
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বের কিছু অংশে আগামীকাল বুধবার (১২ আগস্ট) সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। কোথাও এটি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হিসেবে দেখা যাবে। পূর্ণগ্রাসের এই অবস্থা আড়াই মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী হবে। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা যাবে আংশিক সূর্যগ্রহণ।
উত্তর রাশিয়া, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, স্পেন এবং পর্তুগালের কিছু অংশে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। নাসার তথ্য অনুযায়ী, সূর্য পুরোপুরি আচ্ছাদিত হওয়ার মুহূর্ত বা টোটালিটি শুরু হবে উত্তর রাশিয়ার একটি ছোট ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে, দুপুরের দিকে।
এরপর পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের পথ পৃথিবীর ওপর দিয়ে পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যার শেষ ভাগে, সূর্যাস্তের ঠিক আগে, এটি স্পেনে পৌঁছাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাংশ, কানাডা, উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকা এবং ইউরোপের কিছু অংশে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এসব এলাকার কিছু স্থানে সূর্যের ৯০ শতাংশ বা তারও বেশি অংশ চাঁদের আড়ালে চলে যাবে।
আফ্রিকার কিছু অংশ এবং মূল ভূখণ্ড ইউরোপে এ সূর্যগ্রহণ আরও বিশেষ হয়ে উঠবে। কারণ সেখানে সূর্যাস্তের সময়ও আংশিক গ্রহণ চলতে থাকবে। এ ঘটনাকে ‘সূর্যাস্ত গ্রহণ’ বলা হয়।
কীভাবে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে?
সানগ্লাস পরেও কখনো সরাসরি সূর্যগ্রহণের দিকে তাকানো উচিত নয়। কারণ সাধারণ সানগ্লাস পর্যাপ্ত সুরক্ষা দেয় না। এভাবে সূর্যের দিকে তাকালে চোখের রেটিনার স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
সূর্যের দিকে তাকাতে হলে কেবল বিশেষ গ্রহণ-পর্যবেক্ষণ চশমা ব্যবহার করতে হবে। এসব চশমা সাধারণ সানগ্লাসের তুলনায় হাজার হাজার গুণ বেশি অন্ধকার। গ্রহণ দেখার জন্য ISO 12312-2 আন্তর্জাতিক মান পূরণ করে এমন চশমা ব্যবহার করতে হয়।
তবে গ্রহণ-পর্যবেক্ষণ চশমা পরা অবস্থাতেও ক্যামেরার লেন্স, টেলিস্কোপ, দূরবীন বা অন্য কোনো অপটিক্যাল যন্ত্রের মাধ্যমে সূর্যের দিকে তাকানো ঠিক নয়।
নাসার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করলে কেন্দ্রীভূত সূর্যের আলো ফিল্টার ভেদ করে চোখে আঘাত করতে পারে।
পিনহোল প্রজেক্টরেও দেখা যাবে
সূর্যের সরাসরি দিকে না তাকিয়েও এর প্রতিচ্ছবি পরোক্ষভাবে দেখে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যায়। এ জন্য একটি ছিদ্রযুক্ত ঝাঁঝরি বা ছোট ছিদ্র করা কার্ড ব্যবহার করে পিনহোল প্রজেক্টর তৈরি করা যেতে পারে।
এর একটি উপায় হলো দুটি কার্ড ব্যবহার করা। সূর্যের দিকে পিঠ দিয়ে দাঁড়িয়ে কার্ড দুটিকে কাঁধের ওপর সামনে ধরতে হবে। একটি কার্ড থাকবে আরেকটির পেছনে, যাতে কাছের কার্ডটির ছায়া পেছনের কার্ডটির ওপর পড়ে।
কাছের কার্ডটিতে একটি ছোট ছিদ্র করলে সূর্যের আলো সেটি দিয়ে প্রবেশ করে পেছনের কার্ডের ওপর ছোট বৃত্তের মতো একটি প্রতিচ্ছবি তৈরি করবে।
কাছের কার্ডের পরিবর্তে এক বা একাধিক ছিদ্রযুক্ত কোনো বস্তু, যেমন একটি ঝাঁঝরিও ব্যবহার করা যায়। তখন গ্রহণ চলার সময় চাঁদ কীভাবে ধীরে ধীরে আলোর বৃত্তটিকে আড়াল করছে, তা দেখা যাবে।
আর এসব কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা সম্ভব না হলে, আবহাওয়া বাধা হয়ে দাঁড়ালে কিংবা আপনি এমন কোনো অঞ্চলে থাকলে যেখানে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না, নাসার সম্প্রচারসহ বিভিন্ন লাইভস্ট্রিমের মাধ্যমে গ্রহণটি দেখা যেতে পারে।
সূর্যগ্রহণ কী?
চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করার সময় সূর্যের কিছু বা পুরো আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে বাধা পেলে সূর্যগ্রহণ হয়।
সূর্যগ্রহণের ধরন কয়েকটি। আপনি কোন ধরনের গ্রহণ দেখতে পাবেন, তা নির্ভর করে পৃথিবীতে আপনার অবস্থান এবং ওই সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে কত দূরে রয়েছে—এমন কয়েকটি বিষয়ের ওপর।
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে এবং চাঁদ সূর্যের চাকতিকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলে। এতে দিনের আকাশ ভোর বা গোধূলির মতো অন্ধকার হয়ে যায়।
চাঁদের ছায়ার মধ্যবর্তী অংশ, অর্থাৎ প্রচ্ছায়ার মধ্যে অবস্থান করলে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। গ্রহণের সময় কখনো কখনো সূর্যের চারপাশে একটি উজ্জ্বল বলয়ও দেখা যায়। এটি সূর্যের একেবারে বাইরের বায়ুমণ্ডল, যাকে করোনা বলা হয়। সাধারণত সূর্যের পৃষ্ঠের তীব্র উজ্জ্বলতার কারণে করোনা দেখা যায় না।
অন্যদিকে, চাঁদের বাইরের ছায়া বা উপচ্ছায়ার মধ্যে অবস্থান করলে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। এ সময় চাঁদ সূর্যের একটি অংশ ঢেকে ফেলে এবং সূর্যকে অর্ধচন্দ্রাকৃতির দেখায়।
আর বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ সূর্যের সামনে আসে, কিন্তু পৃথিবী থেকে এত দূরে থাকে যে সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না।
চাঁদের কক্ষপথ পুরোপুরি বৃত্তাকার নয়, বরং উপবৃত্তাকার। তাই চাঁদ যখন পৃথিবী থেকে তার সর্বাধিক দূরত্বে বা তার কাছাকাছি অবস্থান করে সূর্যের সামনে দিয়ে যায়, তখন তাকে তুলনামূলক ছোট দেখায়। এ ধরনের গ্রহণে চাঁদের চারপাশে সূর্যের উজ্জ্বল চাকতি দেখা যায়।
এসব ধরনের সূর্যগ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ থেকে আলাদা। চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করে এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে।

বিশ্বের কিছু অংশে আগামীকাল বুধবার (১২ আগস্ট) সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। কোথাও এটি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হিসেবে দেখা যাবে। পূর্ণগ্রাসের এই অবস্থা আড়াই মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী হবে। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা যাবে আংশিক সূর্যগ্রহণ।
উত্তর রাশিয়া, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, স্পেন এবং পর্তুগালের কিছু অংশে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। নাসার তথ্য অনুযায়ী, সূর্য পুরোপুরি আচ্ছাদিত হওয়ার মুহূর্ত বা টোটালিটি শুরু হবে উত্তর রাশিয়ার একটি ছোট ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে, দুপুরের দিকে।
এরপর পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের পথ পৃথিবীর ওপর দিয়ে পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যার শেষ ভাগে, সূর্যাস্তের ঠিক আগে, এটি স্পেনে পৌঁছাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাংশ, কানাডা, উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকা এবং ইউরোপের কিছু অংশে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এসব এলাকার কিছু স্থানে সূর্যের ৯০ শতাংশ বা তারও বেশি অংশ চাঁদের আড়ালে চলে যাবে।
আফ্রিকার কিছু অংশ এবং মূল ভূখণ্ড ইউরোপে এ সূর্যগ্রহণ আরও বিশেষ হয়ে উঠবে। কারণ সেখানে সূর্যাস্তের সময়ও আংশিক গ্রহণ চলতে থাকবে। এ ঘটনাকে ‘সূর্যাস্ত গ্রহণ’ বলা হয়।
কীভাবে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে?
