম রুহুল কুদ্দুস, ইনস্টিটিউট অব ফরেনসিক সায়েন্সের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিন কাশেম, শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তরের পরিচালক সালমা পারভীন, ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল ইসলাম এবং আইসিটি (কারিকুলাম)-এর ফোকাল পার্সন সহযোগী অধ্যাপক ড. নাজমা তারা। এ সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও বিভাগের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষ ও কর্মমুখী তরুণ জনশক্তি তৈরি এবং উচ্চশিক্ষায় ডিজিটাল ও কারিগরি সক্ষমতা বাড়াতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে জার্মানি ও ইউনিসেফ। এ লক্ষ্যে জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা এবং ইউনিসেফের সঙ্গে দক্ষতাভিত্তিক কোর্স, মাইক্রো-ক্রেডেনসিয়াল একাডেমি, আইসিটি ও কারিকুলাম উন্নয়নসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) ঢাকার বারিধারায় কূটনৈতিক জোনে অবস্থিত জার্মান দূতাবাসে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লৎসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। এ সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে ড. আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও মানসম্মত শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি এবং উচ্চতর গবেষণায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দক্ষ করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লৎসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার প্রসার ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে জার্মানির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় জার্মান দূতাবাসের পলিটিক্যাল, প্রেস ও কালচারাল সেকশনের ফাস্ট সেক্রেটারি মনিকা রয়টার এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-ইউনিসেফ মতবিনিময়
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে উপাচার্যের দপ্তরের কনফারেন্স হলে ইউনিসেফের গ্লোবাল টিমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাইক্রো-ক্রেডেনসিয়াল একাডেমি প্রতিষ্ঠা ও কোর্স উন্নয়ন, স্কিল বেইজড কোর্স, আইসিটি, ডিজিটাল কনটেন্ট ও কারিকুলাম উন্নয়ন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণার ফিজিবিলিটি স্টাডিসহ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ইউনিসেফের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ইউনিসেফের প্রধান কার্যালয়ের জেনারেশন আনলিমিটেডের সিনিয়র উপদেষ্টা থমাস মাইকেল কে। সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. নাজমুল হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। অনলাইনে যুক্ত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান।
ইউনিসেফের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন ইউনিসেফের প্রধান কার্যালয়ের জেনারেশন আনলিমিটেডের শিক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আপো কুসেলা, পিটুই গ্লোবাল সমন্বয়ক আইরিস মে এলেন ক্যালোগ, প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট ফাহমিদা শবনাম এবং ইস্তানুল কবির।
সভায় ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ: জার্নি, অ্যাচিভমেন্ট অ্যান্ড রোডম্যাপ টু ২০৩০’-এর আওতায় ‘ট্রান্সফর্মিং হায়ার এডুকেশন ফর এ স্কিলড, ডিজিটাল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ’ শীর্ষক কার্যক্রমের অগ্রগতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মমুখী শিক্ষা এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক তরুণ গ্রাজুয়েটকে দক্ষ, কর্মমুখী ও মানবসম্পদে পরিণত করার বিভিন্ন কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দক্ষ, কর্মমুখী, ডিজিটাল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চলমান সহযোগিতা আরও জোরদার এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর দেশের ফরমাল ও ইনফরমাল সেক্টরে ৭০ শতাংশ গ্রাজুয়েট তৈরি করে। বিপুলসংখ্যক গ্রাজুয়েটকে দক্ষ ও কর্মমুখী করে তুলতে ইউনিসেফ বাংলাদেশ যে সহযোগিতা করছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় তারুণ্যের উন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জেনারেশন আনলিমিটেডের এই অংশীদারত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইসিটি ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিতে দেশের অভিজ্ঞ ও দক্ষ বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করেছে। এ কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে ইউনিসেফ বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন।
শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে ড. আমানুল্লাহ বলেন, উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা নিয়ে গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ গবেষণা হবে সারাদেশব্যাপী। প্রধানমন্ত্রীও এই গবেষণা পরিচালনার জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে কর্মমুখী কোর্স চালু করা হয়েছে এবং কারিকুলাম আধুনিকায়নের কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দক্ষ গ্রাজুয়েট প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে আমাদের ডিগ্রিধারীদের দক্ষতা ও যোগ্যতার ব্যাপক চাহিদা তৈরি করতে আমরা কাজ করছি। এ লক্ষ্যে ইউনিসেফ বাংলাদেশকে আমাদের লিড পার্টনার হিসেবে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা করি।’
ইউনিসেফের সিনিয়র উপদেষ্টা থমাস মাইকেল কে বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশাল প্রতিষ্ঠান এবং বিপুলসংখ্যক তরুণ এর সঙ্গে যুক্ত। তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তারা একসঙ্গে কাজ করছেন। বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ প্রয়োজন এবং এই লক্ষ্যেই তাদের অংশীদারত্ব।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার টারশিয়ারি স্তরে কাজ করে যে অভিজ্ঞতা তারা অর্জন করছেন, তার ভিত্তিতে প্রণীত মডেলটি বিশ্বের অন্যান্য দেশেও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. ফকির রফিকুল আলম, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ এইচ এম রুহুল কুদ্দুস, ইনস্টিটিউট অব ফরেনসিক সায়েন্সের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিন কাশেম, শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তরের পরিচালক সালমা পারভীন, ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল ইসলাম এবং আইসিটি (কারিকুলাম)-এর ফোকাল পার্সন সহযোগী অধ্যাপক ড. নাজমা তারা। এ সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও বিভাগের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আগামী বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৩টায় শুরু হবে। সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফায় দেওয়া ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের কিছু অংশে আগামীকাল বুধবার (১২ আগস্ট) সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। কোথাও এটি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হিসেবে দেখা যাবে। পূর্ণগ্রাসের এই অবস্থা আড়াই মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী হবে। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা যাবে আংশিক সূর্যগ্রহণ।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় টার্মিনালটির কার্যক্রম আংশিকভাবে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এর একটি অংশ এখন চালু রয়েছে। তবে অন্য অংশটি এখনও পুরোপুরি সচল হয়নি। দ্বিতীয় অংশটি সচল করতে গেলে বর্তমানে চলমান অংশটিও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে গেছে। আগামী ২৭ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে