
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রমের মিরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ করা জমিতে ‘প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সশস্ত্র বাহিনীর চাহিদা পূরণ ও সক্ষমতা বাড়াতে সেখানে সমরাস্ত্র তৈরির কারখানা স্থাপন করা হবে। এটি হবে দেশের দ্বিতীয় সমরাস্ত্র কারখানা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
‘প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ তথা ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ তৈরির বিষয়টি বিডার মাস্টার প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে জানিয়ে আশিক চৌধুরী বলেন, সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ স্থাপন করা হবে। ‘বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির’ উদ্যোগে সেখানে সামরাস্ত্র কারখানা স্থাপন করা হবে।
বর্তমানে দেশের একমাত্র সমরাস্ত্র কারখানাটি অবস্থিত গাজীপুরের শিমুলতলীতে। মিরসরাইয়ে প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সমরাস্ত্র কারখানা স্থাপন করা হলে সেটি হবে দ্বিতীয়।
সোমবার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) গভর্নিং বোর্ডের সভায় মিরসরাইয়ের এই অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বিকেলে সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিডার প্রধান আশিক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সমরাস্ত্র কারখনা স্থাপনের যুক্তি তুলে ধরে আশিক চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক নিরাপত্তা বাস্তবতায় প্রতিরক্ষা শিল্পে নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে দেখা গেছে, হাইটেক অস্ত্রের চেয়ে গোলাবারুদ ও মৌলিক সরঞ্জামের সংকটই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বাংলাদেশ সেনবাহিনী তাদের চাহিদা অনুযায়ী এ ধরনের অস্ত্র তৈরি করবে। চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
মিরসরাইয়ের এ জায়গাটি ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ ছিল। আশিক চৌধুরী বলেন, ইন্ডিয়ান ইকোনোকি জোন প্রতিষ্ঠা করতে ৮০০ একর জমি বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। ইকোনোমিক জোন প্রকল্পটি বাতিল হওয়ায় জমিটি অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। সেখানেই প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে।
বিডা, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) গভর্নিং বোর্ডের সভায় সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সাড়ে ৬০০ একর জমি নিয়ে ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ (এফটিজেড) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস সভাটির সভাপতিত্ব করেন।
সংবাদ সম্মেলনে এ সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আশিক মাহমুদ বলেন, ‘ফ্রি ট্রেড জোনে’ দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তরা উৎপাদন, পুনর্রপ্তানি ও কাঁচামাল সংরক্ষণ করতে পারবেন। ফ্রি ট্রেড জোন প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি সংস্কার করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বিডা, বেজাসহ ছয় সংস্থার গভর্নিং বডির সভায় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের বিনিয়োগ অনুমোদন ও জমি বরাদ্দবিষয়ক ছয় সংস্থাকে একীভূত করে একটি সংস্থায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়। ছয় সংস্থা হলো— বিডা, বেপজা, বেজা, বিসিক (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরশেন), বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ।
আগামী উপদেষ্টা পরিষদের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে বলে জানান আশিক মাহমুদ।
বর্তমান বিধান অনুযায়ী, বিডা কেবল পৌর এলাকার বাইরে বিনিয়োগের অনুমতি ও জমি বরাদ্দ দিতে পরে। আইন সংশোধন করে এখন থেকে সারা দেশের পৌর এলাকাতেও বিনিয়োগের অনুমতি দেবে বিডা। এর মাধ্যমে পৌর এলাকায়, বিশেষ করে বিসিকের অব্যবহৃত প্লট ও বন্ধ থাকা রাষ্ট্রীয় মিল-কারখানাকে বেসরকারি পর্যায়ে দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান আশিক চৌধুরী।
সরকার কুষ্টিয়ার চিনিকলের ২০০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল করার পরিকল্পনা করছে বলেও জানান আশিক।
এদিকে বিদেশি বিনিয়োগ আনতে প্রবাসীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার। এফডিআই স্কিমের আওতায় ‘ক্যাশব্যাক’ স্কিম নামের এই সুবিধায় কোনো বাংলাদেশি বিদেশি বিনিয়োগ আনলে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মোট বিনিয়োগের মধ্যে থেকে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ অর্থ দেওয়া হবে।
অন্যদিকে বিদেশি বিনিয়োগ আনতে বিডার এজেন্সি অফিস খোলা হবে বিদেশে। প্রথম দিকে চীন ও কোরিয়াতে অফিস খোলার অনুমতি দেওয়া হবে। অফিসের যাবতীয় খরচ বহন করবে এজেন্সি নেওয়া দেশের প্রতিষ্ঠান। তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসা বিনিয়োগের বিপরীতে একটি অংশ কমিশন হিসেবে দেওয়া হবে।

চট্টগ্রমের মিরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ করা জমিতে ‘প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সশস্ত্র বাহিনীর চাহিদা পূরণ ও সক্ষমতা বাড়াতে সেখানে সমরাস্ত্র তৈরির কারখানা স্থাপন করা হবে। এটি হবে দেশের দ্বিতীয় সমরাস্ত্র কারখানা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
‘প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ তথা ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ তৈরির বিষয়টি বিডার মাস্টার প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে জানিয়ে আশিক চৌধুরী বলেন, সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ স্থাপন করা হবে। ‘বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির’ উদ্যোগে সেখানে সামরাস্ত্র কারখানা স্থাপন করা হবে।
