
মো. ফেরদাউস মোবারক

বাংলাদেশে গ্রীষ্ম এখন আর কেবল মৌসুমি অস্বস্তির বিষয় নয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, অতিরিক্ত আর্দ্রতা এবং চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার ক্রমবর্ধমান প্রকোপ গরমকে এমন এক চ্যালেঞ্জে পরিণত করেছে, যার প্রভাব পড়ছে লাখো মানুষের ওপর।
রাস্তায় হাঁটা মানুষ, রিকশাচালক, মাঠে কাজ করা কৃষক, নির্মাণশ্রমিক কিংবা ছোট দোকানের কর্মীরা প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন এবং কখনো কখনো তাদের জন্য পরিস্থিতি বিপজ্জনকও হয়ে উঠছে। অথচ এই গরমের মাসগুলোতেই কিছু রাজনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা ও সরকারি কর্মকর্তা জনসমক্ষে ভারী স্যুট ও টাই পরে উপস্থিত হচ্ছেন— যে পোশাক মূলত অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা আবহাওয়ার জন্য তৈরি।
আনুষ্ঠানিক পোশাক পেশাদারিত্ব, কর্তৃত্ব ও মর্যাদার প্রতীক হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের চরম গরমে এটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলেই মনে হতে পারে।
স্যুটের একাধিক স্তর— মোটা কাপড়, টাই এবং কখনো ওয়েস্টকোট— শরীরের তাপ আটকে রাখে এবং বাতাস চলাচলের সুযোগ কমিয়ে দেয়। যারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিস বা গাড়ির ভেতরে স্যুট পরেন, তাদের হয়তো এই অস্বস্তি অনুভব করতে হয় না। কিন্তু জনসমাগম, সমাবেশ বা মাঠপর্যায়ের পরিদর্শনের জন্য বাইরে বের হলে এই বৈপরীত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার জন্য ব্যবহারিক পোশাক প্রয়োজন। হালকা সুতির শার্ট, পাঞ্জাবি এবং বাতাস চলাচল করতে পারে— এমন অন্যান্য কাপড় দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই। দেশের আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই ঐতিহ্যবাহী পোশাকের বিকাশ ঘটেছে, যা দীর্ঘ সময়ের গরমে আরাম ও চলাফেরা স্বস্তি দেয়।
তবে সময়ের সঙ্গে পশ্চিমা আনুষ্ঠানিক পোশাক ক্ষমতা, মর্যাদা ও সরকারি কর্তৃত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। স্যুট হয়ে উঠেছে গাম্ভীর্য ও পেশাদারিত্বের প্রতীক— এটি এমন এক ঔপনিবেশিক মানসিকতার উত্তরাধিকার, যেখানে পশ্চিমা পোশাক-পরিচ্ছদকে আধুনিকতা ও মর্যাদার সঙ্গে প্রায়ই এক করে দেখা হতো।
সমস্যা স্যুট নিজে নয়। কূটনৈতিক বৈঠক, আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান এবং ঘরের ভেতরের সরকারি আনুষ্ঠানিক আয়োজনে আনুষ্ঠানিক পোশাকের প্রয়োজন রয়েছে। উদ্বেগের জায়গাটি তৈরি হয় তখনই, যখন কর্তৃত্বের প্রকাশ্য প্রতীকগুলো তাদের প্রতিনিধিত্ব করা মানুষের মুখোমুখি হওয়া জলবায়ু সংকট থেকে বিচ্ছিন্ন বলে মনে হয়।
সাধারণ বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা এর সম্পূর্ণ বিপরীত। একজন রিকশাচালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা সরাসরি রোদের নিচে থাকেন। একজন নির্মাণশ্রমিক সীমিত সুরক্ষা নিয়ে প্রচণ্ড গরমে কাজ করেন। তাপমাত্রা বাড়তে থাকলেও কৃষকেরা মাঠে কাজ চালিয়ে যান। অন্যদিকে, ছায়া বা ঠান্ডা পরিবেশের খুব কম সুযোগ নিয়ে ফুটপাতের ওপর দীর্ঘ সময় কাটান হকাররা।
অনেকের কাছেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নাগালের বাইরে। এমনকি পানীয় জল, বিশ্রামের জায়গা ও তাপ থেকে বাঁচার আশ্রয়ের মতো মৌলিক ব্যবস্থাও সীমিত। দীর্ঘস্থায়ী গরমের সময় অতিরিক্ত গরমে অসুস্থতা, পানিশূন্যতা এবং তাপজনিত বিভিন্ন রোগ ক্রমেই সাধারণ হয়ে উঠছে।
এমন পরিস্থিতিতে তাপপ্রবাহের সময় কোনো নেতা বা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ভারী স্যুট পরে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে নামলে সেই দৃশ্য অনিচ্ছাকৃতভাবেই এক ধরনের দূরত্বের অনুভূতি তৈরি করতে পারে। এতে এমন একটি ধারণা তৈরি হতে পারে যে, ক্ষমতার অবস্থানে থাকা ব্যক্তিরা যে বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যান, তাদের সেবা করা নাগরিকদের বাস্তবতা তার চেয়ে ভিন্ন।
উষ্ণ আবহাওয়ার অনেক দেশে নেতারা স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে জনসমক্ষে নিজেদের পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেছেন। তারা হালকা কাপড় এবং আবহাওয়ার উপযোগী আনুষ্ঠানিক পোশাক বেছে নিয়েছেন। এসব সিদ্ধান্ত শুধু আরামের বিষয় নয়; এর সঙ্গে সাংস্কৃতিক পরিচয় ও পরিবেশ সচেতনতার বিষয়ও জড়িত।
