
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' স্লোগান নিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই স্লোগানকে 'বাংলা বিরোধী' এবং 'ভাষা কেড়ে নেওয়াদের ভাষা' বলে অভিহিত করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
মন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে জুলাই বিপ্লবের দুই শীর্ষ নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর ফেসবুক স্ট্যাটাস মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়, যা সরকারের ভেতরে ও বাইরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, "আজকের জেন-জি যদি ইনকিলাব বলে, তবে আমার রক্তক্ষরণ হয়। বাংলাকে ধারণ করতে হলে 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' চলবে না। এগুলোর সাথে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, এগুলো তাদের ভাষা।" তিনি আরও যোগ করেন, এই মন্তব্যের কারণে তাকে 'ভারতের দালাল' বলা হলেও তিনি পরোয়া করেন না।
মন্ত্রীর বক্তব্যের পর সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মাত্র দুই শব্দের একটি স্ট্যাটাস দেন কুমিল্লা-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম এই বীর সেনানী লেখেন— ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’
পোস্টটি দেওয়ার মাত্র ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এতে ৬ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি রিয়েকশন, ৮২ হাজার মন্তব্য এবং সাড়ে ২৩ হাজার শেয়ার হয়। নেটিজেনরা একে মন্ত্রীর বক্তব্যের সরাসরি 'রাজনৈতিক জবাব' হিসেবে দেখছেন।
একই ইস্যুতে সরব হয়েছেন চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীও। তিনি ফেসবুকে লেখেন— ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ! চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ!' তার এই পোস্টটিও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র ৪ ঘণ্টায় প্রায় ২ লাখ রিয়েকশন ও ১৬ হাজার মন্তব্য জমা হয়েছে তার পোস্টে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, 'ইনকিলাব' একটি আরবি শব্দ যার অর্থ 'বিপ্লব'। ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ভগত সিং এবং হসরত মোহানি এই 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' স্লোগানকে জনপ্রিয় করেছিলেন। এটি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ভাষার বিরুদ্ধে নয়, বরং শোষণের বিরুদ্ধে একটি বৈশ্বিক বিপ্লবী স্লোগান। তাই একে 'মাতৃভাষা বিরোধী' হিসেবে আখ্যা দেওয়াকে ঐতিহাসিক তথ্যের বিকৃতি বলে মনে করছেন অনেকে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে 'ইনকিলাব' শব্দটি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। জেন-জি এই শব্দের মাধ্যমে কোনো বিদেশি সংস্কৃতি নয়, বরং প্রচলিত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিল। মন্ত্রীর এই স্লোগান বিরোধী বক্তব্যকে সেই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে অস্বীকার করার শামিল বলে মনে করছেন তারা।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন লিখেছেন,"টুকু ভাই, বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের মুখে ‘ইনকিলাব’ স্লোগান শুনে আপনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয় দেখে আমরা বিস্মিত। সত্য তো এই যে, আপনার এই বিমর্ষ প্রতিক্রিয়া আমাদেরও ব্যথিত করে। আপনি সম্ভবত এই স্লোগানের শক্তি এবং আবেগ বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। আপনি কোন জায়গায় হাত দিয়েছন নিজেও জানেন না।মনে রাখবেন, এই ‘ইনকিলাব’ বা বিপ্লবের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়েই ছাত্র-জনতা দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়েছে। সেখানে তো তোমাকে আমরা গুনাই ধরি না। দায়িত্বশীল পদে থেকে জনআকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে না গিয়ে বরং গঠনমূলক কাজে মনোনিবেশ করাই আপনার জন্য শ্রেয় হবে।"
আলাউদ্দিন সোহরাব লিখেছেন, টুকু সাহেব, আপনার অতীত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দেশের মানুষ যথেষ্ট সচেতন। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন খাতটিতে দৃশ্যমান কোনো উন্নতি করতে না পারলেও, এখন আপনার বড় বড় বুলি মানায় না। জনগণের পালস বোঝার চেষ্টা করুন; তথাকথিত নির্দিষ্ট বলয়ের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হবেন না। মনে রাখবেন, ২০২৪-এর বিপ্লবীরা কিন্তু সজাগ। প্রথম *** মার্কা চেতনা বাদ দিয়ে মানুষের পালস বোঝার চেষ্টা করেন। নব্য ফ্যাসিস্ট হওয়ার চেষ্টা করলে টেনে নামাতে ২৪ এর বিপ্লবীদের এক মুহূর্তও সময় লাগবে না।

'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' স্লোগান নিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই স্লোগানকে 'বাংলা বিরোধী' এবং 'ভাষা কেড়ে নেওয়াদের ভাষা' বলে অভিহিত করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
