
বিবিসি বাংলা

দুই হাজারেরও বেশি ‘বাংলাদেশি’কে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপের অপেক্ষায় আছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই বাংলাদেশিরা ‘বেআইনিভাবে’ ভারতে থাকছিলেন এবং তাদের প্রত্যর্পণের আগে পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ভারত বাংলাদেশকে জানিয়েছে বলেও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে বলেন, যেসব বিদেশি বেআইনিভাবে ভারতে আছেন, তারা বাংলাদেশি হোন বা যেকোনো দেশেরই হোন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জয়সওয়াল আরও বলেন, দুই হাজার তিন শরও বেশি এমন বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে রয়েছেন, যাদের প্রত্যর্পণ করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে তাদের নাগরিকত্ব যাচাই সম্পূর্ণ না হওয়ার কারণে তাদের নিজ দেশে ফেরত দেওয়া যাচ্ছে না।
এদের মধ্যে এমন মানুষও রয়েছেন, যারা বেআইনিভাবে ভারতে এসে ধরা পড়েন এবং কারাদণ্ড ভোগ করেন। তবে সাজার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই না হওয়ায় তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যায়নি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ভারতে একটি বড় সংখ্যায় বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন, যাদের প্রত্যর্পণ করা হবে। আমরা বাংলাদেশকে জানিয়েছি এদের নাগরিকত্ব যাচাই করে দেখতে। প্রত্যর্পণের অপেক্ষায় আছেন, এরকম ২৩৬০ জনেরও বেশি মানুষের তালিকা রয়েছে। এদের অনেকেই তাদের কারাবাসের সাজা সম্পূর্ণ করেছেন।
গত পাঁচ বছর ধরে এই বাংলাদেশিদের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে উল্লেখ করে জয়সওয়াল বলেন, আমরা বাংলাদেশকে অনুরোধ করব, তারা যেন দ্রুততার সঙ্গে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজটা শেষ করে, যেন বাংলাদেশের কাছে যাদের প্রত্যর্পণ করার কথা তাদের ফেরত দেওয়া যায়।
ভারতে যদি কোনো বিদেশি বেআইনিভাবে, অর্থাৎ বৈধ ভিসা ছাড়া প্রবেশ করে গ্রেপ্তার হন, তাহলে বিদেশি আইনের (ফরেনার্স অ্যাক্ট) ১৪ নম্বর ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। আদালত তাকে যতদিনের সাজা দেন, সেই মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ভারতীয় রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানায়।
সেখান থেকে সেই তথ্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে বাংলাদেশের দূতাবাস, তারপর বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট থানায় পৌঁছায় নথি। যাচাইয়ের পরে ওই একই পথে তা আবার ফিরে যায় ভারতের কারা কর্তৃপক্ষের কাছে।
এরপর কারা কর্তৃপক্ষ স্থানীয় পুলিশের মাধ্যমে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই বাংলাদেশি নাগরিককে হস্তান্তর করে। বিএসএফ আবার বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে ফেরত দেয়।
এই পুরো পদ্ধতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাজার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও ওই বাংলাদেশি নাগরিককে জেলেই থাকতে হয়। এদের বলা হয়ে থাকে ‘জান-খালাস’।

সম্প্রতি গুজরাটে অভিযান চালিয়ে সহস্রাধিক ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিকে আটক করে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: এনডিটিভি
কলকাতায় এই জান-খালাস বন্দিদের (যাদের সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে, কিন্তু এখনো কারাগার থেকে বের হননি) নিয়ে কাজ করেন, এমন মানবাধিকার কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া দ্রুততর করার আবেদন জানিয়ে আসছেন।
তারা প্রশ্ন তুলেছেন, কেন নাগরিকত্ব যাচাইয়ের এই প্রক্রিয়া সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে শুরু না করে আগে থেকেই তা চালু করা হয় না? একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করে থাকেন, পরিচয় যাচাইয়ের কাজ যেহেতু হয়ে থাকে বাংলাদেশে, সেখানেও যথেষ্ট বিলম্ব ঘটে থাকে।
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সামাজিক কর্মকর্তা সূরজ দাস নিয়মিতভাবেই ভারতে আটক হওয়া কিশোর-কিশোরীদের প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে থাকেন। তিনি বলেন, আমরা যেটা দেখি যে বাংলাদেশের তরফে নাগরিকত্ব যাচাইয়ে প্রচুর সময় লেগে যায়। প্রথমে তো বাংলাদেশ থেকে স্বীকারই করতে চাওয়া হয় না যে ওই ব্যক্তি সে দেশের নাগরিক। ‘নট ফাউন্ড’ বলে নোট দিয়ে দেয়। এরপর যাদের পরিবারের সামর্থ্য আছে, তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নথি জমা করলে দ্বিতীয়বার ভেরিফিকেশন হয়।
সূরজ দাস আরও বলেন, শিশু-কিশোর ও তাদের পরিবারের কাছ থেকেই আমরা জানতে পারি যে সে দেশে স্থানীয় স্তরে কিছু দালাল শ্রেণির মানুষও আছেন, যারা অর্থের বিনিময়ে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজ করে থাকেন। সেই অর্থ যাদের দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাদের ভেরিফিকেশনও আটকে থাকে মাসের পর মাস।
প্রত্যর্পণের বাইরেও দুই দেশের সমন্বয়ের মাধ্যমে যে বন্দি বিনিময় হয়েছে, তার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ গত বছর ডিসেম্বর মাসে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় আটক বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও একই সময়ে বাংলাদেশে ধৃত ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ফেরত দেওয়ার ঘটনা।
কিন্তু সম্প্রতি ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে কথিত বেআইনি বাংলাদেশি চিহ্নিতকরণের যে অভিযান চলছে, তাদের ক্ষেত্রে এই পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে না বলেই একাধিক নিরাপত্তা এজেন্সি বিবিসির কাছে নিশ্চিত করেছে। মূলত গুজরাট, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশে এ ধরনের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।
ওই সব রাজ্যে বিবিসির সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ‘প্রত্যর্পণ’ করার কথা বলা হলেও তাদের প্রায় কাউকেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি, আদালতের সামনেও হাজির করা হয়নি।
আটক হওয়ার পরে তাদের ‘ডিটেনশন সেন্টারে’ রাখা হচ্ছে। সেখান থেকে ধাপে ধাপে তাদের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কোনো রাজ্যে নিয়ে গিয়ে সীমান্ত দিয়ে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এই পদ্ধতিকেই বলা হয়ে থাকে ভারত থেকে ‘পুশ-ব্যাক’ বা বাংলাদেশে ‘পুশ-ইন’।
এ ক্ষেত্রে বেআইনি বলে যাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে, তারা আসলেই বাংলাদেশের নাগরিক কি না, না কি তারা বাংলাভাষী ভারতীয়, এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

দুই হাজারেরও বেশি ‘বাংলাদেশি’কে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপের অপেক্ষায় আছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই বাংলাদেশিরা ‘বেআইনিভাবে’ ভারতে থাকছিলেন এবং তাদের প্রত্যর্পণের আগে পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ভারত বাংলাদেশকে জানিয়েছে বলেও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে বলেন, যেসব বিদেশি বেআইনিভাবে ভারতে আছেন, তারা বাংলাদেশি হোন বা যেকোনো দেশেরই হোন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জয়সওয়াল আরও বলেন, দুই হাজার তিন শরও বেশি এমন বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে রয়েছেন, যাদের প্রত্যর্পণ করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে তাদের নাগরিকত্ব যাচাই সম্পূর্ণ না হওয়ার কারণে তাদের নিজ দেশে ফেরত দেওয়া যাচ্ছে না।
এদের মধ্যে এমন মানুষও রয়েছেন, যারা বেআইনিভাবে ভারতে এসে ধরা পড়েন এবং কারাদণ্ড ভোগ করেন। তবে সাজার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই না হওয়ায় তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যায়নি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ভারতে একটি বড় সংখ্যায় বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন, যাদের প্রত্যর্পণ করা হবে। আমরা বাংলাদেশকে জানিয়েছি এদের নাগরিকত্ব যাচাই করে দেখতে। প্রত্যর্পণের অপেক্ষায় আছেন, এরকম ২৩৬০ জনেরও বেশি মানুষের তালিকা রয়েছে। এদের অনেকেই তাদের কারাবাসের সাজা সম্পূর্ণ করেছেন।
গত পাঁচ বছর ধরে এই বাংলাদেশিদের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে উল্লেখ করে জয়সওয়াল বলেন, আমরা বাংলাদেশকে অনুরোধ করব, তারা যেন দ্রুততার সঙ্গে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজটা শেষ করে, যেন বাংলাদেশের কাছে যাদের প্রত্যর্পণ করার কথা তাদের ফেরত দেওয়া যায়।
ভারতে যদি কোনো বিদেশি বেআইনিভাবে, অর্থাৎ বৈধ ভিসা ছাড়া প্রবেশ করে গ্রেপ্তার হন, তাহলে বিদেশি আইনের (ফরেনার্স অ্যাক্ট) ১৪ নম্বর ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। আদালত তাকে যতদিনের সাজা দেন, সেই মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ভারতীয় রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানায়।
সেখান থেকে সেই তথ্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে বাংলাদেশের দূতাবাস, তারপর বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট থানায় পৌঁছায় নথি। যাচাইয়ের পরে ওই একই পথে তা আবার ফিরে যায় ভারতের কারা কর্তৃপক্ষের কাছে।
এরপর কারা কর্তৃপক্ষ স্থানীয় পুলিশের মাধ্যমে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই বাংলাদেশি নাগরিককে হস্তান্তর করে। বিএসএফ আবার বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে ফেরত দেয়।
এই পুরো পদ্ধতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাজার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও ওই বাংলাদেশি নাগরিককে জেলেই থাকতে হয়। এদের বলা হয়ে থাকে ‘জান-খালাস’।

সম্প্রতি গুজরাটে অভিযান চালিয়ে সহস্রাধিক ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিকে আটক করে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: এনডিটিভি
কলকাতায় এই জান-খালাস বন্দিদের (যাদের সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে, কিন্তু এখনো কারাগার থেকে বের হননি) নিয়ে কাজ করেন, এমন মানবাধিকার কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া দ্রুততর করার আবেদন জানিয়ে আসছেন।
তারা প্রশ্ন তুলেছেন, কেন নাগরিকত্ব যাচাইয়ের এই প্রক্রিয়া সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে শুরু না করে আগে থেকেই তা চালু করা হয় না? একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করে থাকেন, পরিচয় যাচাইয়ের কাজ যেহেতু হয়ে থাকে বাংলাদেশে, সেখানেও যথেষ্ট বিলম্ব ঘটে থাকে।
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সামাজিক কর্মকর্তা সূরজ দাস নিয়মিতভাবেই ভারতে আটক হওয়া কিশোর-কিশোরীদের প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে থাকেন। তিনি বলেন, আমরা যেটা দেখি যে বাংলাদেশের তরফে নাগরিকত্ব যাচাইয়ে প্রচুর সময় লেগে যায়। প্রথমে তো বাংলাদেশ থেকে স্বীকারই করতে চাওয়া হয় না যে ওই ব্যক্তি সে দেশের নাগরিক। ‘নট ফাউন্ড’ বলে নোট দিয়ে দেয়। এরপর যাদের পরিবারের সামর্থ্য আছে, তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নথি জমা করলে দ্বিতীয়বার ভেরিফিকেশন হয়।
সূরজ দাস আরও বলেন, শিশু-কিশোর ও তাদের পরিবারের কাছ থেকেই আমরা জানতে পারি যে সে দেশে স্থানীয় স্তরে কিছু দালাল শ্রেণির মানুষও আছেন, যারা অর্থের বিনিময়ে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কাজ করে থাকেন। সেই অর্থ যাদের দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাদের ভেরিফিকেশনও আটকে থাকে মাসের পর মাস।
প্রত্যর্পণের বাইরেও দুই দেশের সমন্বয়ের মাধ্যমে যে বন্দি বিনিময় হয়েছে, তার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ গত বছর ডিসেম্বর মাসে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় আটক বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও একই সময়ে বাংলাদেশে ধৃত ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ফেরত দেওয়ার ঘটনা।
কিন্তু সম্প্রতি ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে কথিত বেআইনি বাংলাদেশি চিহ্নিতকরণের যে অভিযান চলছে, তাদের ক্ষেত্রে এই পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে না বলেই একাধিক নিরাপত্তা এজেন্সি বিবিসির কাছে নিশ্চিত করেছে। মূলত গুজরাট, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশে এ ধরনের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।
ওই সব রাজ্যে বিবিসির সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ‘প্রত্যর্পণ’ করার কথা বলা হলেও তাদের প্রায় কাউকেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি, আদালতের সামনেও হাজির করা হয়নি।
আটক হওয়ার পরে তাদের ‘ডিটেনশন সেন্টারে’ রাখা হচ্ছে। সেখান থেকে ধাপে ধাপে তাদের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কোনো রাজ্যে নিয়ে গিয়ে সীমান্ত দিয়ে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এই পদ্ধতিকেই বলা হয়ে থাকে ভারত থেকে ‘পুশ-ব্যাক’ বা বাংলাদেশে ‘পুশ-ইন’।
এ ক্ষেত্রে বেআইনি বলে যাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে, তারা আসলেই বাংলাদেশের নাগরিক কি না, না কি তারা বাংলাভাষী ভারতীয়, এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাকে তার নামের পাশে উল্লেখিত পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো। কর্মকর্তার নাম, পরিচিতি নম্বর, বর্তমান পদবি ও কর্মস্থল : ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন (৬৩৫৯) রেক্টর (সচিব), জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমি। পদায়নকৃত পদ, সচিব পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অ
১৭ ঘণ্টা আগে
এ নিয়ে আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০ জন, যা ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ওই নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অবৈধ দোকান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ‘মানহানিকর’ বক্তব্য ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে সর্বমিত্র চাকমাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই নোটিশ প্রেরণ করেন জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সহসভাপতি নুরুল গনি সগীরের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুস শাকিব।
১৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনকালীন রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবির প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
১ দিন আগে