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলা করতে গিয়ে ভবন, কর্মক্ষেত্র ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড কীভাবে বাড়তে থাকা তাপমাত্রার সঙ্গে খাপ খাওয়াবে, তা বাংলাদেশকে নতুন করে ভাবতে হবে। চরম গরমে ভারী আনুষ্ঠানিক পোশাক প্রায়ই শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা বাড়ায়, যা বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।
গ্রীষ্মকালে সরকারি দপ্তর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো জলবায়ু সচেতন পোশাক ব্যবহারে উৎসাহ দিতে পারে। হালকা কাপড়, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত উপকরণ এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাক আরাম ও মর্যাদা— দুটিই নিশ্চিত করতে পারে।
নেতাদের প্রতীকী প্রভাব রয়েছে। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ যখন সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা ও আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তখন তা মানুষের সঙ্গে সংযোগ ও সহমর্মিতার একটি বার্তা দেয়।
বাংলাদেশের গ্রীষ্মে স্যুট পরা নিয়ে বিতর্কটি কেবল ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় নয়। এটি একটি বৃহত্তর প্রশ্নের প্রতিফলন: জনপরিচিত ব্যক্তিরা কি প্রতিদিন লাখো মানুষ যে জলবায়ু বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন, তা উপলব্ধি করেন?
তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করা একটি দেশে পোশাকের অর্থ শুধু মর্যাদা প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। পোশাকে ব্যবহারিকতা, পরিবেশগত দায়িত্ববোধ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি সংহতিরও প্রতিফলন থাকা উচিত।
লেখক: সাংবাদিক

বাংলাদেশে গ্রীষ্ম এখন আর কেবল মৌসুমি অস্বস্তির বিষয় নয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, অতিরিক্ত আর্দ্রতা এবং চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার ক্রমবর্ধমান প্রকোপ গরমকে এমন এক চ্যালেঞ্জে পরিণত করেছে, যার প্রভাব পড়ছে লাখো মানুষের ওপর।
রাস্তায় হাঁটা মানুষ, রিকশাচালক, মাঠে কাজ করা কৃষক, নির্মাণশ্রমিক কিংবা ছোট দোকানের কর্মীরা প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন এবং কখনো কখনো তাদের জন্য পরিস্থিতি বিপজ্জনকও হয়ে উঠছে। অথচ এই গরমের মাসগুলোতেই কিছু রাজনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা ও সরকারি কর্মকর্তা জনসমক্ষে ভারী স্যুট ও টাই পরে উপস্থিত হচ্ছেন— যে পোশাক মূলত অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা আবহাওয়ার জন্য তৈরি।
আনুষ্ঠানিক পোশাক পেশাদারিত্ব, কর্তৃত্ব ও মর্যাদার প্রতীক হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের চরম গরমে এটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলেই মনে হতে পারে।
স্যুটের একাধিক স্তর— মোটা কাপড়, টাই এবং কখনো ওয়েস্টকোট— শরীরের তাপ আটকে রাখে এবং বাতাস চলাচলের সুযোগ কমিয়ে দেয়। যারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিস বা গাড়ির ভেতরে স্যুট পরেন, তাদের হয়তো এই অস্বস্তি অনুভব করতে হয় না। কিন্তু জনসমাগম, সমাবেশ বা মাঠপর্যায়ের পরিদর্শনের জন্য বাইরে বের হলে এই বৈপরীত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার জন্য ব্যবহারিক পোশাক প্রয়োজন। হালকা সুতির শার্ট, পাঞ্জাবি এবং বাতাস চলাচল করতে পারে— এমন অন্যান্য কাপড় দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই। দেশের আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই ঐতিহ্যবাহী পোশাকের বিকাশ ঘটেছে, যা দীর্ঘ সময়ের গরমে আরাম ও চলাফেরা স্বস্তি দেয়।
তবে সময়ের সঙ্গে পশ্চিমা আনুষ্ঠানিক পোশাক ক্ষমতা, মর্যাদা ও সরকারি কর্তৃত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। স্যুট হয়ে উঠেছে গাম্ভীর্য ও পেশাদারিত্বের প্রতীক— এটি এমন এক ঔপনিবেশিক মানসিকতার উত্তরাধিকার, যেখানে পশ্চিমা পোশাক-পরিচ্ছদকে আধুনিকতা ও মর্যাদার সঙ্গে প্রায়ই এক করে দেখা হতো।
সমস্যা স্যুট নিজে নয়। কূটনৈতিক বৈঠক, আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান এবং ঘরের ভেতরের সরকারি আনুষ্ঠানিক আয়োজনে আনুষ্ঠানিক পোশাকের প্রয়োজন রয়েছে। উদ্বেগের জায়গাটি তৈরি হয় তখনই, যখন কর্তৃত্বের প্রকাশ্য প্রতীকগুলো তাদের প্রতিনিধিত্ব করা মানুষের মুখোমুখি হওয়া জলবায়ু সংকট থেকে বিচ্ছিন্ন বলে মনে হয়।
