
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’ এবং ‘বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (BPJA)’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতা ‘Echoes of the Earth: Photography for the Planet’ আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শুরু হয়েছে।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামীকাল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনীটি উন্মুক্ত থাকবে।
এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
পুরস্কার বিজয়ীরা হলেন—
জ্বালানি বিভাগ: প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (বিডি নিউজ ২৪), দ্বিতীয় হাবিবুর রহমান (ডেইলি স্টার) এবং তৃতীয় মিনহাজ উদ্দিন (বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড)।
পরিবেশ বিভাগ: প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন মামুনুর রশীদ (দৈনিক সমকাল), দ্বিতীয় মেহেদী হাসান (আজকের পত্রিকা) এবং তৃতীয় শেখ নাসির (ডেইলি স্টার)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস. মুরশিদ। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীজুড়ে পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশের অবস্থা আরও শোচনীয়। আমরা সরকার গঠনের পর কাজ শুরু করে দেখেছি নানা সংকট। সমাজে একটি চৌর্যবৃত্তির কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। সরকার এবং তার চারপাশের সকলের দৃঢ় সংকল্প না থাকলে এই কাঠামো ভাঙা এবং সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিশুদের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে হলে আমাদের যুদ্ধ করতে হবে। কোটা আন্দোলন থেকে যদি সরকার পতন হতে পারে, তবে পরিবেশ, নদী এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আরও বড় আন্দোলন হওয়া দরকার। আজকের প্রদর্শিত ছবিগুলো আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আমরা কেমন পরিবেশে বসবাস করছি।’
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তারা টেকসই উন্নয়ন ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’-এর সদস্য সচিব শরীফ জামিল আয়োজনের পটভূমি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘একজন পরিবেশকর্মী সারাদিন কথা বলে মানুষকে যতটুকু বোঝাতে পারেন, একজন ফটো সাংবাদিকের তোলা একটি মাত্র ছবি তার চেয়ে অনেক বেশি প্রভাব বিস্তার করতে পারে। জনসচেতনতা তৈরির এই শক্তিশালী মাধ্যমটিকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশের বাস্তব চিত্র তুলে ধরাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
‘ঢাকা শহরের পরিবেশ কতটুকু খারাপ, তা বোঝার জন্য এখন আর কোনো গবেষণার প্রয়োজন নেই; আমরা খালি চোখেই তা দেখতে পাচ্ছি। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে আর নদী বলা যায় না। পরিবেশ বিপর্যয়ের এই কঠিন সত্যগুলোই আলোকচিত্রের মাধ্যমে মানুষের সামনে আরও জোরালোভাবে ফুটে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি,’— বলেন শরীফ জামিল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্রের টেম্পল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও ‘ধরা’র উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, তারা ক্লাইমেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. শওকত আরা বেগম এবং বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’ এবং ‘বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (BPJA)’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতা ‘Echoes of the Earth: Photography for the Planet’ আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শুরু হয়েছে।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামীকাল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনীটি উন্মুক্ত থাকবে।
এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
পুরস্কার বিজয়ীরা হলেন—
জ্বালানি বিভাগ: প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (বিডি নিউজ ২৪), দ্বিতীয় হাবিবুর রহমান (ডেইলি স্টার) এবং তৃতীয় মিনহাজ উদ্দিন (বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড)।
পরিবেশ বিভাগ: প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন মামুনুর রশীদ (দৈনিক সমকাল), দ্বিতীয় মেহেদী হাসান (আজকের পত্রিকা) এবং তৃতীয় শেখ নাসির (ডেইলি স্টার)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস. মুরশিদ। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীজুড়ে পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশের অবস্থা আরও শোচনীয়। আমরা সরকার গঠনের পর কাজ শুরু করে দেখেছি নানা সংকট। সমাজে একটি চৌর্যবৃত্তির কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। সরকার এবং তার চারপাশের সকলের দৃঢ় সংকল্প না থাকলে এই কাঠামো ভাঙা এবং সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিশুদের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে হলে আমাদের যুদ্ধ করতে হবে। কোটা আন্দোলন থেকে যদি সরকার পতন হতে পারে, তবে পরিবেশ, নদী এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আরও বড় আন্দোলন হওয়া দরকার। আজকের প্রদর্শিত ছবিগুলো আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আমরা কেমন পরিবেশে বসবাস করছি।’
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তারা টেকসই উন্নয়ন ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’-এর সদস্য সচিব শরীফ জামিল আয়োজনের পটভূমি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘একজন পরিবেশকর্মী সারাদিন কথা বলে মানুষকে যতটুকু বোঝাতে পারেন, একজন ফটো সাংবাদিকের তোলা একটি মাত্র ছবি তার চেয়ে অনেক বেশি প্রভাব বিস্তার করতে পারে। জনসচেতনতা তৈরির এই শক্তিশালী মাধ্যমটিকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশের বাস্তব চিত্র তুলে ধরাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
‘ঢাকা শহরের পরিবেশ কতটুকু খারাপ, তা বোঝার জন্য এখন আর কোনো গবেষণার প্রয়োজন নেই; আমরা খালি চোখেই তা দেখতে পাচ্ছি। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে আর নদী বলা যায় না। পরিবেশ বিপর্যয়ের এই কঠিন সত্যগুলোই আলোকচিত্রের মাধ্যমে মানুষের সামনে আরও জোরালোভাবে ফুটে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি,’— বলেন শরীফ জামিল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্রের টেম্পল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও ‘ধরা’র উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, তারা ক্লাইমেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. শওকত আরা বেগম এবং বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১৬টি সংসদীয় আসনে ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার পৌঁছে গেছে। বাকি সকল আসনে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যালট পেপার পৌঁছানো হবে।
৯ ঘণ্টা আগে