
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সেবা প্রদান জনগণের প্রতি কোনো করুণা নয়, বরং এটি সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। একটি হয়রানিমুক্ত, প্রযুক্তিনির্ভর ও নাগরিকবান্ধব ভূমিব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সরকার নিরলস কাজ করছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর তেজগাঁওস্থ ভূমি ভবন থেকে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট দেশের জনগণ এখন রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে তাদের অধিকারের প্রতিফলন দেখতে চায়। এ কারণে বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার প্রথম সপ্তাহ থেকেই নির্বাচনি ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদ’র প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার, নির্ভুল রেকর্ড সংরক্ষণ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা বর্তমান সময়ের অপরিহার্য দাবি। ভূমিসেবা মেলার আয়োজনের মাধ্যমে সরকার জনগণের কাছে দেয়া আরও একটি নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণ করতে যাচ্ছে।’
তিনি স্পষ্ট করেন যে, সরকার কেবল ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়েই নয়, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রে জনবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চায়। জনগণের কাছে দেয়া ওয়াদা পূরণের রাজনীতিকে এগিয়ে নিতেই ইশতেহারের প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিচারব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘এ মুহূর্তে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে আদালতে বিচারাধীন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি। প্রচলিত আদালতের বাইরেও জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে গ্রাম আদালত কিংবা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর)-এর মতো আইনানুগ ব্যবস্থায় জোর দেয়া জরুরি।’
তিনি মনে করেন, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পথ কার্যকর হলে একদিকে আদালতের মামলার জট কমবে; অন্যদিকে সাধারণ মানুষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ন্যায়বিচার পাবেন।
জমির ব্যবস্থাপনাকে হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার নিরলস কাজ করছে।’
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, সেবা প্রদান জনগণের প্রতি কোনো করুণা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।
একটি হয়রানিমুক্ত, প্রযুক্তি নির্ভর এবং নাগরিকবান্ধব ভূমি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সেবা প্রদান জনগণের প্রতি কোনো করুণা নয়, বরং এটি সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। একটি হয়রানিমুক্ত, প্রযুক্তিনির্ভর ও নাগরিকবান্ধব ভূমিব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সরকার নিরলস কাজ করছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর তেজগাঁওস্থ ভূমি ভবন থেকে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট দেশের জনগণ এখন রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে তাদের অধিকারের প্রতিফলন দেখতে চায়। এ কারণে বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার প্রথম সপ্তাহ থেকেই নির্বাচনি ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদ’র প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার, নির্ভুল রেকর্ড সংরক্ষণ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা বর্তমান সময়ের অপরিহার্য দাবি। ভূমিসেবা মেলার আয়োজনের মাধ্যমে সরকার জনগণের কাছে দেয়া আরও একটি নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণ করতে যাচ্ছে।’
তিনি স্পষ্ট করেন যে, সরকার কেবল ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়েই নয়, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রে জনবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চায়। জনগণের কাছে দেয়া ওয়াদা পূরণের রাজনীতিকে এগিয়ে নিতেই ইশতেহারের প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিচারব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘এ মুহূর্তে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে আদালতে বিচারাধীন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি। প্রচলিত আদালতের বাইরেও জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে গ্রাম আদালত কিংবা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর)-এর মতো আইনানুগ ব্যবস্থায় জোর দেয়া জরুরি।’
তিনি মনে করেন, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পথ কার্যকর হলে একদিকে আদালতের মামলার জট কমবে; অন্যদিকে সাধারণ মানুষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ন্যায়বিচার পাবেন।
জমির ব্যবস্থাপনাকে হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার নিরলস কাজ করছে।’
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, সেবা প্রদান জনগণের প্রতি কোনো করুণা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।
একটি হয়রানিমুক্ত, প্রযুক্তি নির্ভর এবং নাগরিকবান্ধব ভূমি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

চলতি অর্থবছরের সারের চাহিদার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ইউরিয়া সারের চাহিদা ২৬ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। টিএসপি সারের চাহিদা সাত লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। ডিএপির চাহিদা ১৪ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন। এমওপি নয় লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে যারা চাকরিসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিয়েছেন, তাদের তথ্য সরকার জানতে চেয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন দপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত তথ্য আসতে শুরু করেছে। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের ব্যাপারে আমরা একটি ‘ক্লু’ পেয়েছি। আমরা নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারছি না। তবে এটা বলতে পারছি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের একটা কানেকশন সিডিআর পর্যালোচনায় পাওয়া যায়।
১৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহদা বিন ওসমানের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
১৭ ঘণ্টা আগে