সাধারণ বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা এর সম্পূর্ণ বিপরীত। একজন রিকশাচালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা সরাসরি রোদের নিচে থাকেন। একজন নির্মাণশ্রমিক সীমিত সুরক্ষা নিয়ে প্রচণ্ড গরমে কাজ করেন। তাপমাত্রা বাড়তে থাকলেও কৃষকেরা মাঠে কাজ চালিয়ে যান। অন্যদিকে, ছায়া বা ঠান্ডা পরিবেশের খুব কম সুযোগ নিয়ে ফুটপাতের ওপর দীর্ঘ সময় কাটান হকাররা।
অনেকের কাছেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নাগালের বাইরে। এমনকি পানীয় জল, বিশ্রামের জায়গা ও তাপ থেকে বাঁচার আশ্রয়ের মতো মৌলিক ব্যবস্থাও সীমিত। দীর্ঘস্থায়ী গরমের সময় অতিরিক্ত গরমে অসুস্থতা, পানিশূন্যতা এবং তাপজনিত বিভিন্ন রোগ ক্রমেই সাধারণ হয়ে উঠছে।
এমন পরিস্থিতিতে তাপপ্রবাহের সময় কোনো নেতা বা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ভারী স্যুট পরে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে নামলে সেই দৃশ্য অনিচ্ছাকৃতভাবেই এক ধরনের দূরত্বের অনুভূতি তৈরি করতে পারে। এতে এমন একটি ধারণা তৈরি হতে পারে যে, ক্ষমতার অবস্থানে থাকা ব্যক্তিরা যে বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যান, তাদের সেবা করা নাগরিকদের বাস্তবতা তার চেয়ে ভিন্ন।
উষ্ণ আবহাওয়ার অনেক দেশে নেতারা স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে জনসমক্ষে নিজেদের পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেছেন। তারা হালকা কাপড় এবং আবহাওয়ার উপযোগী আনুষ্ঠানিক পোশাক বেছে নিয়েছেন। এসব সিদ্ধান্ত শুধু আরামের বিষয় নয়; এর সঙ্গে সাংস্কৃতিক পরিচয় ও পরিবেশ সচেতনতার বিষয়ও জড়িত।
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলা করতে গিয়ে ভবন, কর্মক্ষেত্র ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড কীভাবে বাড়তে থাকা তাপমাত্রার সঙ্গে খাপ খাওয়াবে, তা বাংলাদেশকে নতুন করে ভাবতে হবে। চরম গরমে ভারী আনুষ্ঠানিক পোশাক প্রায়ই শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা বাড়ায়, যা বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।
গ্রীষ্মকালে সরকারি দপ্তর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো জলবায়ু সচেতন পোশাক ব্যবহারে উৎসাহ দিতে পারে। হালকা কাপড়, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত উপকরণ এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাক আরাম ও মর্যাদা— দুটিই নিশ্চিত করতে পারে।
নেতাদের প্রতীকী প্রভাব রয়েছে। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ যখন সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা ও আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তখন তা মানুষের সঙ্গে সংযোগ ও সহমর্মিতার একটি বার্তা দেয়।
বাংলাদেশের গ্রীষ্মে স্যুট পরা নিয়ে বিতর্কটি কেবল ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় নয়। এটি একটি বৃহত্তর প্রশ্নের প্রতিফলন: জনপরিচিত ব্যক্তিরা কি প্রতিদিন লাখো মানুষ যে জলবায়ু বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন, তা উপলব্ধি করেন?
তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করা একটি দেশে পোশাকের অর্থ শুধু মর্যাদা প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। পোশাকে ব্যবহারিকতা, পরিবেশগত দায়িত্ববোধ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি সংহতিরও প্রতিফলন থাকা উচিত।
লেখক: সাংবাদিক

দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় টার্মিনালটির কার্যক্রম আংশিকভাবে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এর একটি অংশ এখন চালু রয়েছে। তবে অন্য অংশটি এখনও পুরোপুরি সচল হয়নি। দ্বিতীয় অংশটি সচল করতে গেলে বর্তমানে চলমান অংশটিও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে গেছে। আগামী ২৭ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১১ আগস্ট) সকালে সিঙ্গাপুরের একটি হোটেলে বাংলাদেশ চেম্বার অব সিঙ্গাপুর আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সিঙ্গাপুরে বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন পেশাজীবীরা অংশ নেন।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকার মহানগর হাকিম নাজমিন আক্তার গত ২৮ জুন এ সমন জারি করেছিলেন। এ খবর জানাজানি হয়েছে আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট)। সমনে আসামিদের আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে