
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৫ সালের শেষে অথবা ২০২৬ সালের শুরুতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে আগামীতে কোনো নির্বাচন রাতের আঁধারে আর হবে না। নির্ভয়ে জনগণ দিনের আলোয় তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার আবু হুরায়রা দাখিল মাদরাসা মাঠে শীতার্তদের মাঝে উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আয়না ঘরে একজন মানুষও থাকে নাই। কাউকে গুমও করা হয়নি। গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছি। চিরকাল ক্ষমতায় থাকার মানসিকতা এদেশকে পিছিয়ে দিয়েছে।
ক্ষমতায় গেলে বছরের পর বছর থাকতে হবে এবং কারচুপি করে ক্ষমতায় থাকার মানসিকতা আমাদেরকে এগুতো দেয়নি। আমরা এ সংস্কৃতিকে পরিবর্তন করতে চাই। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, জলাই বিপ্লব এটা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এ বিপ্লবে হাজারের অধিক শহীদ হয়েছে। হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত হয়েছে। আহত হয়ে যারা এখনো হাসপাতালে আছে আমি তাদেরকে দেখতে গিয়েছি। তাদের মধ্যে অনেকের চোখ নাই, অনেকের মুখ নাই, আবার অনেকের বুকের ভেতর গুলি। তারা যন্ত্রনায় হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন। তাদের এই রক্ত বৃথা যেতে দেব না।
তিনি বলেন, সম্প্রতি সচিবালয়ে আগুন ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামায় আগুন দিয়ে বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেওয়া ধারাবাহিক সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম। সচিবালয়ে আগুনের ঘটনায় সরকার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। আগামী দিনেও কায়েমী স্বার্থবাদী চক্র যদি আবার দেশেকে অস্থিতিশীল করতে চাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির ও সাবেক সাংসদ শাহজাহান চৌধুরী, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস, সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কামাল উদ্দিন, সাবেক আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নুরুল হক।

২০২৫ সালের শেষে অথবা ২০২৬ সালের শুরুতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে আগামীতে কোনো নির্বাচন রাতের আঁধারে আর হবে না। নির্ভয়ে জনগণ দিনের আলোয় তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার আবু হুরায়রা দাখিল মাদরাসা মাঠে শীতার্তদের মাঝে উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আয়না ঘরে একজন মানুষও থাকে নাই। কাউকে গুমও করা হয়নি। গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছি। চিরকাল ক্ষমতায় থাকার মানসিকতা এদেশকে পিছিয়ে দিয়েছে।
ক্ষমতায় গেলে বছরের পর বছর থাকতে হবে এবং কারচুপি করে ক্ষমতায় থাকার মানসিকতা আমাদেরকে এগুতো দেয়নি। আমরা এ সংস্কৃতিকে পরিবর্তন করতে চাই। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, জলাই বিপ্লব এটা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এ বিপ্লবে হাজারের অধিক শহীদ হয়েছে। হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত হয়েছে। আহত হয়ে যারা এখনো হাসপাতালে আছে আমি তাদেরকে দেখতে গিয়েছি। তাদের মধ্যে অনেকের চোখ নাই, অনেকের মুখ নাই, আবার অনেকের বুকের ভেতর গুলি। তারা যন্ত্রনায় হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন। তাদের এই রক্ত বৃথা যেতে দেব না।
তিনি বলেন, সম্প্রতি সচিবালয়ে আগুন ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামায় আগুন দিয়ে বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেওয়া ধারাবাহিক সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম। সচিবালয়ে আগুনের ঘটনায় সরকার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। আগামী দিনেও কায়েমী স্বার্থবাদী চক্র যদি আবার দেশেকে অস্থিতিশীল করতে চাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির ও সাবেক সাংসদ শাহজাহান চৌধুরী, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস, সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কামাল উদ্দিন, সাবেক আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নুরুল হক।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
৮ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
৯ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন চেয়েছিলেন এবং এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সে দিকেই এগোচ্ছে। মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর পর তাদের নাগরিক অধিকার ভোগ করছে। আমিও আনন্দিত। এই ভোটে আমিও শরিক হলাম।
১০ ঘণ্টা আগে