বর্তমানে দেশের একমাত্র সমরাস্ত্র কারখানাটি অবস্থিত গাজীপুরের শিমুলতলীতে। মিরসরাইয়ে প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সমরাস্ত্র কারখানা স্থাপন করা হলে সেটি হবে দ্বিতীয়।
সোমবার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) গভর্নিং বোর্ডের সভায় মিরসরাইয়ের এই অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বিকেলে সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিডার প্রধান আশিক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সমরাস্ত্র কারখনা স্থাপনের যুক্তি তুলে ধরে আশিক চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক নিরাপত্তা বাস্তবতায় প্রতিরক্ষা শিল্পে নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে দেখা গেছে, হাইটেক অস্ত্রের চেয়ে গোলাবারুদ ও মৌলিক সরঞ্জামের সংকটই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বাংলাদেশ সেনবাহিনী তাদের চাহিদা অনুযায়ী এ ধরনের অস্ত্র তৈরি করবে। চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
মিরসরাইয়ের এ জায়গাটি ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ ছিল। আশিক চৌধুরী বলেন, ইন্ডিয়ান ইকোনোকি জোন প্রতিষ্ঠা করতে ৮০০ একর জমি বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। ইকোনোমিক জোন প্রকল্পটি বাতিল হওয়ায় জমিটি অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। সেখানেই প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে।
বিডা, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) গভর্নিং বোর্ডের সভায় সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সাড়ে ৬০০ একর জমি নিয়ে ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ (এফটিজেড) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস সভাটির সভাপতিত্ব করেন।
সংবাদ সম্মেলনে এ সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আশিক মাহমুদ বলেন, ‘ফ্রি ট্রেড জোনে’ দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তরা উৎপাদন, পুনর্রপ্তানি ও কাঁচামাল সংরক্ষণ করতে পারবেন। ফ্রি ট্রেড জোন প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি সংস্কার করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বিডা, বেজাসহ ছয় সংস্থার গভর্নিং বডির সভায় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের বিনিয়োগ অনুমোদন ও জমি বরাদ্দবিষয়ক ছয় সংস্থাকে একীভূত করে একটি সংস্থায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়। ছয় সংস্থা হলো— বিডা, বেপজা, বেজা, বিসিক (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরশেন), বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ।
আগামী উপদেষ্টা পরিষদের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে বলে জানান আশিক মাহমুদ।
বর্তমান বিধান অনুযায়ী, বিডা কেবল পৌর এলাকার বাইরে বিনিয়োগের অনুমতি ও জমি বরাদ্দ দিতে পরে। আইন সংশোধন করে এখন থেকে সারা দেশের পৌর এলাকাতেও বিনিয়োগের অনুমতি দেবে বিডা। এর মাধ্যমে পৌর এলাকায়, বিশেষ করে বিসিকের অব্যবহৃত প্লট ও বন্ধ থাকা রাষ্ট্রীয় মিল-কারখানাকে বেসরকারি পর্যায়ে দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান আশিক চৌধুরী।
সরকার কুষ্টিয়ার চিনিকলের ২০০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল করার পরিকল্পনা করছে বলেও জানান আশিক।
এদিকে বিদেশি বিনিয়োগ আনতে প্রবাসীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার। এফডিআই স্কিমের আওতায় ‘ক্যাশব্যাক’ স্কিম নামের এই সুবিধায় কোনো বাংলাদেশি বিদেশি বিনিয়োগ আনলে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মোট বিনিয়োগের মধ্যে থেকে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ অর্থ দেওয়া হবে।
অন্যদিকে বিদেশি বিনিয়োগ আনতে বিডার এজেন্সি অফিস খোলা হবে বিদেশে। প্রথম দিকে চীন ও কোরিয়াতে অফিস খোলার অনুমতি দেওয়া হবে। অফিসের যাবতীয় খরচ বহন করবে এজেন্সি নেওয়া দেশের প্রতিষ্ঠান। তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসা বিনিয়োগের বিপরীতে একটি অংশ কমিশন হিসেবে দেওয়া হবে।

এ বছর বেসরকারি বিশেষ হজ প্যাকেজ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সাধারণ হজ প্যাকেজ ছিল ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ ছিল ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৪১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজে খরচ বেড়েছে ৪৫ হাজার ৫৮০ টাকা। আর সাশ্রয়ী প্যাকেজে হজের খরচ বেড়েছে ৩ হ
৪ ঘণ্টা আগে
চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই দাবি করেছে, তাদের সবচেয়ে উন্নত দুটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষার পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আরেকটি এআই প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে হ্যাকিং চালিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রুলে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ধারা ২৬ এর অধীনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা (কমপক্ষে স্নাতক) নিশ্চিত করার জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন ।
৭ ঘণ্টা আগে
বন্যা উপদ্রুত এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), রাজ্য বাহিনী (এসডিআরএফ), সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে কাজ করছে। উপদ্রুত এলাকাগুলোর ১০১টি ত্রাণশিবিরে প্রায় ১০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে