
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী বল প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলিস্তানে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম এলাকায় ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গুলিস্তানের জাতীয় স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জাতীয় স্টেডিয়ামের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সভায় ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগরসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আন্তপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় সেনাপ্রধান পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং নাগরিক-বান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী। যেখানে সেনা মোতায়েন রয়েছে, সেনাপ্রধান স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন— আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করব। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করাই আমাদের অন্যতম দায়িত্ব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারলে জনগণই সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা বুঝতে পারবে। আলাদা করে কিছু প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।’
নির্বাচনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ প্রসঙ্গে মনজুর হোসেন জানান, সেনাবাহিনীর জন্য নির্দিষ্ট ‘রুলস অব এনগেজমেন্ট’ রয়েছে। আইনের আওতায় থেকেই সেনাসদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। কোনো পরিস্থিতিতে যদি বলপ্রয়োগ একান্ত প্রয়োজন হয়, তবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ধাপে ধাপে বলপ্রয়োগের মাত্রা বাড়ানো হবে।
এই সেনা কর্মকর্তা আরও বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে গত ২০ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং উপজেলা পর্যায়ে ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন।
এ ছাড়া নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রসঙ্গে জামায়াত ও বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন এলেই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের একটি সংস্কৃতি দেখা আছে আমাদের। যতক্ষণ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি না হয় বা তারা হয়রানির শিকার না হয়, ততক্ষণ মাঠ প্রশাসনের সহায়তা চাওয়া হলে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করবে। নির্বাচনের আচরণবিধি দেখবে নির্বাচন কমিশন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী বল প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলিস্তানে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম এলাকায় ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গুলিস্তানের জাতীয় স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জাতীয় স্টেডিয়ামের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সভায় ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগরসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আন্তপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় সেনাপ্রধান পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং নাগরিক-বান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী। যেখানে সেনা মোতায়েন রয়েছে, সেনাপ্রধান স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন— আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করব। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করাই আমাদের অন্যতম দায়িত্ব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারলে জনগণই সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা বুঝতে পারবে। আলাদা করে কিছু প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।’
নির্বাচনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ প্রসঙ্গে মনজুর হোসেন জানান, সেনাবাহিনীর জন্য নির্দিষ্ট ‘রুলস অব এনগেজমেন্ট’ রয়েছে। আইনের আওতায় থেকেই সেনাসদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। কোনো পরিস্থিতিতে যদি বলপ্রয়োগ একান্ত প্রয়োজন হয়, তবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ধাপে ধাপে বলপ্রয়োগের মাত্রা বাড়ানো হবে।
এই সেনা কর্মকর্তা আরও বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে গত ২০ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং উপজেলা পর্যায়ে ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন।
এ ছাড়া নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রসঙ্গে জামায়াত ও বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন এলেই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের একটি সংস্কৃতি দেখা আছে আমাদের। যতক্ষণ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি না হয় বা তারা হয়রানির শিকার না হয়, ততক্ষণ মাঠ প্রশাসনের সহায়তা চাওয়া হলে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করবে। নির্বাচনের আচরণবিধি দেখবে নির্বাচন কমিশন।’

তিনি আরও জানান, এই সময়ে মোট ১১৬টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ৩টি নীতিগতভাবে অনুমোদিত। এ ছাড়া, নীতি, নীতিমালা, কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ৩০টি নীতিমূলক দলিল প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি স্বাক্ষরিত বা অনুমোদিত এবং ১৪টি বাস্তবায়নের অধীনে রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সংবিধান অনুযায়ী, সাধারণত আগের সংসদের স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। তবে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর গত ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেননি।
৫ ঘণ্টা আগে
বদলির আদেশ পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন- পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি এম এ জলিলকে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়, পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাইফুজ্জামান ফারুকীকে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন কে গাজীপুর মহানগর পুলিশে
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে একদিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।
৬ ঘণ্টা আগে