
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে অনুমোদন করা হচ্ছে না। এর মধ্যে চারটি অধ্যাদেশ বাতিল করার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। বাকি ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে নতুন বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু এবং ১৫টি সংশোধিত আকারে উত্থাপন করা হবে। তবে বাতিল ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে বিশেষ কমিটিতে নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) দিয়েছেন কমিটিতে থাকা বিরোধী দলের জামায়াতে ইসলামীর তিন সদস্য।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের সময়কালে ১৩৩টি অধ্যাদেশ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। নিয়ম অনুযায়ী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে (১২ মার্চ) এগুলো উপস্থাপন করা হয়।
পরে এগুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করে সংসদ। তিনটি আনুষ্ঠানিক ও একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের পর আজ বৃহস্পতিবার সংসদে প্রতিবেদন উত্থাপন করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন।
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধ্যাদেশ জারির পর পরবর্তী সংসদ অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে তা পাস না হলে অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যায়। ১২ মার্চ সংসদ শুরু হওয়ায় আগামী ১২ এপ্রিল সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে।
ফলে যে ১৬টি অধ্যাদেশ পরবর্তীতে যাচাই–বাছাই করে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলোর ভবিষ্যত নিয়ে সংশয় তৈরি হবে। আগামী সোমবার থেকে ১১৩টি অধ্যাদেশ বিল আকারে অনুমোদনের জন্য পর্যায়ক্রমে সংসদে উত্থাপন করবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা।
বাতিল হচ্ছে ৪টি অধ্যাদেশ
চারটি অধ্যাদেশ রহিতকরণের সুপারিশ করা হয়েছে। অধ্যাদেশগুলো হলো— জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, ২০২৪। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬।
১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের সুপারিশ
বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৬টি এখনই সংসদে বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়। যার মধ্যে ১১টিতে আপত্তি দিয়েছে বিরোধী দল। সেগুলো হলো— জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪। রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫। রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫। গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬। মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ২০২৬। তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬।
বিরোধী দলের আপত্তি না থাকা অধ্যাদেশগুলো হলো— মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। কাস্টমস (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫। আয়কর (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬। বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৬।
সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ ১৫টির
১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে কোথায় কী সংশোধনী আনা হবে, তা বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এগুলো হলো— ২০২৫ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ, কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট), জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধান) অধ্যাদেশ, ২০২৬ সালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে অনুমোদন করা হচ্ছে না। এর মধ্যে চারটি অধ্যাদেশ বাতিল করার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। বাকি ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে নতুন বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু এবং ১৫টি সংশোধিত আকারে উত্থাপন করা হবে। তবে বাতিল ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে বিশেষ কমিটিতে নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) দিয়েছেন কমিটিতে থাকা বিরোধী দলের জামায়াতে ইসলামীর তিন সদস্য।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের সময়কালে ১৩৩টি অধ্যাদেশ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। নিয়ম অনুযায়ী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে (১২ মার্চ) এগুলো উপস্থাপন করা হয়।
পরে এগুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করে সংসদ। তিনটি আনুষ্ঠানিক ও একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের পর আজ বৃহস্পতিবার সংসদে প্রতিবেদন উত্থাপন করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন।
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধ্যাদেশ জারির পর পরবর্তী সংসদ অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে তা পাস না হলে অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যায়। ১২ মার্চ সংসদ শুরু হওয়ায় আগামী ১২ এপ্রিল সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে।
ফলে যে ১৬টি অধ্যাদেশ পরবর্তীতে যাচাই–বাছাই করে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলোর ভবিষ্যত নিয়ে সংশয় তৈরি হবে। আগামী সোমবার থেকে ১১৩টি অধ্যাদেশ বিল আকারে অনুমোদনের জন্য পর্যায়ক্রমে সংসদে উত্থাপন করবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা।
বাতিল হচ্ছে ৪টি অধ্যাদেশ
চারটি অধ্যাদেশ রহিতকরণের সুপারিশ করা হয়েছে। অধ্যাদেশগুলো হলো— জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, ২০২৪। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬।
১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের সুপারিশ
বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৬টি এখনই সংসদে বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়। যার মধ্যে ১১টিতে আপত্তি দিয়েছে বিরোধী দল। সেগুলো হলো— জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪। রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫। রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫। গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬। মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ২০২৬। তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬।
বিরোধী দলের আপত্তি না থাকা অধ্যাদেশগুলো হলো— মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। কাস্টমস (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫। আয়কর (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫। বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬। বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৬।
সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ ১৫টির
১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে কোথায় কী সংশোধনী আনা হবে, তা বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এগুলো হলো— ২০২৫ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ, কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট), জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধান) অধ্যাদেশ, ২০২৬ সালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ।

‘সারা দেশে ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশনের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সেবা প্রদান করে যাচ্ছে যা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। সেজন্য জনগুরুত্ব বিবেচনায় ২০টি ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০০টি অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহের কা
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট দেশের জনগণ এখন রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে তাদের অধিকারের প্রতিফলন দেখতে চায়। এ কারণে বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার প্রথম সপ্তাহ থেকেই নির্বাচনি ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদ’র প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি, যাতে নিহতদের পরিচয় সুরক্ষিত থাকে। তাকে গ্রেফতার করে পারিবারিক সহিংসতার মাধ্যমে হত্যার তিনটি অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের পাশাপাশি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে