
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় আটক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৮ মার্চ) ওই মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির করার পর এ আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা। শুনানির সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আশাদুল ইসলাম আসামিদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন।
মামলার অন্য দুই আসামি হলেন— নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখার সাবেক কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত ও শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখার সহসম্পাদক আবদুল আল মামুন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গতকাল শনিবার দুপুর ৩টার দিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু সদস্য শহীদুল্লাহ হলসংলগ্ন মোড়ে জড়ো হয়ে লাউডস্পিকারে ৭ মার্চের ভাষণ বাজায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসিফ আহমেদ সৈকতকে আটক করে।
পরে একই দিন রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে আবদুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ১০–১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে জড়ো হন।
এজাহারে বলা হয়েছে, সে সময় শাহবাগ থানার মসজিদে তারাবির নামাজ চলছিল। আসামিরা মসজিদের দিকে মুখ করে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা করেন।
তারা পুলিশকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন এবং পুলিশের হেফাজত থেকে সৈকতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ডাকসু) নেতা এবি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী মামুন ও ইমিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ঘটনার পর আজ শাহবাগ থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে পুলিশ।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় আটক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৮ মার্চ) ওই মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির করার পর এ আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা। শুনানির সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আশাদুল ইসলাম আসামিদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন।
মামলার অন্য দুই আসামি হলেন— নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখার সাবেক কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত ও শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখার সহসম্পাদক আবদুল আল মামুন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গতকাল শনিবার দুপুর ৩টার দিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু সদস্য শহীদুল্লাহ হলসংলগ্ন মোড়ে জড়ো হয়ে লাউডস্পিকারে ৭ মার্চের ভাষণ বাজায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসিফ আহমেদ সৈকতকে আটক করে।
পরে একই দিন রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে আবদুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ১০–১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে জড়ো হন।
এজাহারে বলা হয়েছে, সে সময় শাহবাগ থানার মসজিদে তারাবির নামাজ চলছিল। আসামিরা মসজিদের দিকে মুখ করে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা করেন।
তারা পুলিশকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন এবং পুলিশের হেফাজত থেকে সৈকতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ডাকসু) নেতা এবি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী মামুন ও ইমিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ঘটনার পর আজ শাহবাগ থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে পুলিশ।

এএনআই জানায়, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতে অবস্থানের জন্য বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামের দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে। এই দুই বাংলাদেশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা শরিফ ওসমান হাদি হত্যায় জড়িত।
১৫ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি তেল সরবরাহকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে দেশের সব ফিলিং স্টেশনের পুলিশি টহল জোরদারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পর্তুগাল, পোল্যান্ড, মেক্সিকো ও মালদ্বীপে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক রাষ্ট্রদূত এম. মাহফুজুল হক, মো. ময়িনুল ইসলাম, এম. মুশফিকুল ফজল (আনসারী) এবং মো. নাজমুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর ঢাকায় বদলি করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় আব্দুস সালাম ব্যাপারীকে ঢাকা ওয়াসার এমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে তিনি একই প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চাকরিজীবনে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছিল।
১৬ ঘণ্টা আগে