
রংপুর প্রতিনিধি

অন্তর্বর্তী সরকারের ছত্রছায়ায় নতুন দল গঠন হচ্ছে—বিএনপির এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, শিক্ষার্থীরা কোনো উপদেষ্টা বা সরকারের অনুকম্পায় রাজনৈতিক দল গঠন করছে না। আমরা সেই অনুকম্পা প্রার্থীও নই।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টায় রংপুরের পীরগাছার দেউতি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুঃস্থদের মাঝে শীতের চাদর বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘসময় ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে এসেছি।
বাংলাদেশের তরুণেরা জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে জীবন দিতে কার্পণ্য করে নাই। এই তরুণদের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের একটা ভরসার জায়গা তৈরি হয়েছে। সেই ভরসার জায়গার প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তির আবির্ভাব হতে যাচ্ছে। সেই শক্তিকে কোনোভাবেই কোনো সরকার, অন্তর্বর্তী সরকার বা অন্য কোনোভাবে তাদের সহযোগিতায় বা তাদের মদদপুষ্ট এমন কোনো দোষ আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ, বাংলাদেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সঙ্গে এসে অংশ গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলেন, সেই ক্ষমতার পাটাতনে থেকেই তাদের জন্ম হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে জনগণের দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। কিন্তু আমার দেখি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তরুণরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে একত্রিত হয়েছে।
তরুণরা কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আগে থেকে নাই বা বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা করছে বিষয়টা এমন নয়। শিক্ষার্থীরা অন্তর্বর্তী সরকারের অনুকম্পায় দল গঠন করছে না।
জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব বলেন, এই তরুণরাই একত্রিত হয়েছে। তাদের মধ্য থেকে মাত্র ৩ জন সরকারে আছেন। তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে সত্য কিন্তু আমরা বরাবরই বলছি যে রাজনৈতিক দলটি হবে, সেটা হবে সম্পূর্ণভাবে গণমানুষের এবং তরুণদের নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক দল।
আমরা কোনোভাবেই কোনো অনুকম্পা পেতে চাই না। কিন্তু গণতান্ত্রিক যে অধিকার, আমরা যেন সেই অধিকার পাই। সে ব্যাপারে আমরা সচেতন থাকতে চাই।
ভারতীয় মিডিয়ার অপতথ্য প্রচার এবং ভারতীয় আগ্রাসন প্রসঙ্গে আখতার হোসেন বলেন, ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ অব্যাহত আছে এবং থাকবে। প্রয়োজনে আমরা মাঠে নামবো। এখন যেটা প্রয়োজন সেটা হলো ভারতীয় অপপ্রচার ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরকারের শক্ত পদক্ষেপ এবং প্রতিবাদ করা। আন্তর্জাতিক পক্ষগুলোকে অবহিত করা।
এ সময় নাগরিক কমিটির রফিকুল ইসলাম, রংপুরের সংগঠক আলমগীর নয়ন, মো. আরিফুল ইসলাম, আই সুমন, খন্দকার মাইনুল ইসলাম মিমসহ জেলা মহানগর ও বিভাগীয় সংগঠকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের ছত্রছায়ায় নতুন দল গঠন হচ্ছে—বিএনপির এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, শিক্ষার্থীরা কোনো উপদেষ্টা বা সরকারের অনুকম্পায় রাজনৈতিক দল গঠন করছে না। আমরা সেই অনুকম্পা প্রার্থীও নই।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টায় রংপুরের পীরগাছার দেউতি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুঃস্থদের মাঝে শীতের চাদর বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘসময় ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে এসেছি।
বাংলাদেশের তরুণেরা জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে জীবন দিতে কার্পণ্য করে নাই। এই তরুণদের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের একটা ভরসার জায়গা তৈরি হয়েছে। সেই ভরসার জায়গার প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তির আবির্ভাব হতে যাচ্ছে। সেই শক্তিকে কোনোভাবেই কোনো সরকার, অন্তর্বর্তী সরকার বা অন্য কোনোভাবে তাদের সহযোগিতায় বা তাদের মদদপুষ্ট এমন কোনো দোষ আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ, বাংলাদেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সঙ্গে এসে অংশ গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলেন, সেই ক্ষমতার পাটাতনে থেকেই তাদের জন্ম হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে জনগণের দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। কিন্তু আমার দেখি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তরুণরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে একত্রিত হয়েছে।
তরুণরা কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আগে থেকে নাই বা বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা করছে বিষয়টা এমন নয়। শিক্ষার্থীরা অন্তর্বর্তী সরকারের অনুকম্পায় দল গঠন করছে না।
জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব বলেন, এই তরুণরাই একত্রিত হয়েছে। তাদের মধ্য থেকে মাত্র ৩ জন সরকারে আছেন। তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে সত্য কিন্তু আমরা বরাবরই বলছি যে রাজনৈতিক দলটি হবে, সেটা হবে সম্পূর্ণভাবে গণমানুষের এবং তরুণদের নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক দল।
আমরা কোনোভাবেই কোনো অনুকম্পা পেতে চাই না। কিন্তু গণতান্ত্রিক যে অধিকার, আমরা যেন সেই অধিকার পাই। সে ব্যাপারে আমরা সচেতন থাকতে চাই।
ভারতীয় মিডিয়ার অপতথ্য প্রচার এবং ভারতীয় আগ্রাসন প্রসঙ্গে আখতার হোসেন বলেন, ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ অব্যাহত আছে এবং থাকবে। প্রয়োজনে আমরা মাঠে নামবো। এখন যেটা প্রয়োজন সেটা হলো ভারতীয় অপপ্রচার ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরকারের শক্ত পদক্ষেপ এবং প্রতিবাদ করা। আন্তর্জাতিক পক্ষগুলোকে অবহিত করা।
এ সময় নাগরিক কমিটির রফিকুল ইসলাম, রংপুরের সংগঠক আলমগীর নয়ন, মো. আরিফুল ইসলাম, আই সুমন, খন্দকার মাইনুল ইসলাম মিমসহ জেলা মহানগর ও বিভাগীয় সংগঠকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
১৭ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
১৮ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
১৮ ঘণ্টা আগে