তরমুজের ট্রলারে ডাকাতি, গণপিটুনিতে আহত ডাকাত মারা গেল হাসপাতালে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
মরদেহ। প্রতীকী ছবি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলাসংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীতে তরমুজ বোঝাই একটি ট্রলারে ডাকাতির সময় গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয়েছেন ডাকাত দলের এক সদস্য। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। ডাকাত দলের হামলায় ট্রলারের চালক ও দুই কৃষক আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৫ মার্চ) ভোরে ওই ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান ওই ডাকাত। পুলিশ এখনো তার নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি। তার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর।

ডাকাতির সময় হামলায় আহত হয়েছেন ট্রলারচালক মো. সেলিম মাঝি (৫৭) এবং দুই তরমুজ চাষি গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের কপালবেরা গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম (৫৮) ও ডাকুয়া গ্রামের মো. মেহেদী হাসান (৩৪)। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও আহত তরমুজ চাষিরা জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে পটুয়াখালীর গলাচিপার চরকাজল থেকে শহিদুল ইসলাম নামে এক তরমুজ চাষি ১০ হাজার তরমুজ নিয়ে ট্রলারে করে চাঁদপুর যাচ্ছিলেন। শনিবার ভোরের দিকে বাউফল উপজেলার তালতলী মোহনা এলাকায় তেঁতুলিয়া নদীর পৌঁছালে সাত-আটজন সশস্ত্র ডাকাতের একটি দল দ্রুতগতির ট্রলার নিয়ে তরমুজের ট্রলারটিকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে ধুলিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় গিয়ে তরমুজভর্তি ট্রলারের নিয়ন্ত্রণ নেয় ডাকাত দল।

তরমুজ চাষিরা জানান, ডাকাতরা ট্রলারচালকসহ ট্রলারে থাকা তিন ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত করে। প্রাণে বাঁচতে তারা প্রতিরোধ করেন। হামলাকারী এক ডাকাতকে তারা ধরে ফেলেন। এ সময় নদীতে থাকা জেলেসহ তীরের লোকজন অন্য ট্রলার নিয়ে ছুটে আসেন। অবস্থা বেগতিক দেখে ডাকাতরা পালিয়ে গেলেও একজন ট্রলারে আটকা পড়েন।

স্থানীয় লোকজন আটক ডাকাতকে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে ভোর ৫টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তরমুজ চাষিদের উদ্ধার করার পাশাপাশি পুলিশ গণপিটুনিতে গুরুতর আহত ডাকাতকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, নিহত ডাকাতের বয়স আনুমনিক ৩৫ বছর। এখনো তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

৩০% জ্বালানি কম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুধু জ্বালানি নয়, সরকারি খাতে গাড়ি, জলযান ও কম্পিউটার ক্রয়ও আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি কার্যালয়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ এবং ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

৯ ঘণ্টা আগে

‘তেলের সংকট নেই, সেচ মৌসুমে কৃষকদের সমস্যা হবে না’

তিনি বলেন, বিশেষ করে এই অঞ্চলে যেমন পাট রয়েছে, এগুলো মাথায় রেখে আমাদের কৃষক ডিজেলের ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়ে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে তারা যেন ডিজেল ও বিদ্যুৎ পায় সেক্ষেত্রে আমরা তৎপর আছি। কৃষকদের কোনো সমস্যা হবে না।

১০ ঘণ্টা আগে

চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করল অধিদপ্তর

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়, আপৎকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং হামের টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১১ ঘণ্টা আগে

যুদ্ধে অর্থনীতিতে কিছুটা চাপ বাড়ছে, তবে উন্নয়ন থেমে নেই: ত্রাণমন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে আমরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনের আঙুলের দাগ মুছে যাওয়ার আগেই ফ্যামিলি কার্ড চালু, ইমামদের ভাতা প্রদান এবং কৃষি ঋণ মওকুফের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

১২ ঘণ্টা আগে