
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক অস্ত্রের বড় একটি অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। ফলে দেশটির যুদ্ধাস্ত্রের মজুতে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণ ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজে’র (সিএসআইএস) এক বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল জানায়, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে পরিচালিত সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের শক্তিশালী ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে। একই সঙ্গে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘থাড’-এর ক্ষেত্রেও প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইলে’র মজুতেও বড় ধরনের টান পড়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই শ্রেণির ক্ষেপণাস্ত্রের মোট মজুতের ৪৫ শতাংশের বেশি ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের পৃথক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে প্রায় সাত সপ্তাহের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের উল্লেখযোগ্য অংশ খরচ করেছে। প্রতিরক্ষা দপ্তরের সাম্প্রতিক অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্র ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে নতুন কোনো সংঘাত শুরু হলে তাৎক্ষণিকভাবে গোলাবারুদের ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
সিএসআইএসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, প্যাট্রিয়ট ও থাডের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র তাদের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত থেকেও বড় অংশ ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৩০ শতাংশ, দূরপাল্লার জয়েন্ট এয়ার-টু-সারফেস স্ট্যান্ডঅফ মিসাইলের ২০ শতাংশের বেশি এবং এসএম-৩ ও এসএম-৬ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ২০ শতাংশ ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের এমন ব্যাপকতা যুক্তরাষ্ট্রের সংরক্ষিত অস্ত্রভাণ্ডারে একটি বড় শূন্যতা তৈরি করেছে। উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও এসব আধুনিক অস্ত্র পুনরায় সরবরাহ ও মজুত স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
চলতি বছরের শুরুতে পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে একাধিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অতীতে কম অর্ডার দেওয়ার কারণে স্বল্পমেয়াদে সরবরাহ সংকট কাটানো কঠিন হবে।
স্বল্পমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হলেও, সিএসআইএস সতর্ক করেছে— বর্তমান মজুত চীনের মতো সমমানের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে যথেষ্ট নাও হতে পারে।
অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন মেরিন কর্নেল মার্ক ক্যানসিয়ান বলেন, অতিরিক্ত গোলাবারুদ ব্যবহারের কারণে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। তার মতে, এই মজুত পুনরায় পূরণ করতে এক থেকে চার বছর সময় লাগবে এবং পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে আরও বেশি সময় প্রয়োজন হবে।
তবে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এ নিয়ে আশ্বস্ত করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। তিনি দাবি করেন, দেশটির সামরিক বাহিনী জনগণ ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পর্যাপ্ত শক্তি ধরে রেখেছে।
এদিকে অস্ত্র মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে কিছুটা সাংঘর্ষিক। ট্রাম্প একদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র সংকট নেই বলে দাবি করলেও, অন্যদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মজুত কমে যাওয়ায় অতিরিক্ত বাজেটের অনুরোধ জানিয়েছেন।
যুদ্ধ শুরুর আগেই জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। তাদের মতে, ইসরায়েল ও ইউক্রেনসহ বিভিন্ন মিত্রকে সহায়তা দেওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
সংঘাত শুরুর পর থেকেই ক্যাপিটল হিলে ডেমোক্র্যাট নেতারা গোলাবারুদের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। তাদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক কেলি বলেন, ইরানের কাছে বিপুল সংখ্যক ড্রোন ও বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা রয়েছে। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতি এক পর্যায়ে ‘গাণিতিক সমস্যায়’ পরিণত হয়— কীভাবে দ্রুত আকাশ প্রতিরক্ষা গোলাবারুদ পুনরায় সরবরাহ করা যাবে, সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক অস্ত্রের বড় একটি অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। ফলে দেশটির যুদ্ধাস্ত্রের মজুতে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণ ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজে’র (সিএসআইএস) এক বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল জানায়, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে পরিচালিত সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের শক্তিশালী ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে। একই