
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার পর প্রথম নিহত আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে এ ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় বিচারিক কার্যক্রমও শেষ হয়েছে।
মামলাটি এখন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল দুই পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। প্যানেলের আরেক সদস্য হলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এর আগে সকালে কারাগার থেকে এ মামলার ছয় আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন— বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম; দুই পুলিশ সদস্য এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম। সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো এবং ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে আইনজীবী মামুনুর রশীদ, ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম শুনানি করেন।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেরোবির তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে আইনি লড়াই করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া।
২০২৪ সালের জুলাই মাসের শুরুতেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ক্রমেই এ আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৬ জুলাই রংপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সময় পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের মৃত্যু হলে আন্দোলন সারা দেশে তীব্র রূপ নেয়।
এ হত্যার ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন জমা দেয়। একই বছরের ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করলে মামলাটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয় এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের দেড় বছরের মাথায় মামলাটি এখন চূড়ান্ত রায়ের পর্যায়ে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার পর প্রথম নিহত আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে এ ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় বিচারিক কার্যক্রমও শেষ হয়েছে।
মামলাটি এখন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল দুই পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। প্যানেলের আরেক সদস্য হলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এর আগে সকালে কারাগার থেকে এ মামলার ছয় আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন— বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম; দুই পুলিশ সদস্য এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম। সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো এবং ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে আইনজীবী মামুনুর রশীদ, ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম শুনানি করেন।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেরোবির তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে আইনি লড়াই করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া।
২০২৪ সালের জুলাই মাসের শুরুতেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ক্রমেই এ আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৬ জুলাই রংপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সময় পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের মৃত্যু হলে আন্দোলন সারা দেশে তীব্র রূপ নেয়।
এ হত্যার ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন জমা দেয়। একই বছরের ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করলে মামলাটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয় এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের দেড় বছরের মাথায় মামলাটি এখন চূড়ান্ত রায়ের পর্যায়ে পৌঁছেছে।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যে হাদি হাদি করছে, হাদি তো অ্যাকচুয়ালি একটি জামায়াতের প্রোডাক্ট, ও তো একটা জঙ্গি।’ এ ছাড়া তিনি হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন বলে দাবি করেছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে দেশে তেলসহ জিনিসপত্রের দাম বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এই যুদ্ধটা আমাদের খুব ক্ষতি করতেছে। আমাদের তেলের দাম বাড়বে, আমাদের জিনিসপত্রের দাম বাড়বে। সেগুলোকে সয়ে (সহ্য) নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হব
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের যেমন জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়, তেমনি গণমাধ্যম কর্মীদেরকেও জবাবদিহিতার আওতায় থাকতে হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সংগঠনটির দাবি, জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। পাম্পগুলোতে তেল বিক্রির সময় কোনো কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় দিন দিন বিশৃঙ্খলা বাড়ছে। পাম্প মালিকরা জানান, গত ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও
১৯ ঘণ্টা আগে