
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ফিলিস্তিন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং দ্বিরাষ্ট্র ভিত্তিক টেকসই রাজনৈতিক সমাধান বাস্তবায়ন নিয়ে আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
রোববার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা যায়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের গৃহীত একটি প্রস্তাবের আলোকে ফ্রান্স ও সৌদি আরবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনটি ২৮ ও ২৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।
সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিত্ব করবেন উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি গাজা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দ্বিরাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানকে পুনরুজ্জীবিত করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে বাংলাদেশের অবিচল অবস্থান তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সম্মেলনে আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং নিরাপত্তা ও সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবনার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও সময়বদ্ধ রোডম্যাপের পক্ষে জোরালো মত তুলে ধরবেন তিনি।
এই সম্মেলনকে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে মানবিক সহায়তার প্রবাহ নিশ্চিত করা, গাজায় প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন, এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদানে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক পরিসরে ফিলিস্তিনের ন্যায্য দাবি ও স্বাধীনতার পক্ষে সরব কণ্ঠস্বর হয়ে আছে। ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন স্বাধীনতা ঘোষণা করার পরই বাংলাদেশ প্রথম দিকের স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলোর একটি হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেয়।
আগামী ১ আগস্ট দেশে ফেরার কথা রয়েছে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ফিলিস্তিন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং দ্বিরাষ্ট্র ভিত্তিক টেকসই রাজনৈতিক সমাধান বাস্তবায়ন নিয়ে আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
রোববার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা যায়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের গৃহীত একটি প্রস্তাবের আলোকে ফ্রান্স ও সৌদি আরবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনটি ২৮ ও ২৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।
সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিত্ব করবেন উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি গাজা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দ্বিরাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানকে পুনরুজ্জীবিত করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে বাংলাদেশের অবিচল অবস্থান তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সম্মেলনে আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং নিরাপত্তা ও সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবনার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও সময়বদ্ধ রোডম্যাপের পক্ষে জোরালো মত তুলে ধরবেন তিনি।
এই সম্মেলনকে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে মানবিক সহায়তার প্রবাহ নিশ্চিত করা, গাজায় প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন, এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদানে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক পরিসরে ফিলিস্তিনের ন্যায্য দাবি ও স্বাধীনতার পক্ষে সরব কণ্ঠস্বর হয়ে আছে। ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন স্বাধীনতা ঘোষণা করার পরই বাংলাদেশ প্রথম দিকের স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলোর একটি হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেয়।
আগামী ১ আগস্ট দেশে ফেরার কথা রয়েছে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এ মন্তব্য করেন তিনি। ‘হামের প্রাদুর্ভাব ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)।
৫ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার, সেবামুখী মনোভাব গড়ে তোলা এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
গত কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে হাওর অঞ্চলে ব্যপক ফসলহানির ঘটনা ঘটেছে। এই বিপর্যয়কে ‘মানবসৃষ্ট’ বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি। একই সঙ্গে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাসহ দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে ৩ জন এবং হামের উপসর্গে ৬ জন মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৫২ জনে।
৯ ঘণ্টা আগে