সঙ্গে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘থাড’-এর ক্ষেত্রেও প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইলে’র মজুতেও বড় ধরনের টান পড়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই শ্রেণির ক্ষেপণাস্ত্রের মোট মজুতের ৪৫ শতাংশের বেশি ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের পৃথক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে প্রায় সাত সপ্তাহের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের উল্লেখযোগ্য অংশ খরচ করেছে। প্রতিরক্ষা দপ্তরের সাম্প্রতিক অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্র ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে নতুন কোনো সংঘাত শুরু হলে তাৎক্ষণিকভাবে গোলাবারুদের ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
সিএসআইএসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, প্যাট্রিয়ট ও থাডের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র তাদের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত থেকেও বড় অংশ ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৩০ শতাংশ, দূরপাল্লার জয়েন্ট এয়ার-টু-সারফেস স্ট্যান্ডঅফ মিসাইলের ২০ শতাংশের বেশি এবং এসএম-৩ ও এসএম-৬ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ২০ শতাংশ ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের এমন ব্যাপকতা যুক্তরাষ্ট্রের সংরক্ষিত অস্ত্রভাণ্ডারে একটি বড় শূন্যতা তৈরি করেছে। উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও এসব আধুনিক অস্ত্র পুনরায় সরবরাহ ও মজুত স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
চলতি বছরের শুরুতে পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে একাধিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অতীতে কম অর্ডার দেওয়ার কারণে স্বল্পমেয়াদে সরবরাহ সংকট কাটানো কঠিন হবে।
স্বল্পমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হলেও, সিএসআইএস সতর্ক করেছে— বর্তমান মজুত চীনের মতো সমমানের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে যথেষ্ট নাও হতে পারে।
অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন মেরিন কর্নেল মার্ক ক্যানসিয়ান বলেন, অতিরিক্ত গোলাবারুদ ব্যবহারের কারণে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। তার মতে, এই মজুত পুনরায় পূরণ করতে এক থেকে চার বছর সময় লাগবে এবং পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে আরও বেশি সময় প্রয়োজন হবে।
তবে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এ নিয়ে আশ্বস্ত করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। তিনি দাবি করেন, দেশটির সামরিক বাহিনী জনগণ ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পর্যাপ্ত শক্তি ধরে রেখেছে।
এদিকে অস্ত্র মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে কিছুটা সাংঘর্ষিক। ট্রাম্প একদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র সংকট নেই বলে দাবি করলেও, অন্যদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মজুত কমে যাওয়ায় অতিরিক্ত বাজেটের অনুরোধ জানিয়েছেন।
যুদ্ধ শুরুর আগেই জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। তাদের মতে, ইসরায়েল ও ইউক্রেনসহ বিভিন্ন মিত্রকে সহায়তা দেওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
সংঘাত শুরুর পর থেকেই ক্যাপিটল হিলে ডেমোক্র্যাট নেতারা গোলাবারুদের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। তাদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক কেলি বলেন, ইরানের কাছে বিপুল সংখ্যক ড্রোন ও বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা রয়েছে। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতি এক পর্যায়ে ‘গাণিতিক সমস্যায়’ পরিণত হয়— কীভাবে দ্রুত আকাশ প্রতিরক্ষা গোলাবারুদ পুনরায় সরবরাহ করা যাবে, সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে আনতালিয়া কূটনীতি ফোরামের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খতিবজাদেহ’র সাম্প্রতিক বৈঠককে স্বাগত জানিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
ওই আবেদনে বলা হয়, আসামি মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আসামি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্
১৬ ঘণ্টা আগে
পিএসসি জানিয়েছে, প্রার্থীদের ৪৭তম বিসিএসের নির্ধারিত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কমিশনের ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে। সেখানে নির্ধারিত ফরমটি অনলাইনে বাংলায় পূরণ করে জমা দেওয়ার পর তার দুই কপি প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে। এই প্রিন্ট করা ফরমের দুই কপি মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। ফর
১৭ ঘণ্টা আগে
এতে বলা হয়েছে, এসএসসি, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১৫ লাখ ৯ হাজার ৬ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেয় ১৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৯৮ জন। বাকি ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দেশজুড়ে ৩ হাজার ৮৭৫টি পরীক্ষাকেন্দ্রের তথ্য দিয়েছে কমিটি।
১৭ ঘণ্টা আগে