মন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে জুলাই বিপ্লবের দুই শীর্ষ নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর ফেসবুক স্ট্যাটাস মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়, যা সরকারের ভেতরে ও বাইরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, "আজকের জেন-জি যদি ইনকিলাব বলে, তবে আমার রক্তক্ষরণ হয়। বাংলাকে ধারণ করতে হলে 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' চলবে না। এগুলোর সাথে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, এগুলো তাদের ভাষা।" তিনি আরও যোগ করেন, এই মন্তব্যের কারণে তাকে 'ভারতের দালাল' বলা হলেও তিনি পরোয়া করেন না।
মন্ত্রীর বক্তব্যের পর সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মাত্র দুই শব্দের একটি স্ট্যাটাস দেন কুমিল্লা-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম এই বীর সেনানী লেখেন— ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’
পোস্টটি দেওয়ার মাত্র ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এতে ৬ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি রিয়েকশন, ৮২ হাজার মন্তব্য এবং সাড়ে ২৩ হাজার শেয়ার হয়। নেটিজেনরা একে মন্ত্রীর বক্তব্যের সরাসরি 'রাজনৈতিক জবাব' হিসেবে দেখছেন।
একই ইস্যুতে সরব হয়েছেন চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীও। তিনি ফেসবুকে লেখেন— ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ! চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ!' তার এই পোস্টটিও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র ৪ ঘণ্টায় প্রায় ২ লাখ রিয়েকশন ও ১৬ হাজার মন্তব্য জমা হয়েছে তার পোস্টে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, 'ইনকিলাব' একটি আরবি শব্দ যার অর্থ 'বিপ্লব'। ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ভগত সিং এবং হসরত মোহানি এই 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' স্লোগানকে জনপ্রিয় করেছিলেন। এটি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ভাষার বিরুদ্ধে নয়, বরং শোষণের বিরুদ্ধে একটি বৈশ্বিক বিপ্লবী স্লোগান। তাই একে 'মাতৃভাষা বিরোধী' হিসেবে আখ্যা দেওয়াকে ঐতিহাসিক তথ্যের বিকৃতি বলে মনে করছেন অনেকে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে 'ইনকিলাব' শব্দটি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। জেন-জি এই শব্দের মাধ্যমে কোনো বিদেশি সংস্কৃতি নয়, বরং প্রচলিত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিল। মন্ত্রীর এই স্লোগান বিরোধী বক্তব্যকে সেই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে অস্বীকার করার শামিল বলে মনে করছেন তারা।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন লিখেছেন,"টুকু ভাই, বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের মুখে ‘ইনকিলাব’ স্লোগান শুনে আপনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয় দেখে আমরা বিস্মিত। সত্য তো এই যে, আপনার এই বিমর্ষ প্রতিক্রিয়া আমাদেরও ব্যথিত করে। আপনি সম্ভবত এই স্লোগানের শক্তি এবং আবেগ বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। আপনি কোন জায়গায় হাত দিয়েছন নিজেও জানেন না।মনে রাখবেন, এই ‘ইনকিলাব’ বা বিপ্লবের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়েই ছাত্র-জনতা দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়েছে। সেখানে তো তোমাকে আমরা গুনাই ধরি না। দায়িত্বশীল পদে থেকে জনআকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে না গিয়ে বরং গঠনমূলক কাজে মনোনিবেশ করাই আপনার জন্য শ্রেয় হবে।"
আলাউদ্দিন সোহরাব লিখেছেন, টুকু সাহেব, আপনার অতীত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দেশের মানুষ যথেষ্ট সচেতন। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন খাতটিতে দৃশ্যমান কোনো উন্নতি করতে না পারলেও, এখন আপনার বড় বড় বুলি মানায় না। জনগণের পালস বোঝার চেষ্টা করুন; তথাকথিত নির্দিষ্ট বলয়ের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হবেন না। মনে রাখবেন, ২০২৪-এর বিপ্লবীরা কিন্তু সজাগ। প্রথম *** মার্কা চেতনা বাদ দিয়ে মানুষের পালস বোঝার চেষ্টা করেন। নব্য ফ্যাসিস্ট হওয়ার চেষ্টা করলে টেনে নামাতে ২৪ এর বিপ্লবীদের এক মুহূর্তও সময় লাগবে না।

তিনি বিভিন্ন দাপ্তরিক প্রধানদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যশোরের হয়ে আমার কাছ থেকে কাজ আদায় করে নেন। আমি আপনাদের হয়ে মন্ত্রণালয়ে দৌড়াব। অতীতে জনগণের সঙ্গে কোনও প্রকার সংযোগ ছাড়াই কাজ হয়েছে। যে কারণে জনগণের কোনও সমস্যার সমাধান হয়নি। যশোর শিশু হাসপাতালের এনআইসিইউ, করোনারী কেয়ার ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ রূপ যশোর ম
১৬ ঘণ্টা আগে
এ পরিস্থিতির জন্য প্রকাশক ঐক্য দায়ী করছে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমকে। প্রকাশকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনটি শর্ত নিয়ে সমঝোতা হলেও ডিজি সেগুলো উপেক্ষা করেই মেলা আয়োজন করছেন বলে অভিযোগ তাদের।
১৬ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে সংসদ নেতা হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার শহরের বাইরে স্থানান্তরের বিষয়ে কুমিল্লাবাসীর সঙ্গে তার মতের মিল রয়েছে। কারাগারটি শহরের বাইরে নির্মাণের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া কুমিল্লা শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন মন্ত্রী।
১৭ ঘণ্টা আগে