
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আগুন লেগে হেলাল মিয়া নামে এক দিনমজুরের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে পরিবার নিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হেলাল মিয়া।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে মির্জাপুরের বাওয়ার কুমারজানী পূর্ব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হেলাল মিয়া বাওয়ার কুমারজানী পূর্ব গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে। আগুনে অন্তত তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে হেলাল মিয়ার থাকার ঘরের উত্তর পাশের কোনায় হঠাৎ করে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আগুন লাগলে ঘরে থাকা কিছুই বাঁচাতে পারেননি দিনমজুর হেলাল মিয়া। ছবি: রাজনীতি ডটকম
ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা জানান, খবর পেয়ে মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। কিন্তু ততক্ষণে হেলাল মিয়ার বসতঘর ও ঘরে থাকা ধান-চাল, একটি ছাগল ও আববাবপত্রসহ সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, রান্না করার চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই ঘর ও ঘরে থাকা সবকিছু পুড়ে গেছে। তবে আগুন যেন প্রতিবেশীদের ঘরবাড়িতে না ছড়ায়, সেটি নিশ্চিত করতে পেরেছে ফায়ার সার্ভিস।
দিনমজুর হেলাল মিয়ার এভাবে গৃহহীন হয়ে পড়ায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন স্থানীয়রাও। তারা সমাজের বিত্তবানসহ সরকারকেও হেলাল মিয়ার সহায়তায় এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আগুন লেগে হেলাল মিয়া নামে এক দিনমজুরের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে পরিবার নিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হেলাল মিয়া।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে মির্জাপুরের বাওয়ার কুমারজানী পূর্ব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হেলাল মিয়া বাওয়ার কুমারজানী পূর্ব গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে। আগুনে অন্তত তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে হেলাল মিয়ার থাকার ঘরের উত্তর পাশের কোনায় হঠাৎ করে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আগুন লাগলে ঘরে থাকা কিছুই বাঁচাতে পারেননি দিনমজুর হেলাল মিয়া। ছবি: রাজনীতি ডটকম
ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা জানান, খবর পেয়ে মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। কিন্তু ততক্ষণে হেলাল মিয়ার বসতঘর ও ঘরে থাকা ধান-চাল, একটি ছাগল ও আববাবপত্রসহ সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, রান্না করার চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই ঘর ও ঘরে থাকা সবকিছু পুড়ে গেছে। তবে আগুন যেন প্রতিবেশীদের ঘরবাড়িতে না ছড়ায়, সেটি নিশ্চিত করতে পেরেছে ফায়ার সার্ভিস।
দিনমজুর হেলাল মিয়ার এভাবে গৃহহীন হয়ে পড়ায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন স্থানীয়রাও। তারা সমাজের বিত্তবানসহ সরকারকেও হেলাল মিয়ার সহায়তায় এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
৮ ঘণ্টা আগে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১৩ ঘণ্টা আগে