
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন নিয়ে সব শঙ্কা ও গুজব উড়িয়ে দিয়ে চমৎকার ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে তিনি এই সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে নিজের ভোট দিতে না পারার তিক্ত অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করে এবারের স্বচ্ছ পরিবেশের প্রশংসা করেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, গত ছয় মাস ধরে গুজব শুনছি ভোট হবে না, এটা হবে, সেটা হবে। কিন্তু আজ আপনারা নিজেরাই দেখছেন চমৎকার ভোট হচ্ছে। কোথাও কোনো অসুবিধা নেই, কোনো শঙ্কাও নেই।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন চেয়েছিলেন এবং এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সে দিকেই এগোচ্ছে। মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর পর তাদের নাগরিক অধিকার ভোগ করছে। আমিও আনন্দিত। এই ভোটে আমিও শরিক হলাম।
সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করে কমিশনার জানান, এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকেও ফল মেনে নেওয়ার বক্তব্য এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
টিভি স্ক্রিনে দেখলাম, উভয় দলই বলছে ফল যাই হোক তারা মেনে নেবে। যেহেতু স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোট হচ্ছে, সবাই সেটা মেনে নেবেন এটাই স্বাভাবিক, বলেন তিনি।
শেখ সাজ্জাত আলী বলেন, দিনভর একইভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলবে এবং সুষ্ঠুভাবে ভোট গণনা শেষে ফল প্রকাশ করা হবে বলে তিনি আশা করছেন।
২০১৮ সালে ভোট দিতে এসে নিজের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, এই কেন্দ্রেই ১৮ সালের নির্বাচনে আমি ভোট দিতে এসেছিলাম। তখন আমার বাসা এখানে ছিল। আপনারা জানেন আমি ১৬ সালে অবসর গ্রহণ করেছি। এখন ডিএমপি কমিশনার হিসেবে মিন্টু রেডে থাকি। ২০১৮ সালে আমি এই কেন্দ্রেই ভোট দিতে এসে গেটটা পার হয়ে যখন ভেতরে গিয়েছিলাম, তখন আমাকে বলা হলো আপনার ভোট দেওয়া হয়েছে। এই কথা শুনে আমি গেট থেকেই ফেরত চলে গিয়েছিলাম।

নির্বাচন নিয়ে সব শঙ্কা ও গুজব উড়িয়ে দিয়ে চমৎকার ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে তিনি এই সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে নিজের ভোট দিতে না পারার তিক্ত অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করে এবারের স্বচ্ছ পরিবেশের প্রশংসা করেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, গত ছয় মাস ধরে গুজব শুনছি ভোট হবে না, এটা হবে, সেটা হবে। কিন্তু আজ আপনারা নিজেরাই দেখছেন চমৎকার ভোট হচ্ছে। কোথাও কোনো অসুবিধা নেই, কোনো শঙ্কাও নেই।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন চেয়েছিলেন এবং এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সে দিকেই এগোচ্ছে। মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর পর তাদের নাগরিক অধিকার ভোগ করছে। আমিও আনন্দিত। এই ভোটে আমিও শরিক হলাম।
সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করে কমিশনার জানান, এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকেও ফল মেনে নেওয়ার বক্তব্য এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
টিভি স্ক্রিনে দেখলাম, উভয় দলই বলছে ফল যাই হোক তারা মেনে নেবে। যেহেতু স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোট হচ্ছে, সবাই সেটা মেনে নেবেন এটাই স্বাভাবিক, বলেন তিনি।
শেখ সাজ্জাত আলী বলেন, দিনভর একইভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলবে এবং সুষ্ঠুভাবে ভোট গণনা শেষে ফল প্রকাশ করা হবে বলে তিনি আশা করছেন।
২০১৮ সালে ভোট দিতে এসে নিজের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, এই কেন্দ্রেই ১৮ সালের নির্বাচনে আমি ভোট দিতে এসেছিলাম। তখন আমার বাসা এখানে ছিল। আপনারা জানেন আমি ১৬ সালে অবসর গ্রহণ করেছি। এখন ডিএমপি কমিশনার হিসেবে মিন্টু রেডে থাকি। ২০১৮ সালে আমি এই কেন্দ্রেই ভোট দিতে এসে গেটটা পার হয়ে যখন ভেতরে গিয়েছিলাম, তখন আমাকে বলা হলো আপনার ভোট দেওয়া হয়েছে। এই কথা শুনে আমি গেট থেকেই ফেরত চলে গিয়েছিলাম।

বিদেশ থেকে আমদানি করা জ্বালানি তেল সরাসরি খালাস করতে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান বয়া, পরিবহনের জন্য ২২০ কিলামিটার পাইপলাইন ও দুই লাখ টন তেলের মজুত রাখার স্টোরেজ ট্যাংক নির্মাণ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
আজ সকালের অধিবেশনে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর দফাওয়ারি কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করলে সর্বসম্মতিক্রমে সেগুলো পাস হয়। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
৪ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠিন আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এসময় তিনি কেন্দ্র সচিবদের ফোন নম্বর ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনার কথাও জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়াতে যাচ্ছেন এক সাহসী নারী— নুরুন্নাহার নিম্মি। এখন পুরো দেশে তাকিয়ে তার এভারেস্ট অভিযানের দিকে। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে নিম্মি বলেন, ‘আমি যেন সফলভাবে ফিরে এসে আপনাদের এভারেস্ট জয়ের গল্প শোনাতে পারি।’
৫ ঘণ্টা আগে