
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দ নিয়ে করা দুর্নীতির মামলার কার্যক্রম বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। আজ বুধবার মির্জা আব্বাসের আপিল মঞ্জুর করে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
২০১৯ সালের ১৩ মে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দ নিয়ে করা দুর্নীতির মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলার কার্যক্রমের ওপর থাকা স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করেন। এরপর তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেছিলেন। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দে ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯শ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় এ মামলা করে দুদক। পরে দুদকের উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান তদন্ত শেষ করে মির্জা আব্বাসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪।
২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর মামলাটি বাতিলের জন্য মির্জা আব্বাস ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়ের করলে, একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, সেই মর্মে রুল ও তিন মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ২০১৯ সালের ১৩ মে ওই রুল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দ নিয়ে করা দুর্নীতির মামলার কার্যক্রম বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। আজ বুধবার মির্জা আব্বাসের আপিল মঞ্জুর করে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
২০১৯ সালের ১৩ মে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দ নিয়ে করা দুর্নীতির মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলার কার্যক্রমের ওপর থাকা স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করেন। এরপর তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেছিলেন। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দে ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯শ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় এ মামলা করে দুদক। পরে দুদকের উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান তদন্ত শেষ করে মির্জা আব্বাসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪।
২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর মামলাটি বাতিলের জন্য মির্জা আব্বাস ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়ের করলে, একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, সেই মর্মে রুল ও তিন মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ২০১৯ সালের ১৩ মে ওই রুল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম কামাল উদ্দীন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ২৪ আগস্টের মধ্যে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন বলে দাবি করেছেন আল-জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সামি। বুধবার (২২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে
নৈতিক স্খলনের দায়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এখনও কোনো নোটিশ যায়নি বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, নোটিশ এলে কমিশন আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের রেখে যাওয়া ৬৭ হাজার কোটি টাকার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল। এটি কীভাবে সমাধান করব, সেটি আমিও সহজে বলতে পারি না। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
১৭ ঘণ্টা আগে