
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ সময় ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত মেডিকেল টিম গঠন, সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা, জরুরি বিভাগ ও ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান এ নির্দেশনা জারি করেন।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে এবং চিকিৎসা সেবায় কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো যাবে না।
নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিটি সিটি কর্পোরেশনে ৬টি করে মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে থাকবে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে অন্তত ১টি মেডিকেল টিম। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক জনবলের প্রাপ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী এসব টিমের সদস্য নির্ধারণ করবেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জরুরি বিভাগে রোগীর চাপ বাড়তে পারে- এই বিবেচনায় প্রয়োজনে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিতে হবে। একই সঙ্গে সব সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত রোগী পরিবহন নিশ্চিত করা যায়।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। কোনো কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটিতে থাকলে যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদান করতে হবে এবং তার নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে।
বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর জন্য আলাদা করে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করে জরুরি বিভাগ চালু রাখতে হবে। কোনো রোগী রেফার করার প্রয়োজন হলে আগে অবশ্যই প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে এবং যথাযথ কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে রেফার করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনে লজিস্টিক, অ্যাম্বুলেন্স ও জনবল সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান টানা ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না। জরুরি বিভাগ, ভর্তি বিভাগ, ল্যাব, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার যথারীতি খোলা রাখতে হবে।
এ ছাড়া বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সমন্বয় ও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনকালীন সময়ে জনসমাগম পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন চলাকালে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা যেন নির্বিঘ্ন থাকে, সেটিই নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ সময় ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত মেডিকেল টিম গঠন, সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা, জরুরি বিভাগ ও ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান এ নির্দেশনা জারি করেন।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে এবং চিকিৎসা সেবায় কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো যাবে না।
নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিটি সিটি কর্পোরেশনে ৬টি করে মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে থাকবে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে অন্তত ১টি মেডিকেল টিম। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক জনবলের প্রাপ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী এসব টিমের সদস্য নির্ধারণ করবেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জরুরি বিভাগে রোগীর চাপ বাড়তে পারে- এই বিবেচনায় প্রয়োজনে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিতে হবে। একই সঙ্গে সব সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত রোগী পরিবহন নিশ্চিত করা যায়।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। কোনো কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটিতে থাকলে যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদান করতে হবে এবং তার নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে।
বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর জন্য আলাদা করে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করে জরুরি বিভাগ চালু রাখতে হবে। কোনো রোগী রেফার করার প্রয়োজন হলে আগে অবশ্যই প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে এবং যথাযথ কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে রেফার করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনে লজিস্টিক, অ্যাম্বুলেন্স ও জনবল সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান টানা ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না। জরুরি বিভাগ, ভর্তি বিভাগ, ল্যাব, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার যথারীতি খোলা রাখতে হবে।
এ ছাড়া বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সমন্বয় ও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনকালীন সময়ে জনসমাগম পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন চলাকালে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা যেন নির্বিঘ্ন থাকে, সেটিই নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

একুশে পদকপ্রাপ্ত আহমদ ছফা ২০০১ সালের ২৮ জুলাই মারা যান। সে সময় তাকে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের সাধারণ মানুষের জন্য নির্ধারিত কবরস্থানের অংশে দাফন করা হয়েছিল। সেখানে তার কবর নম্বর ছিল ১০৮০।
৪ ঘণ্টা আগে
এ বছর বেসরকারি বিশেষ হজ প্যাকেজ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সাধারণ হজ প্যাকেজ ছিল ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ছিল ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজে খরচ বেড়েছে ৪৫ হাজার ৫৮০ টাকা। আর সাশ্রয়ী প্যাকেজে হজের খরচ বেড়েছে ৩ হ
৫ ঘণ্টা আগে
চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই দাবি করেছে, তাদের সবচেয়ে উন্নত দুটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষার পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আরেকটি এআই প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে হ্যাকিং চালিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রুলে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ধারা ২৬ এর অধীনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা (কমপক্ষে স্নাতক) নিশ্চিত করার জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন ।
৮ ঘণ্টা আগে