
চট্টগ্রাম ব্যুরো

ঘড়ির কাঁটা ভোর রাত ৪টা পেরিয়ে ৫টার দিকে ছুঁটছে। কেউ ব্যস্ত সেহেরি খেতে, কেউ ঘুমে। ঠিক এমন সময়টাই বেছে নিলো চোরের দল। ট্রাক নিয়ে গিয়ে তারা দোকানের তালা ভেঙে নিয়ে গেল প্রায় ৩০ লাখ টাকার কেবলসহ নগদ টাকা। যাওয়ার সময় নিয়ে যায় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) ভিডিআর সেটটিও।
চট্টগ্রাম নগরীর কদমতলী এলাকায় ঘটেছে এমন চুরির ঘটনা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ডবলমুরিং থানায় অজ্ঞাত চোরদের আসামি করে মামলা করেছেন দোকানি দিলদার হোসেন।
এজাহার অনুযায়ী, চুরির ঘটনাটি ঘটেছে কদমতলীর খালেক ম্যানশনের নিচ তলায় অবস্থিত মেসার্স জাকিয়া এন্টারপ্রাইজে, রোববার (১০ মার্চ) ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে। দোকানটি দিলদার হোসেনের হলেও মালামাল বেচাকেনার দায়িত্ব তিনি দিয়েছেন ফুফাতো ভাই মনির আহাম্মদকে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, রোববার সকাল সাড়ে ৮টায় মনির দোকান খুলতে গিয়ে দোকানের সামনের তালা ও ডান পাশের শাটারের তালা ভাঙা দেখতে পান। ফোনে এ ঘটনা জানালে দিলদারও ঘটনাস্থলে যান।
দোকানের ভেতর ঢুকে তারা দেখতে পান, ফোর ও থ্রি কোর কেবলের বিভিন্ন আকারের আড়াই হাজার কেজি এবং সিংগেল কোরের বিভিন্ন আকারের ৬০০ কেজিসহ মোট তিন হাজার ১০০ কেজি কেবল চুরি হয়ে গেছে। এ ছাড়া চোরের দল ক্যাশ বাক্সের তালা ভেঙে ৩০ হাজার টাকা, ৩০ হাজার টাকা দামের একটি সোনার আংটি ও ১০ হাজার টাকা দামের সিসি ক্যামরার ভিডিআর সেটটি নিয়ে যায়।
জানতে চাইলে দোকানি দিলদার হোসেন বলেন, যেসব কেবল নিয়ে গেছে তার বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। দোকানের সিসি ক্যামরার ভিডিআরও নিয়ে যাওয়ায় কীভাবে চুরি হয়েছে তা বের করতে কষ্ট হয়েছে। পরে আশপাশের দোকানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখেছি, পাঁচ-ছয়জনের একটি চোরের দল দোকানের তালা ভেঙে মালামালগুলো ট্রাকে ভরে কদমতলী মোড়ের দিকে চলে যায়।
দিলদার জানান, পরে বহু জায়গায় খোঁজ নিয়েও মালামালগুলো উদ্ধার করতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই অজ্ঞাতনামা চোরদের আসামি করে মামলা করেছেন।
মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডবলমুরিং থানার উপপরিদর্শক (এসআই, নিরস্ত্র) মো. ইমান হোসাইনকে। তিনি জানান, মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। চোরের দলকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ঘড়ির কাঁটা ভোর রাত ৪টা পেরিয়ে ৫টার দিকে ছুঁটছে। কেউ ব্যস্ত সেহেরি খেতে, কেউ ঘুমে। ঠিক এমন সময়টাই বেছে নিলো চোরের দল। ট্রাক নিয়ে গিয়ে তারা দোকানের তালা ভেঙে নিয়ে গেল প্রায় ৩০ লাখ টাকার কেবলসহ নগদ টাকা। যাওয়ার সময় নিয়ে যায় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) ভিডিআর সেটটিও।
চট্টগ্রাম নগরীর কদমতলী এলাকায় ঘটেছে এমন চুরির ঘটনা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ডবলমুরিং থানায় অজ্ঞাত চোরদের আসামি করে মামলা করেছেন দোকানি দিলদার হোসেন।
এজাহার অনুযায়ী, চুরির ঘটনাটি ঘটেছে কদমতলীর খালেক ম্যানশনের নিচ তলায় অবস্থিত মেসার্স জাকিয়া এন্টারপ্রাইজে, রোববার (১০ মার্চ) ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে। দোকানটি দিলদার হোসেনের হলেও মালামাল বেচাকেনার দায়িত্ব তিনি দিয়েছেন ফুফাতো ভাই মনির আহাম্মদকে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, রোববার সকাল সাড়ে ৮টায় মনির দোকান খুলতে গিয়ে দোকানের সামনের তালা ও ডান পাশের শাটারের তালা ভাঙা দেখতে পান। ফোনে এ ঘটনা জানালে দিলদারও ঘটনাস্থলে যান।
দোকানের ভেতর ঢুকে তারা দেখতে পান, ফোর ও থ্রি কোর কেবলের বিভিন্ন আকারের আড়াই হাজার কেজি এবং সিংগেল কোরের বিভিন্ন আকারের ৬০০ কেজিসহ মোট তিন হাজার ১০০ কেজি কেবল চুরি হয়ে গেছে। এ ছাড়া চোরের দল ক্যাশ বাক্সের তালা ভেঙে ৩০ হাজার টাকা, ৩০ হাজার টাকা দামের একটি সোনার আংটি ও ১০ হাজার টাকা দামের সিসি ক্যামরার ভিডিআর সেটটি নিয়ে যায়।
জানতে চাইলে দোকানি দিলদার হোসেন বলেন, যেসব কেবল নিয়ে গেছে তার বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। দোকানের সিসি ক্যামরার ভিডিআরও নিয়ে যাওয়ায় কীভাবে চুরি হয়েছে তা বের করতে কষ্ট হয়েছে। পরে আশপাশের দোকানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখেছি, পাঁচ-ছয়জনের একটি চোরের দল দোকানের তালা ভেঙে মালামালগুলো ট্রাকে ভরে কদমতলী মোড়ের দিকে চলে যায়।
দিলদার জানান, পরে বহু জায়গায় খোঁজ নিয়েও মালামালগুলো উদ্ধার করতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই অজ্ঞাতনামা চোরদের আসামি করে মামলা করেছেন।
মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডবলমুরিং থানার উপপরিদর্শক (এসআই, নিরস্ত্র) মো. ইমান হোসাইনকে। তিনি জানান, মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। চোরের দলকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুধু জ্বালানি নয়, সরকারি খাতে গাড়ি, জলযান ও কম্পিউটার ক্রয়ও আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি কার্যালয়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ এবং ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, বিশেষ করে এই অঞ্চলে যেমন পাট রয়েছে, এগুলো মাথায় রেখে আমাদের কৃষক ডিজেলের ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়ে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে তারা যেন ডিজেল ও বিদ্যুৎ পায় সেক্ষেত্রে আমরা তৎপর আছি। কৃষকদের কোনো সমস্যা হবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়, আপৎকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং হামের টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে আমরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনের আঙুলের দাগ মুছে যাওয়ার আগেই ফ্যামিলি কার্ড চালু, ইমামদের ভাতা প্রদান এবং কৃষি ঋণ মওকুফের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে