সেনাবাহিনী নিয়ে অস্থিতিশীলতার খবর ভিত্তিহীন: প্রেস উইং

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২৫, ১৮: ৪৪

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে অস্থিরতার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলোকে ভিত্তিহীন হিসেবে অভিহিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

এক বার্তায় প্রেস উইং বলছে. সম্প্রতি দ্য ইকোনমিক টাইমস, ইন্ডিয়া টুডেসহ কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে সেনা অভ্যুত্থান বা অস্থিতিশীলতার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে— তা শুধু ভিত্তিহীনই নয়, গভীরভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীন। এ ধরনের মিথ্যা তথ্য প্রচারণা হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে ক্ষুণ্ন করে এবং সম্মানকে মারাত্মকভাবে হ্রাস করে। এ ছাড়া জড়িত মিডিয়া আউটলেটগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতাও কমায়।

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

প্রেস উইং জানায়, ‘বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক দেশ, যার সশস্ত্র বাহিনীসহ শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান আছে— যারা ধারাবাহিকভাবে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, জনগণ এবং সংবিধান রক্ষায় পেশাদারত্ব এবং প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করেছে। এই ‘চাঞ্চল্যকর’ প্রতিবেদনগুলো, যা সম্পূর্ণরূপে বাস্তব প্রমাণবিহীন, এমন একটি এজেন্ডা দ্বারা চালিত বলে মনে হয়— যা সত্যের চেয়ে অনুমানকে অগ্রাধিকার দেয়, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্থ করে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘এ ধরনের বক্তব্য প্রচার করে এসব গণমাধ্যম শুধু সাংবাদিকতার সততাকে বিপণ্নই করছে না, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অহেতুক উত্তেজনা ছড়ানোর ঝুঁকিও তৈরি করছে। ভয়ভীতি ও বিভেদমূলক প্রচারণার শিকার হওয়ার চেয়ে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের জনগণেরই আরও বেশি কিছু প্রাপ্য। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর নৈতিক সাংবাদিকতা মেনে চলা, সত্যতা যাচাই করা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষতি করে— এমন যাচাইবিহীন দাবি ছড়ানো থেকে বিরত থাকা জরুরি।’

প্রেস উইং জানায়, ‘আমরা এই মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ধরনের গল্পগুলো প্রত্যাহার করতে, ব্যাখ্যা জারি করতে এবং দায়িত্বশীল প্রতিবেদনের প্রতি পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

‘ফাটল সৃষ্টি করাই যদি এ ধরনের প্রচারণাবাদী উদ্দেশ্য হয়, তাহলে উভয় দেশেরই দ্ব্যর্থহীনভাবে তাদের ঘৃণা, বিলোপ ও বদনাম করা উচিত। বাকস্বাধীনতার দোহাই দিয়ে এ ধরনের অপপ্রচার উপেক্ষা করা আক্রমণাত্মক ভুল তথ্যের প্রতি সহনশীলতা।’

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

১৬ মাস পর মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান সাবেক বিচারপতি মইনুল

কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গুম কমিশনেরও চেয়ারম্যান ছিলেন। একই কমিশনের আরও দুজন সদস্যকে মানবাধিকার কমিশনের কমিশনার করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. নূর খান ও নাবিলা ইদ্রিস।

১১ ঘণ্টা আগে

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান

অবস্থান সম্পর্কে ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হাদি হত্যা তদন্তের দাবিতে যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ও শহীদের স্ত্রী। সরকার, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দল সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে ইনকিলাব মঞ্চ। কিন্তু, ইনকিলাবকে সহযোগিতার বেলায় সবাই হাত গুটিয়েছে বারবার।

১৩ ঘণ্টা আগে

নির্বাচনী দায়িত্বে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে : সিআইডি প্রধান

সিআইডি প্রধান বলেন, নির্বাচনী দায়িত্ব সিআইডিসহ সমগ্র বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি পবিত্র আমানত। এই দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা, সততা ও পেশাদারত্ব অক্ষুণ্ন রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের জন্য সিআইডির সব সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে ইতোমধ্যে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে বিশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫২৬টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বাস্তবায়নের হার ৮৩ শতাংশ

তিনি আরও জানান, এই সময়ে মোট ১১৬টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ৩টি নীতিগতভাবে অনুমোদিত। এ ছাড়া, নীতি, নীতিমালা, কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ৩০টি নীতিমূলক দলিল প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি স্বাক্ষরিত বা অনুমোদিত এবং ১৪টি বাস্তবায়নের অধীনে রয়েছে।

১৩ ঘণ্টা আগে