সানগ্লাস পরেও কখনো সরাসরি সূর্যগ্রহণের দিকে তাকানো উচিত নয়। কারণ সাধারণ সানগ্লাস পর্যাপ্ত সুরক্ষা দেয় না। এভাবে সূর্যের দিকে তাকালে চোখের রেটিনার স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
সূর্যের দিকে তাকাতে হলে কেবল বিশেষ গ্রহণ-পর্যবেক্ষণ চশমা ব্যবহার করতে হবে। এসব চশমা সাধারণ সানগ্লাসের তুলনায় হাজার হাজার গুণ বেশি অন্ধকার। গ্রহণ দেখার জন্য ISO 12312-2 আন্তর্জাতিক মান পূরণ করে এমন চশমা ব্যবহার করতে হয়।
তবে গ্রহণ-পর্যবেক্ষণ চশমা পরা অবস্থাতেও ক্যামেরার লেন্স, টেলিস্কোপ, দূরবীন বা অন্য কোনো অপটিক্যাল যন্ত্রের মাধ্যমে সূর্যের দিকে তাকানো ঠিক নয়।
নাসার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করলে কেন্দ্রীভূত সূর্যের আলো ফিল্টার ভেদ করে চোখে আঘাত করতে পারে।
পিনহোল প্রজেক্টরেও দেখা যাবে
সূর্যের সরাসরি দিকে না তাকিয়েও এর প্রতিচ্ছবি পরোক্ষভাবে দেখে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যায়। এ জন্য একটি ছিদ্রযুক্ত ঝাঁঝরি বা ছোট ছিদ্র করা কার্ড ব্যবহার করে পিনহোল প্রজেক্টর তৈরি করা যেতে পারে।
এর একটি উপায় হলো দুটি কার্ড ব্যবহার করা। সূর্যের দিকে পিঠ দিয়ে দাঁড়িয়ে কার্ড দুটিকে কাঁধের ওপর সামনে ধরতে হবে। একটি কার্ড থাকবে আরেকটির পেছনে, যাতে কাছের কার্ডটির ছায়া পেছনের কার্ডটির ওপর পড়ে।
কাছের কার্ডটিতে একটি ছোট ছিদ্র করলে সূর্যের আলো সেটি দিয়ে প্রবেশ করে পেছনের কার্ডের ওপর ছোট বৃত্তের মতো একটি প্রতিচ্ছবি তৈরি করবে।
কাছের কার্ডের পরিবর্তে এক বা একাধিক ছিদ্রযুক্ত কোনো বস্তু, যেমন একটি ঝাঁঝরিও ব্যবহার করা যায়। তখন গ্রহণ চলার সময় চাঁদ কীভাবে ধীরে ধীরে আলোর বৃত্তটিকে আড়াল করছে, তা দেখা যাবে।
আর এসব কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা সম্ভব না হলে, আবহাওয়া বাধা হয়ে দাঁড়ালে কিংবা আপনি এমন কোনো অঞ্চলে থাকলে যেখানে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না, নাসার সম্প্রচারসহ বিভিন্ন লাইভস্ট্রিমের মাধ্যমে গ্রহণটি দেখা যেতে পারে।
সূর্যগ্রহণ কী?
চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করার সময় সূর্যের কিছু বা পুরো আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে বাধা পেলে সূর্যগ্রহণ হয়।
সূর্যগ্রহণের ধরন কয়েকটি। আপনি কোন ধরনের গ্রহণ দেখতে পাবেন, তা নির্ভর করে পৃথিবীতে আপনার অবস্থান এবং ওই সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে কত দূরে রয়েছে—এমন কয়েকটি বিষয়ের ওপর।
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে এবং চাঁদ সূর্যের চাকতিকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলে। এতে দিনের আকাশ ভোর বা গোধূলির মতো অন্ধকার হয়ে যায়।
চাঁদের ছায়ার মধ্যবর্তী অংশ, অর্থাৎ প্রচ্ছায়ার মধ্যে অবস্থান করলে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। গ্রহণের সময় কখনো কখনো সূর্যের চারপাশে একটি উজ্জ্বল বলয়ও দেখা যায়। এটি সূর্যের একেবারে বাইরের বায়ুমণ্ডল, যাকে করোনা বলা হয়। সাধারণত সূর্যের পৃষ্ঠের তীব্র উজ্জ্বলতার কারণে করোনা দেখা যায় না।
অন্যদিকে, চাঁদের বাইরের ছায়া বা উপচ্ছায়ার মধ্যে অবস্থান করলে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। এ সময় চাঁদ সূর্যের একটি অংশ ঢেকে ফেলে এবং সূর্যকে অর্ধচন্দ্রাকৃতির দেখায়।
আর বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ সূর্যের সামনে আসে, কিন্তু পৃথিবী থেকে এত দূরে থাকে যে সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না।
চাঁদের কক্ষপথ পুরোপুরি বৃত্তাকার নয়, বরং উপবৃত্তাকার। তাই চাঁদ যখন পৃথিবী থেকে তার সর্বাধিক দূরত্বে বা তার কাছাকাছি অবস্থান করে সূর্যের সামনে দিয়ে যায়, তখন তাকে তুলনামূলক ছোট দেখায়। এ ধরনের গ্রহণে চাঁদের চারপাশে সূর্যের উজ্জ্বল চাকতি দেখা যায়।
এসব ধরনের সূর্যগ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ থেকে আলাদা। চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করে এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে।

ঢাকার মহানগর হাকিম নাজমিন আক্তার গত ২৮ জুন এ সমন জারি করেছিলেন। এ খবর জানাজানি হয়েছে আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট)। সমনে আসামিদের আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে করা হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। এটিই ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার প্রথম রা
১৫ ঘণ্টা আগে
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য— কমিশন গঠন ও এর মেয়াদকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে; একজন চেয়ারপারসন ও চারজন কমিশনার সমন্বয়ে যে কমিশন গঠিত হবে, তাতে ন্যূনতম একজন নারী অন্তর্ভুক্তির বিধান রাখা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
জুলাইয়ে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দুই মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও হাছান মাহমুদের সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। ফোনালাপের রেকর্ড সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে প্রসিকিউশন। ওবায়দুল কাদেরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানিকালে প্রসিকিউশন এটি উপস্থা
১৬ ঘণ্টা আগে