
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সাইফুর রহমান ভূঁইয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দম্পতি রুপা বেগম ওরফে জান্নাত ও নাজিম হোসেন আদালতে দোষ স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার (১২ মার্চ) তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় তারা ঘটনার দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরখান থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদুল হাসান তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জেনিফা জেরিনের আদালত রুপার এবং আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত নাজিমের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গতকাল মঙ্গলবার ফরিদপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উপাধ্যক্ষ সাইফুর রহমান হত্যার নেপথ্যে কারণ ছিল ধর্ষণচেষ্টা। নাজিম হোসেন ও রুপা বেগম দম্পতিকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বাসায় নিয়ে অসদাচরণ ও নাজিমের অনুপস্থিতিতে আপত্তিকর আচরণ ও স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিতেন সাইফুর রহমান। সবশেষ গত ৯ মার্চ রাতে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা করলে তার স্বামী প্রতিবাদ করেন, এ সময় ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে দা দিয়ে সাইফুর রহমানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যান ওই দম্পতি। পরে ১১ মার্চ ফরিদপুর রেলস্টেশন এলাকা থেকে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মার্চ সকালে রাজধানীর উত্তরার উত্তরখান থানা এলাকার পুরানপাড়ার একটি বাসার চতুর্থ তলার ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সাইফুর রহমান ভূঁইয়াকে। দুর্বৃত্তরা তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে বাথরুমে আটকে রেখে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে উত্তরার একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে ১১ মার্চ নিহতের ভাই মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান ভূঁইয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

রাজধানীর হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সাইফুর রহমান ভূঁইয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দম্পতি রুপা বেগম ওরফে জান্নাত ও নাজিম হোসেন আদালতে দোষ স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার (১২ মার্চ) তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় তারা ঘটনার দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরখান থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদুল হাসান তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জেনিফা জেরিনের আদালত রুপার এবং আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত নাজিমের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গতকাল মঙ্গলবার ফরিদপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উপাধ্যক্ষ সাইফুর রহমান হত্যার নেপথ্যে কারণ ছিল ধর্ষণচেষ্টা। নাজিম হোসেন ও রুপা বেগম দম্পতিকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বাসায় নিয়ে অসদাচরণ ও নাজিমের অনুপস্থিতিতে আপত্তিকর আচরণ ও স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিতেন সাইফুর রহমান। সবশেষ গত ৯ মার্চ রাতে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা করলে তার স্বামী প্রতিবাদ করেন, এ সময় ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে দা দিয়ে সাইফুর রহমানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যান ওই দম্পতি। পরে ১১ মার্চ ফরিদপুর রেলস্টেশন এলাকা থেকে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মার্চ সকালে রাজধানীর উত্তরার উত্তরখান থানা এলাকার পুরানপাড়ার একটি বাসার চতুর্থ তলার ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সাইফুর রহমান ভূঁইয়াকে। দুর্বৃত্তরা তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে বাথরুমে আটকে রেখে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে উত্তরার একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে ১১ মার্চ নিহতের ভাই মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান ভূঁইয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় গত ২৮ মে। এর আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকলেও পরে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২৫ মে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়, যার ফলে টানা সাত দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে। দুইজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা
১৮ ঘণ্টা আগে
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।
২১ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে