
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মনোনয়ন ও পদ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থসম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দুদক বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে জি এম কাদের এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এসব প্রয়াসকে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
দুদক সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন বাণিজ্য করে ১৮ কোটি টাকা ১০ লাখ নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া দলীয় পদ বাণিজ্য করে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করে বিদেশে পাচার করেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জি এম কাদের জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হন এবং দলীয় পদ বাণিজ্য ও মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করেন, যা পরে বিদেশে পাচার করা হয়। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি ৩০১ সদস্যের হলেও পদ বাণিজ্য করতেই কমিটিতে ৬০০ থেকে ৬৫০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আক্তার হোসেন বলেন, জি এম কাদের সিঙ্গাপুর, লন্ডন, সিডনিসহ বিভিন্ন দেশে নামে-বেনামে সম্পদ পাচার করেছেন। দুদকের গোপন অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের ‘যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে’। এ কারণে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিতে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জাপা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুকের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তের খবর যখন চাউর হয়, ওই সময় কাকরাইলে জাপা কেন্দ্রীয় কার্যালয় মিলনায়তনে পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহুম্মদ এরশাদের জন্মদিন উদ্যাপন, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জি এম কাদের।
এ প্রসঙ্গে ওই অনুষ্ঠানেই জাপা চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে আমি কথা বলছি। তাই আজ আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ২০১৮ সালের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তখন পার্টির চেয়ারম্যান ছিলেন আমাদের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। জাতীয় পার্টির রাজনীতি ও নীতি নির্ধারণী বিষয়ে তিনিই সিদ্ধান্ত নিতেন। তখন নাকি আমি দুর্নীতি করেছি! যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
জিএম কাদের আরও বলেন, আমি এমপি থাকা অবস্থায় গমসহ বিভিন্ন যে সহায়তা দেওয়া বিতরণ করা হয়, তা স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের কোনো দায়-দায়িত্ব নেই বা ছিল না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মুখ বন্ধ করার জন্য দুর্নীতির মামলা দেওয়া হয়েছিল। খুনের মামলা দেওয়া হয়েছিল। আমার নামেও দুর্নীতি ও খুনের মামলা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো নির্বাচনে আমাদের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পরাজিত হননি। আমরাও সত্যের পক্ষে আছি ও থাকব।
জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে অভিযোগ করে দলটির চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় পার্টির ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। এখন জাতীয় পার্টি সামনের দিকে আরও এগিয়ে যাবে। সামনে আমাদের সুদিন আসছে। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে। জনগণ আমাদের কথা শুনতে চায়। ফ্যাসিবাদ থেকে দেশকে মুক্তি দিতে যে পথে যেতে হয় আমরা সে পথেই এগিয়ে যাব।
সরকার ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি উল্লেখ করে জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, মানুষ এই মামলা নিয়ে হাসাহাসি করবে। আমরা এই মামলা মোকাবিলা করব। সত্য সবসময় বিজয়ী হয়, আমরাও বিজয়ী হব। ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না, বর্তমান সরকারও বিগত সরকার থেকে শিক্ষা নেয়নি। এই দিন দিন না, আরও দিন আছে, এই দিনেরে নিয়ে যাব সেই দিনেরও কাছে।

মনোনয়ন ও পদ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থসম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দুদক বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে জি এম কাদের এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এসব প্রয়াসকে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
দুদক সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন বাণিজ্য করে ১৮ কোটি টাকা ১০ লাখ নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া দলীয় পদ বাণিজ্য করে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করে বিদেশে পাচার করেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জি এম কাদের জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হন এবং দলীয় পদ বাণিজ্য ও মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করেন, যা পরে বিদেশে পাচার করা হয়। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি ৩০১ সদস্যের হলেও পদ বাণিজ্য করতেই কমিটিতে ৬০০ থেকে ৬৫০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আক্তার হোসেন বলেন, জি এম কাদের সিঙ্গাপুর, লন্ডন, সিডনিসহ বিভিন্ন দেশে নামে-বেনামে সম্পদ পাচার করেছেন। দুদকের গোপন অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের ‘যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে’। এ কারণে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিতে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জাপা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুকের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তের খবর যখন চাউর হয়, ওই সময় কাকরাইলে জাপা কেন্দ্রীয় কার্যালয় মিলনায়তনে পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহুম্মদ এরশাদের জন্মদিন উদ্যাপন, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জি এম কাদের।
এ প্রসঙ্গে ওই অনুষ্ঠানেই জাপা চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে আমি কথা বলছি। তাই আজ আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ২০১৮ সালের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তখন পার্টির চেয়ারম্যান ছিলেন আমাদের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। জাতীয় পার্টির রাজনীতি ও নীতি নির্ধারণী বিষয়ে তিনিই সিদ্ধান্ত নিতেন। তখন নাকি আমি দুর্নীতি করেছি! যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
জিএম কাদের আরও বলেন, আমি এমপি থাকা অবস্থায় গমসহ বিভিন্ন যে সহায়তা দেওয়া বিতরণ করা হয়, তা স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের কোনো দায়-দায়িত্ব নেই বা ছিল না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মুখ বন্ধ করার জন্য দুর্নীতির মামলা দেওয়া হয়েছিল। খুনের মামলা দেওয়া হয়েছিল। আমার নামেও দুর্নীতি ও খুনের মামলা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো নির্বাচনে আমাদের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পরাজিত হননি। আমরাও সত্যের পক্ষে আছি ও থাকব।
জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে অভিযোগ করে দলটির চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় পার্টির ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। এখন জাতীয় পার্টি সামনের দিকে আরও এগিয়ে যাবে। সামনে আমাদের সুদিন আসছে। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে। জনগণ আমাদের কথা শুনতে চায়। ফ্যাসিবাদ থেকে দেশকে মুক্তি দিতে যে পথে যেতে হয় আমরা সে পথেই এগিয়ে যাব।
সরকার ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি উল্লেখ করে জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, মানুষ এই মামলা নিয়ে হাসাহাসি করবে। আমরা এই মামলা মোকাবিলা করব। সত্য সবসময় বিজয়ী হয়, আমরাও বিজয়ী হব। ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না, বর্তমান সরকারও বিগত সরকার থেকে শিক্ষা নেয়নি। এই দিন দিন না, আরও দিন আছে, এই দিনেরে নিয়ে যাব সেই দিনেরও কাছে।

ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় গত ২৮ মে। এর আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকলেও পরে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২৫ মে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়, যার ফলে টানা সাত দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে। দুইজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা
১৮ ঘণ্টা আগে
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।
২০ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে